
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e5e6e1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-63.79689%20-20.1284%2013.79816%20-43.73323%2052%2096.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2345473e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(44.3%2029.8%20162.2)%20scale(149%2036.73277)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23434248%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.77628%2022.26573%20-17.88568%2012.67282%20.5%2015.4)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23fffeff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M16.5%2072.5h16v29h-16z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
উল্লেখ বা citation হল কোন গবেষণার নিবন্ধে পুরানো বা আগের কোন পরীক্ষার ফলাফল, প্রক্রিয়া, মতামত, চিন্তা, ধারণা উল্লেখ করা। কোন গবেষণা কতবার উল্লেখিত হয়েছে সেটার উপর নির্ভর করে গবেষণাটি পরবর্তী গবেষণায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটাও মোটামুটি বোঝা যায়। নেচার পত্রিকার অতিসাম্প্রতিক সংখ্যাটি খুঁজে বের করেছে এরকম সবচেয়ে বেশিবার উল্লেখিত গবেষণা নিবন্ধগুলি। প্রথমদিককার প্রায় সবগুলি নিবন্ধই জীববিজ্ঞানের। আমি এখানে প্রথম ১০টি উল্লেখ করে দিচ্ছি, সেইসঙ্গে জানাচ্ছি কোন নিবন্ধটি কী গবেষণা নিয়ে সেটা। এরফলে আমাদের একটু ধারণা হবে পৃথিবীর গবেষণাগারে কীধরনের কাজ হয়, খুব কমন কাজ কোনগুলি ইত্যাদি। ১. ৩,০৫,১৪৮ বার উল্লেখিত Protein measurement with the folin phenol…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23846e75%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-40.55125%20-64.34019%20106.9879%20-67.43053%20173%208)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-39.47878%2021.40091%20-17.00078%20-31.36174%20231.4%20150)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(129.8128%20116.06603%20-18.67732%2020.88945%2012%20144.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b03860%22%20cx%3D%22159%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%2239%22%20ry%3D%2231%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অণুলেখা ৬: ইবোলা ঠিক কতটা সংক্রামক?
কার্যকরী ঔষধ এবং টিকা আবিষ্কার না হওয়ার কারণে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা আক্রান্তের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশের মত। সেই সঙ্গে মিডিয়ার কারণে এবং কিছু পশ্চিমা মানুষেরা আক্রান্ত হওয়ার ফলে ইবোলা ভীতি প্রায় সংক্রামক আকার ধারণ করেছে। আসলে রোগটির চেয়ে রোগটির ভীতি বেশি সংক্রামক। কিছু তুলনামূলক পরিসংখ্যান দেখি। Centers for Disease Control and Prevention (CDC) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী যদি তুলনা করি তবে ইবোলে মোটেই খুব সংক্রামক নয়। বরং মিসেলস বা হাম এবং মাম্পস রোগ ইবোলার চেয়ে বেশি সংক্রামক। উপরের ছবিটা দেখুন। এখানে R0 বা ‘R nought’ দিয়ে বোঝানো হচ্ছে প্রতি একজন রোগাক্রান্ত মানুষ থেকে কয়জন সুস্থ মানুষ ঐরোগে…

অণুলেখা ৫: ক্যান্সার কোষের সংক্রামক আচরণ
বেশ কিছুদিন আগে একটা লেখা প্রকাশ করেছিলাম যেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে ক্যান্সার সংক্রামক হতে পারে কিনা। কিছু প্রাণীতে এরকম সংক্রমণ সম্ভব। যেমন, তাসমানিয়ান ডেভিল নামের জন্তুটি ক্যান্সার আক্রান্ত হলে সে যদি অন্য তাসমানিয়ান ডেভিলকে কামড়ে দেয় তবে মুখ থেকে ক্ষতে ক্যান্সার কোষ ঝরে পড়ে কামড় খাওয়া জন্তুটিরও ক্যান্সার তৈরি হয়। মানুষে এমন উদাহরণ পাওয়া যায়নি। তবে খুব সম্প্রতি একটি পরীক্ষা বলছে কোষ নয়, বরং ক্যান্সার কোষ থেকে তৈরি হওয়া এক্সোজোম থেকে ক্যান্সার একটি কোষ থেকে আরেক কোষে ছড়াতে পারে। স্বাভাবিক মনুষ্যকোষ কিছু থলির মত ঝিল্লীযুক্ত জিনিস তৈরি করে যেখানে প্রোটিন, ডিএনএ এবং আরএনএ পাওয়া যায়…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(2.10938)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23522147%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.71529%2042.38534%20-81.17858%20-53.08173%2024.4%2018.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fdb068%22%20cx%3D%2228%22%20cy%3D%22160%22%20rx%3D%2288%22%20ry%3D%2251%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff4073%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-52.32883%204.4086%20-3.40378%20-40.4019%20245.1%2053.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236f9899%22%20cx%3D%22149%22%20cy%3D%22151%22%20rx%3D%2259%22%20ry%3D%2259%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্বপ্নের কি কোন মানে আছে?
স্বপ্ন-অভিধান সবাই স্বপ্ন নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসেন। ঘুমে দেখা স্বপ্ন জেগে উঠে খুব অর্থবোধক বলে মনে হয়। স্বপ্ন কেন দেখি? স্বপ্নের কি কোন মানে আছে? পৃথিবীর প্রতিটি সংস্কৃতিতেই এই প্রশ্নের উত্তরে বিস্তৃত ভাবনা খুঁজে পাওয়া যাবে। অনেকেই খোয়াবনামা বইটি দেখেছেন। খোয়াবনামাকে বলা যেতে পারে স্বপ্ন অভিধান যেখানে প্রতিটি স্বপ্ন দৃশ্যর রূপকঅর্থ বলে দেয়া আছে। অনেক সময় স্বপ্নকে দেখা হয়েছে ঐশ্বরিক বার্তা হিসেবে। খ্রিষ্টীয় বাইবেল, মুসলমানদের কুরআন আর হিন্দু-বৌদ্ধদের পুরাণে স্বপ্নের মাধ্যমে ভবিষ্যদ্বানীর কথা পাওয়া যায় । কোন কোন প্রাচীন গোষ্ঠী ভাবতো যে ঘুমের সময় আত্মা দেহ থেকে বের হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় – যে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2391d2ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-110.40805%2064.76158%20-17.5201%20-29.86896%2097.8%20140)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23173519%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-35.92189%2052.62295%20-25.40834%20-17.34444%2034.7%2050.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a2aba1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(150.5%2034.4%2045.1)%20scale(19.95688%2038.50234)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002707%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-21.98782%20-14.29397%2016.74883%20-25.76403%20128.5%2020.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
থাকে শুধু অন্ধকার
সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় মহাকাশযানে চেপে মানুষকে দূর নক্ষত্রে পারি দিতে। কিন্তু উপন্যাসিকের কল্পনায় আঁকা মহাকাশযানের ভেতরের সত্যিকার বাস্তবতা কেমন তা মনে হয় এ বিষয়ে আগ্রহীদের না জানলেই নয়। তারই কিছুটা আভাষ পাওয়া যেতে যাবে “থাকে শুধু অন্ধকার” নামের বইটিতে। মহাকাশযানে চেপে দূর নক্ষত্রে পাড়ি দিতে কত যে জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে, কত যে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠতে হবে তা নিয়ে তাক লাগানো কিছু আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। শক্তি ব্যবহারে আমাদের আজকের যে প্রযুক্তি সে প্রযুক্তিতে অতি কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারিতে যাত্রা করতে হলেও আরও দুইশো অপেক্ষা করতে হবে। সবচে কাছের একটা নক্ষত্রের দিকে…
%22%20transform%3D%22matrix(2.5%200%200%202.5%201.3%201.3)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23525252%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(153.1%201.2%2042)%20scale(57.47066%2046.59339)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-101.37391%2011.9087%20-4.89235%20-41.64659%20161.6%200)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f7f7f7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(87.23691%2049.96105%20-31.58855%2055.15673%20175.4%20140)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237e7e7e%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2260%22%20rx%3D%2245%22%20ry%3D%2224%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চিকিৎসাবিদ্যায় ২০১৪ সালের নোবেল: মস্তিষ্কের অবস্থান-নির্ণয়-ব্যবস্থা
ছবি বাম থেকে ডানে যথাক্রমে এডভার্ট মোজার, জন ও’কেফে, মে-ব্রিট মোজার স্মার্টফোনের কল্যাণে অনেকেই জিপিএস-ব্যবহার করেছেন। জিপিএস হলো পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে থাকা কিছু স্যাটেলাইটের সাহায্য নিয়ে ভূমির স্থানিক তথ্য সুনির্দিষ্ট জানার একটি পদ্ধতি। কোন বস্তু ভূমির ঠিক কোথায় আছে সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয় জিপিএস সিস্টেম। এই তথ্য আসলে স্থানাঙ্ক; অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশের হিসাব। জিপিএস-এর উপর ভিত্তি করে আধুনিক টেলিযোগাযোগ থেকে শুরু করে রকেট উড্ডয়ন প্রযুক্তি গড়ে ওঠেছে। জিপিএস মানেই হলো Global Positioning System, বৈশ্বিক অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থা। চিন্তা করুন, কোন এক দুপুর বেলা আপনি ফার্মগেট থেকে শাহবাগ হয়ে চাঙ্খারপুল যাবেন নান্নার বিরিয়ানি খেতে। এজন্য স্মৃতি ও ইন্দ্রিয়ের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233f91e1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-114.68162%20169.38405%20-107.34852%20-72.68041%20311.2%20349.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23150e01%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(30.8%20-69.4%201689.6)%20scale(271.88262%20921.7757)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23553ba1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(39.1%2059.8%20789.3)%20scale(66.46487%20137.77002)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23140c00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(755.0253%20-489.06906%2084.40429%20130.30342%20244%201.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আদিম জলের সন্ধানে
চিন্তা করে দেখুন আজ থেকে প্রায় ৩৫ কোটি বছর আগে সমুদ্র থেকে উঠে এসেছিল কোন এক উভচর মাছ, তারপর কোটি কোটি বছর চলে গেছে, সেই মীন থেকে উদ্ভূত হল সরীসৃপ, পাখী, স্তন্যপায়ী জীব, পৃথিবী ঘুরল প্রায় দু’বার গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারধারে, অবশেষে মানুষ মাত্র সেইদিন যেন গাছ থেকে এল নেমে। আমরা প্রকৃতই জলজাত, আমরা জলের সন্তান। কিন্তু আমরা জলেই থাকতে পারতাম। মৎস থেকে বিবর্তিত হতাম কিংবদন্তীর মৎসমানুষে। কিন্তু সেই জলজ সভ্যতা কি জ্যোতির্বিদ্যার চর্চা করতে পারত? পৃথিবীরপৃষ্ঠ তাদের জন্য হত অস্পৃশ্য। সেখানে যদি তারা দূরবীনও স্থাপন করতে পারত, সেই দূরবীন তাদেরকে মহাসমুদ্রের নিচ থেকে চালনা করতে হত। …

কার্বন ট্রেডিং … মুক্তি নাকি ফাঁদ?
উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হয়ে উঠছে পৃথিবী। গলছে বরফ, বাড়ছে সমুদ্র পৃষ্ঠের গড় উচ্চতা, বাড়ছে দূর্যোগ। যার প্রধান কারণ জলবায়ূ পরিবর্তন। কার্বন- ডাই- অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প, ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ইত্যাদি গ্যাসগুলো জলবায়ূ পরিবর্তনের জন্য দায়ী গ্যাস, যা গ্রীন হাউস গ্যাস নামে পরিচিত। আর প্রতিনিয়ত এ গ্যাসগুলো নিঃসরণ করে জলবায়ূ পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে শিল্পোন্নত দেশ গুলো। তাই ১৯৯৭ সালে কার্বন নিঃসরণ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে স্বাক্ষরিত হয় কিয়োটো প্রোটোকল। ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে এটি কার্যকর করা হয়। পৃথিবীতে গ্রীন হাউস গ্যাস কমানোর জন্য কিয়োটো প্রোটোকোল একটি আইনগত বাধ্যতামূলক দলিল। এই প্রোটোকোলে, শিল্পসমৃদ্ধ দেশ গুলোর জন্য গ্রীন হাউস গ্যাস…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-563.9128%20-258.8083%2088.8424%20-193.57712%201097%20680.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M561.8%20378.2l168.9%20859.2L33%201362.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aeaeae%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(306.65947%20-69.1087%2046.62692%20206.89995%201229.6%201180.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ebebeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-80.5%20672.5%20-607.7)%20scale(311.26626%201814.17429)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পরমাণুর আভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১৯
অধ্যায়-৪ : নিউক্লিয়াস অনুচ্ছেদ-২: ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণিকা নিউক্লিয়াস একটি পরমাণুর মোট ভরের শতকরা ৯৯.৯৪৫ ভাগ থেকে ৯৯.৯৭৫ ভাগ ধারন করে। এই কারনে নিউক্লিয়াস নিয়ে গবেষণা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে, আপনি বলতে পারেন নিউক্লিয়াসই হলো আসলে পরমাণু। ঊনিশ শতকে পরমাণু সম্বন্ধে ভাবা হতো যে এর প্রায় সম্পূর্ণই ফাঁকা; কিংবা এর অভ্যন্তরভাব অত্যন্ত অকিঞ্চিৎকর ইলেক্ট্রন কণা/তরঙ্গ দিয়ে পূর্ণ। নিউক্লিয়াসই হয়তোবা সেই ক্ষুদ্র, গোলাকার এবং প্রকৃত বস্তু যা লুসিপ্পাস এবং ডোমোক্রিটাস কল্পনা করেছিলেন। বিশাল ভরযুক্ততা সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের আকার অত্যন্ত ক্ষূদ্র এবং তা হচ্ছে একটি পরমাণুর ব্যাসের একলক্ষ ভাগের একভাগ। এই কারনে একে ইলেক্ট্রনের মতোই পরমাণুর আভ্যন্তরীন একটি কণিকা হিসেবেই…







