
%22%20transform%3D%22matrix(2%200%200%202%201%201)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff0034%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(119.06397%20-29.89339%209.36526%2037.3014%20101%2016.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300110c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-251.99824%2039.01139%20-6.25525%20-40.40644%20157.2%20101.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2302241f%22%20cx%3D%22236%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%2225%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fe0104%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(103.4265%20-31.98444%207.38392%2023.87702%20119.9%200)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিচের লেখাটিকে cryptic note হিসেবে ধরা যেতে পারে। সময়ের সাথে সাথে এর পরিমার্জনা ও পরিবর্ধন হবে। [১] ১৯২৩ সনে, ফরাসী পদার্থবিদ দ্যব্রগলি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ও প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব মিলিয়ে আলো কোয়ান্টার একটা নতুন পরীক্ষামূলক বা সাময়িক তত্ত্ব দিলেন। দ্য ব্রগলির নাম ইংরেজীতে লেখা হয় Luis de Broglie। এর ইংরেজী উচ্চারণ লুই দ্যব্রলি’র মতন আর ফরাসী হচ্ছে লুই দ্যব্রইয়ে’র মতন, আমরা বাংলায় এত দিন যেমন প্রচলিত সেটাই রাখছি, দ্যব্রলি বা দ্যব্রইয়ে বলে বলে পাঠককে ঘাবড়ে দিচ্ছি না। আলো-কোয়ান্টামের শক্তিকে প্লাঙ্ক বর্ণনা করেছিলেন $E=h\nu$ হিসেবে, আর আইনস্টাইনের তত্ত্ব থেকে পাওয়া গেল $E=pc$। এখানে $h$ হচ্ছে প্লাঙ্কের ধ্রুবক,…
%22%20transform%3D%22matrix(2%200%200%202%201%201)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23090052%22%20cx%3D%22246%22%20cy%3D%2257%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%22253%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ccfee5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.3422%20-136.29726%2067.83863%20-2.16122%2036.8%2069.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a4797b%22%20cx%3D%22176%22%20cy%3D%2261%22%20rx%3D%2245%22%20ry%3D%2276%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f793b4%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.60419%207.34992%20-6.33828%2022.94239%20172.6%2054.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
দেহ-ঘড়ি টিক টিক ছন্দ: সার্কাডিয়ান ক্লক
১. একটি চাবি মাইরা দিলা ছাইড়াজনম ভইরা চলিতেছেমন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করিকোন মিস্তরী বানাইয়াছে … আবদুর রহমান বয়াতির দেহতত্ত্বের গান। দেহ সম্পর্কে অপরিসীম কৌতুহল বাউলদের, সেই আগ্রহ বার বার ফিরে এসেছে তাঁদের গানের কথায়, সাধনায়, দর্শনে। বাউলদের গানের একটা বৈশিষ্ট্য হলো রূপকের ব্যবহার, যেমন এই গানে দেহ ঘড়িকে আবদুর রহমান বয়াতি তুলনা করেছেন ঘড়ির সাথে, সেখানে চাবি মেরে দেয়া আছে। এখনকার ঘড়ি যদিও ব্যাটারির শক্তিতে চলে, একসময় ঘড়িকে প্রতিদিন চাবি দিতে হতো। ঘড়িতে থাকতো একটা স্প্রিঙ, সেই স্প্রিঙকে ঘুরিয়ে যে বিভব শক্তি সঞ্চিত করা হতো চাবি ঘুরিয়ে, সে শক্তিকে নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে ঘড়ি ছন্দে ছন্দে…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e6dac9%22%20cx%3D%22113%22%20cy%3D%2257%22%20rx%3D%2265%22%20ry%3D%2265%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23423d45%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-50.06706%2037.57364%20-18.20315%20-24.2558%20225.6%2089.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232d90b6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-47.42878%20-50.14384%2039.29068%20-37.16327%2024.3%20113.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c76c1%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(47%2089.3%20264)%20scale(61.83076%2040.53413)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বৈদ্যুতিক ব্যাক্টেরিয়া
আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে আমাদের পরিবেশ। এই পরিবেশে কিছু জিনিস হল জীব, যাদের জীবন আছে। আর কিছু জিনিস জড়, যাদের জীবন নেই। জীবের মধ্যে কিছু আছে যাদের আমরা খালি চোখে দেখি, যেমনঃ আমাদের বাবা-মা, ভাই-বন্ধু, দেয়ালের পোকা,পাশের বাসার বিড়াল, পথের কুকুর ইত্যাদি। আবার কোন কোন জীব আছে যাদের খালি চোখে সবসময় দেখিনা, যেমনঃ স্টোর রুমের ইদুর, বইয়ের সেলফের তেলাপোকা ইত্যাদি- কিন্ত মাঝে মাঝে এদের সাথে দেখা হয়ে যায়! তবে কিছু জীব আছে যাদের আসলেই খালি চোখে দেখা অসম্ভব, কিন্তু তারা চোখের সামনেই থাকে। আপনার হাতে,পায়ে, পেটের ভিতরে, সারা ঘরে, সব জায়গাতেই তারা রয়েছে।…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-563.9128%20-258.8083%2088.8424%20-193.57712%201097%20680.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M561.8%20378.2l168.9%20859.2L33%201362.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aeaeae%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(306.65947%20-69.1087%2046.62692%20206.89995%201229.6%201180.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ebebeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-80.5%20672.5%20-607.7)%20scale(311.26626%201814.17429)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পরমাণুর আভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১৬
অধ্যায়-৩ : ইলেক্ট্রনঅনুচ্ছেদ-৬: তরঙ্গ ও কণা যদি আলো কোয়ান্টাম হিসেবে বিরাজিত থাকে এবং যদি প্রতিটি কোয়ান্টাম স্থানের মধ্য দিয়ে পৃথকভাবে গতিপ্রাপ্ত হয় তাহলে কোয়ান্টাম একটি কণার মতোই আচরণ করে। সেই কারণে কোয়ান্টামকে কণাধর্মী একটি নামও প্রদান করা হয়। ইলেক্ট্রনের নামের সাথে মিল রেখে অধিকাংশ কণাই নামের শেষে ‘অন’ প্রাপ্ত হয় এবং এই বিবেচনায় ১৯২৮ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ আর্থার হোলি কম্পটন (Arthur Holly Compton, ১৮৯২-১৯৬২) এই ধরনের একটি গতিময় কোয়ান্টামকে নাম দেন ‘ফোটন’ গ্রীক ভাষায় যার অর্থ হচ্ছে আলো। এই নামকরণের বিষয়টি বেশ যুক্তিসঙ্গত ছিলো কেননা ১৯৯৩ সালে কম্পটন দেখালেন যে বিকিরণ কণার মতোই আচরণ করে, শুধু…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23318393%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-78.05026%20192.2146%20-290.8678%20-118.10917%20401.2%20382)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(213.05365%20-115.3089%20504.46381%20932.08639%20990.2%20165.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff3f3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-17.5302%20121.6512%20-1049.00813%20-151.16438%20600.6%2038.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-151.74477%20533.8403%20-123.06895%20-34.9825%20965.9%20512.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আইল্যান্ড অফ স্ট্যাবিলিটি কি
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মৌলসমূহকে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পর্যায়বৃত্ততা অনুযায়ী সাজানোর জন্য পর্যায় সারনির উদ্ভব। মেন্ডেলিভ তার পর্যায় সারনি তৈরি করেছিলেন মৌলের পারমাণবিক ভর অনুযায়ী। বর্তমানে ব্যবহিত পর্যায় সারনির মূলভিত্তি, মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা। পর্যায় সারনির এরকম পরিবর্তন সত্ত্বেও এর অন্যতম ত্রুটি, “একই মৌলের একাধিক আইসোটোপের সহ-অবস্থান” -র সমাধান হয়নি। এরকম আরও বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে প্রতিটি মৌলের সকল আইসোটোপকে একসাথে নিয়ে আরেকটি সারনি তৈরি হয় যা, Table of Isotopes বা Table of Nuclides নামে পরিচিত। এর ব্যবহার সাধারণত নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান ও নিউক্লীয় রসায়ন এ হয়। এই সারনি থেকে আইসোটোপের তেজস্ক্রিয়তার ধরন, তার half-life প্রভৃতি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-563.9128%20-258.8083%2088.8424%20-193.57712%201097%20680.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M561.8%20378.2l168.9%20859.2L33%201362.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aeaeae%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(306.65947%20-69.1087%2046.62692%20206.89995%201229.6%201180.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ebebeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-80.5%20672.5%20-607.7)%20scale(311.26626%201814.17429)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পরমাণুর আভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১৫
অধ্যায়-৩ : ইলেক্ট্রনঅনুচ্ছেদ-৫: ইলেক্ট্রন এবং কোয়ান্টাম ১৯০২ সালে ফিলিপ লেনার্ড আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া নিয়ে গবেষনা করেন। তিনি দেখাতে সক্ষম হলেন যে বিভিন্ন ধাতু থেকে উৎসরিত ইলেক্ট্রনের ধর্ম সর্বদাই মিলে যায়। অন্য ভাবে বলা যায়, যদিও প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরনের পরমাণু বিদ্যমান আছে কিন্তু তারা প্রত্যেকেই এক ধরনের ইলেক্ট্রনই ধারন করে। বিজ্ঞানীরা সর্বদা সরলতা পছন্দ করেন এটি বিবেচনা করলে এই ছোট তথ্যটি বেশ আশাব্যাঞ্জক। অন্যদিকে লেনার্ড দেখতে পেলেন আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া আবিষ্ট করার ক্ষেত্রে সব আলো সমান নয়। লাল আলোর ক্ষেত্রে দেখা গেলো ইলেক্ট্রন কখনোই উৎসরিত হয় না এমনকি যদি আলোর তীব্রতা বৃদ্ধি করা হয় তার পরেও ইলেক্ট্রন উৎপন্ন হয়…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232b0021%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(10.78959%2074.68009%20-332.66017%2048.06188%20631.1%20341.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233e71f0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(100.00543%20141.76673%20-305.45243%20215.47299%20434.8%2083)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23643f6a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.03748%20-98.27036%20592.51291%2090.66722%2062.8%20391.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002fa6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-143.7974%20-123.95942%20292.69044%20-339.53148%201.4%2027.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বাংলাদেশে ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ
’’ধূমকেতু শব্দের মানে ধোঁয়ার নিশান। ওর চেহারা দেখে নামটার উৎপত্তি। গোল মুন্ড আর তার পিছনে উড়ছে উজ্জ্বল একটা লম্বা পুচ্ছ। এই পুচ্ছটা অতি সূক্ষ্ম বাষ্পের।’’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিশ্বপরিচয় গ্রন্থে ধূমকেতুর পরিচয় ঠিক এভাবেই তুলে ধরেছেন। ধূমকেতু সৌরজগতের আদি বস্তুসমূহের অন্যতম। যেসব বছর আকাশে ধূমকেতুর আবির্ভাব ঘটে সেবছরগুলো জ্যোতির্বিদ ও আকাশপ্রেমীদের জন্য থাকে খুব আনন্দের। বেশিরভাগ ধূমকেতুর আলো খালি চোখে দেখতে পাবার মতো তেমন উজ্জ্বল হয়না। এটি উজ্জ্বল না অনুজ্জ্বল দেখা যাবে তা নির্ভর করে সূর্য, পৃথিবী এবং এর নিজের দূরত্বের উপর। সেক্ষেত্রে আকাশে যে ধূমকেতু দেখা দিয়েছে তা সাধারণ লোকে জানতেও পারেনা। তাই আকাশে ধূমকেতু…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-563.9128%20-258.8083%2088.8424%20-193.57712%201097%20680.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M561.8%20378.2l168.9%20859.2L33%201362.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aeaeae%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(306.65947%20-69.1087%2046.62692%20206.89995%201229.6%201180.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ebebeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-80.5%20672.5%20-607.7)%20scale(311.26626%201814.17429)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পরমাণুর আভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১৪
অধ্যায়-৩ : ইলেক্ট্রনঅনুচ্ছেদ-৪: ইলেক্ট্রন এবং পরমাণু এটি পরিস্কার যে প্রাপ্ত তথ্য থেকে ইলেক্ট্রনকে ভরযুক্ত পদার্থ হিসেবে কল্পনা করা যায়। মনে করি, আমরা বিদ্যুতের প্রাথমিক অবস্থার গবেষনা নিয়ে চিন্তা করছি যখন আমরা দেখেছিলাম কাচদন্ডের সাথে অ্যাম্বারের ঘর্ষনের মাধ্যমে কিছুটা তড়িৎচার্জ উৎপন্ন হয়। এটি কি এই কারনে নয় যে ইলেক্ট্রন যে বস্তুকে ঘষা হয় সে বস্তু থেকে যে বস্তুর মাধ্যমে ঘষা হয় সে বস্তুতে ভ্রমন করে, কিংবা এর উল্টোটা? যে বস্তুকে অতিরিক্ত ইলেক্ট্রন নিতে বাধ্য করা হয় তার মধ্যে ঋনাত্মক চার্জ জড়ো হয় আর যে বস্তু কিছুটা ইলেক্ট্রন হারায় তার মধ্যে ধনাত্মক চার্জ জড়ো হয়। এবং যদি তাই…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-563.9128%20-258.8083%2088.8424%20-193.57712%201097%20680.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23b2b2b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M561.8%20378.2l168.9%20859.2L33%201362.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aeaeae%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(306.65947%20-69.1087%2046.62692%20206.89995%201229.6%201180.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ebebeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-80.5%20672.5%20-607.7)%20scale(311.26626%201814.17429)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পরমাণুর আভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১৩
অধ্যায়-৩ : ইলেক্ট্রনঅনুচ্ছেদ-৩: এক্স রে আগের অধ্যায়ে আমি উল্ল্যেখ করেছিলাম তড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ অতিবেগুনীর সীমা ছাড়িয়ে ক্রমান্বয়ে আরো ক্ষূদ্রতর তরঙ্গের দিকেও আবিষ্কৃত হয়। এই বিষয়ে আমি সেখানে বিস্তারিত আলোচনা করিনি তবে এখন আলোচনা করার সময় চলে এসেছে। ১৮৯০ এর দশকে জার্মান পদার্থবিদ উইলহেম কোনার্ড রন্টজেন (Wilhelm Konrad Roentgen, ১৮৪৫-১৯২৩) তাঁর নিজস্ব স্বকীয় পন্থায় ক্যাথোড রে নিয়ে গবেষনা করছিলেন। হার্জ এবং থমসনের মত তিনি এদের প্রকৃতি সম্বন্ধে সচেতন ছিলেন না তবে বিশেষ বিশেষ রাসায়নিক দ্রব্যের উপর এদের প্রভাব সম্বন্ধে অবগত ছিলেন। ক্যাথেড রে এই দ্রব্যগুলোর উপর আঘাত হেনে এদের মধ্যে ঔজ্জ্বল্য তৈরি করে। এর মানে হচ্ছে রাসায়নিক দ্রব্যগুলো…




