
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2350514e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-114.8%20566.2%20-64.4)%20scale(514.68504%20207.34128)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231a1a1a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(414.11522%20-66.33051%20175.81493%201097.6493%20171.6%20417)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23555%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M286.7%20235.8l352.6%2081.4-32.4%20140.2L254.4%20376z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23131313%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(105.13916%20-57.80074%20124.20308%20225.92457%201031.5%2090.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মোশন সিকনেস (Motion Sickness) বা গতি-অসুস্থতা আমাদের পরিচিত কিছু মানুষদের-ই দারুণ ভীতির কারণ। ভীতি কেন বলছি? কারণ এই একটি সমস্যার জন্যই আমাদের অনেক প্রিয় বন্ধুরা আমাদের সাথে দূরদূরান্তে ট্যুর তথা ভ্রমণে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। করবে-ই বা কেন? দূরে যেতে হলে তো দরকার গাড়ির। আর এই ‘গাড়ি’-ই তো সব সমস্যার গোড়া। তাই নয় কি? গাড়িতে ওঠে চলা শুরুর পর থেকে শরীরে এক বিচ্ছিরি অনুভূতি হওয়া এবং পরিশেষে জাফর ইকবাল স্যারের ভাষায় “গা গুলিয়ে হরহর করে বমি করে দেওয়া”র মাধ্যমে এই অসুস্থতার শেষ হওয়াই মোশন সিকনেস। মোশন সিকনেস কতোটা বাজে হতে পারে তা কেবল একজন ভ্রমণপিয়াসী-ই…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23395166%22%20cx%3D%2238%22%20cy%3D%2260%22%20rx%3D%2239%22%20ry%3D%2239%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23d0e5f8%22%20d%3D%22M-16%20140l187%2019-60-94z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d17934%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-63.10106%2013.79242%20-15.16623%20-69.38632%20194.3%2078.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bed0dd%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(86.37205%207.55658%20-2.12253%2024.26058%2071.4%202)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যেভাবে কালাজ্বর শনাক্তের আধুনিক পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের একটি উপেক্ষিত প্রাণঘাতী রোগ হল কালাজ্বর বা ভিসেরাল লেশম্যানিয়াসিস (Visceral Leishmaniasis)। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে এই রোগের প্রকোপ আছে। বাংলাদেশে বিশেষ করে ময়মনসিংহ বেল্টে এর প্রাদুর্ভাব বেশি। দেশের ৪৫টি জেলা কালাজ্বরের এন্ডেমিক পর্যায়ে আছে (এন্ডেমিক বলতে নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমিত সংক্রমণ বোঝায়)। গবেষণা বলছে, আমাদের দেশের দুই কোটি মানুষ কালাজ্বরে আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে আছেন। এটি গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের রোগ। নানা কারনেই রোগটি অবহেলিত। তাই কালাজ্বর অবহেলিত ক্রান্তীয় রোগ (নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ বা NTD) নামেও পরিচিত। সুচিকিৎসা না হলে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। কালাজ্বরে আক্রান্ত হবার কারণ- লেইশম্যানিয়া ডোনোভানি (Leishmania donovani) এবং লেইশম্যানিয়া ইনফ্যান্টাম…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233a2500%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.84123%20-24.64541%2051.42482%20-1.7553%20226.7%201.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f9dcb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-13.79167%2028.1523%20-106.8117%20-52.32651%2074.2%2035.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236a247f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-84%2073.7%2062.3)%20scale(30.46309%2023.16489)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2364a3d1%22%20cx%3D%22241%22%20cy%3D%22136%22%20rx%3D%2258%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শুক্রাণুর মাইটোকন্ড্রিয়া কি ডিএনএ বিহীন?
প্রায় প্রতিটি মানবকোষই মাইটোকন্ড্রিয়া দ্বারা চালিত হয়। শিম-আকৃতির এই অঙ্গাণু অক্সিজেন ব্যবহার করে দেহের ব্যবহার উপযোগী শক্তি সংশ্লেষণ করে। কোটি কোটি বছর আগে একটা প্রাচীন আর্কিওব্যাক্টেরিয়া একটা ব্যাকটেরিয়াকে গিলে ফেলে। এই ব্যাকটেরিয়াই পরবর্তীতে মাইটোকন্ড্রিয়া হিসেবে বিবর্তিত হয়। আর এভাবেই উদ্ভব ঘটে সুকেন্দ্রিক কোষের। তখন থেকেই মাইটোকন্ড্রিয়া তার পূর্বসূরী অণুজীবের মতো ডিএনএ বহন করে আসছে। প্রাণীকোষের নিউক্লিয়াসে অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজম মাতা ও বাকি অর্ধেক পিতা থেকে আসে। কিন্তু মাইটোকন্ড্রিয়ার ডিএনএ বংশগতির একটা ভিন্ন নিয়ম মেনে চলে। ডিম্বাণুর সাথে নিষেকের সময় শুক্রাণুর মাইটোকন্ড্রিয়া নিষিক্ত ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে না। এ কারণে প্রায় সকল মানুষই তাদের মায়ের ডিম্বাণু থেকে তাদের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffba67%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-117.2%20524.8%20152.9)%20scale(269.08301%20253.76208)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3e1e6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-112.14697%20167.52315%20-381.90462%20-255.66286%201194.1%2085.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dceaef%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-119.3256%20-151.60524%20650.65951%20-512.12175%2042.8%2056.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233c474d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-605.91942%20523.38216%20-85.95563%20-99.51082%20182%20465)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গোল্ডিলকস জোন
ধরা যাক, আপনি ও আপনার বন্ধুরা মিলে ঠিক করলেন মহাকাশে নতুন বাসযোগ্য কোনো গ্রহ আবিষ্কার করবেন। খুবই ভালো কথা। কিন্তু এর আগে আপনাকে জানতে হবে যে, ‘বাসযোগ্য’ গ্রহ বলতে আসলে কী বোঝায়! শুধু তাই নয়, বাসযোগ্য হবার জন্য কী কী দরকার, এগুলোর বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ থেকে শুরু করে সব কিছু। বাসযোগ্য গ্রহের কথা মাথায় আসতেই সর্বপ্রথম আমরা চিন্তা করি, সেখানে পানির অস্তিত্ব আছে কি না। কারণ পানির অস্তিত্ব থাকলেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে, তাই না? চলুন আরও সহজে বুঝি। আমরা সবাই জানি, সকল জীব ডিএনএ/আরএনএ -ভিত্তিক। প্রাণের সৃষ্টি ও বিকাশের জন্য সর্বপ্রথম যে জিনিসটি দরকার তা…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233bd3ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.78629%20-54.90288%2038.73733%20-11.13819%2032.8%20126.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b34600%22%20cx%3D%22195%22%20cy%3D%2228%22%20rx%3D%2274%22%20ry%3D%2274%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002281%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-86.8%2030%2010.9)%20scale(53.88031%2057.20092)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c37077%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-63.54812%20-51.28418%2019.3566%20-23.98549%20183%20107)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ঘুরে আসি সিঙ্গুলারিটি
চলুন এক দুই মিনিটের জন্য আমরা স্থানকালের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করি। কল্পনা করুন আমরা মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছি, নক্ষত্র দেখছি, গ্যালাক্সিকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি। ঠিক এমন সময় হঠাৎ কোনো এক অদৃশ্য শক্তি আমাদের টেনে নিতে লাগলো। আমরা শক্তির উৎসের যতো কাছাকাছি যাচ্ছি ততই আমাদের গতি বেড়ে যাচ্ছে। একসময় আমরা এতো দ্রুত চলতে লাগলাম যে সময়ের গতিও আমাদের কাছে ধীর হয়ে যেতে লাগলো। আমরা ভীষণ ভারি হয়ে পড়ছি, তবুও কোনো কিছুই আমাদের ঠেকাতে পারছে না, আমরা ছুটে চলছি কৃষ্ণগহ্বরের দিকে ৷ আরও চলতে থাকলে আমরা দেখতো পাবো একটা কালো কেন্দ্রের চারদিকে উজ্জ্বল আলোর ধারা ঘুরছে। এটা হলো ঘটনা…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(4.03125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%233e3e5f%22%20d%3D%22M157.2%20116.2l-39.3%2070.9-125-69.3L32%2046.9z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffb277%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(6.48659%2034.65697%20-58.11214%2010.87659%2011.4%207.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239ba669%22%20cx%3D%22221%22%20cy%3D%2226%22%20rx%3D%2291%22%20ry%3D%2238%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b3e0b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(14.81121%20-28.61027%2058.59235%2030.3326%20208.8%20110)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যোগনাথের ভূগোল অভিধান: কেমন অভিধান চাই
বিজ্ঞান পড়তে যান, কি সাহিত্য—ভূগোলের বিষয়আশয় সবখানেই বিস্তৃত। উপযুক্ত বইপত্র পেয়েছিলেন (আর ঘেঁটেছিলেন) বলেই বিভূতিভূষণ আফ্রিকা মহাদেশে পা না রেখেই চাঁদের পাহাড় লিখতে পেরেছিলেন। সে চাহিদা থেকেই ভূগোল অভিধানের খোঁজ করতে থাকি; ইংরেজিতে তো আছেই, বাংলায় কী সংস্থান বা রিসোর্স আছে, তার খোঁজ করি। পেয়ে যাই দে’জ পাবলিশিং-এর ভূগোল অভিধান। সংকলন করেছেন যোগনাথ মুখোপাধ্যায়। আচ্ছা, দে’জের কর্ণধার কি বাঙাল? দে’জের প্রয়াসে, বইগুলোর মধ্যে দেখি বাংলাদেশি পাঠকদের মাথায় রেখে নির্মাণ করার প্রবণতা। এই যেমন এ বইটাই। বাংলাদেশের জেলাগুলোও ভুক্তির (এন্ট্রি) মধ্যে এসেছে। বেশ আরাম লাগে কোশগ্রন্থটা ব্যবহার করে তাই। অবশ্য এ-ই তো হওয়ার কথা: টার্গেট পাঠকগোষ্ঠীর সবাইকে…

অপবিজ্ঞানের ব্যবচ্ছেদ-অপবিজ্ঞানের উৎস সন্ধান, (পর্ব-১)
চলুন আজকে সিউডোসায়েন্স প্রচার করা কিছু বইয়ের সাথে আপনাদের পরিচয় করাই, যেগুলিতে বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে প্রচলিত অনেক অপবিজ্ঞানের উৎস রয়েছে৷ অপবিজ্ঞানের উৎস সন্ধান করতে এ প্রবন্ধে আমরা বেছে নিয়েছি কিছু বইকে। আলোচনার শুরুতেই বলে রাখি যে, এ প্রবন্ধে আমরা অপবিজ্ঞানের বইগুলিকে কেবলমাত্র রিভিউ করবো। অপবিজ্ঞানের খন্ডন না থাকলেও কিছু অংশের খন্ডন অন্য উৎস থেকে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। একই সিরিজের পরবর্তী অংশে ধারাবাহিকভাবে আমরা এ বইগুলির মূল আলোচ্য বিষয়, এবং অপবৈজ্ঞানিক দাবিগুলিকে খন্ডন করবো এক এক করে—বিস্তারিত পরিসরে।পূর্বে পরিষ্কার করা যাক, অপবিজ্ঞান বা আসলে কি?অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি(দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৯৮৯) সিউডোসায়েন্সকে সংজ্ঞায়িত করেছে এভাবে যে, “A pretended…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231b1b1b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-44.21446%2010.12062%20-53.08657%20-231.92204%208.5%2075.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b9b9b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-134.51499%202.89072%20-.91327%20-42.49756%20221.2%2069.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23222%22%20cx%3D%2260%22%20cy%3D%225%22%20rx%3D%2284%22%20ry%3D%2217%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23676767%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.62723%20-21.4368%2038.74005%20-22.81964%2071%2046.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পুরুষের হিংস্র আচরণ নিয়ন্ত্রণে নারীর অশ্রুর কার্যকারিতা
যারা কাঁদতে পারে, তাদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ও সাহসী বলে বিবেচনা করা হয়। কান্না করার সময় চোখের পানির সাথে নির্গত হয় অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন। এই দুই হরমোন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক ব্যথা উপশম করে। একইসাথে চোখের পানি মানুষের মধ্যে সহানুভূতি জাগায়। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণায় দেখিয়েছেন, চোখের অশ্রুর আরও অনেক কার্যকরী প্রভাব রয়েছে। যেমন নারীর অশ্রুতে থাকা হরমোন পুরুষের আগ্রাসী আচরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞানীরা পুরুষের হিংস্র আচরণ এবং মস্তিষ্কের কার্যকলাপ পরখ করে দেখেছেন। গত সপ্তাহে প্লস বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত হওয়া একটি গবেষণাপত্রে গবেষকরা দেখিয়েছেন, নারীর চোখের পানির গন্ধে পুরুষের আগ্রাসী আচরণ চল্লিশ…
%22%20transform%3D%22matrix(8%200%200%208%204%204)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.9957%2056.9151%20-89.41038%2012.56078%20197.2%20119)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300141c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(64.81545%2054.15872%20-163.50674%20195.6797%2019%2056.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-6.4%201177.7%20-1985.2)%20scale(102.76001%2031.15434)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23005ead%22%20cx%3D%2253%22%20cy%3D%221%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2248%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কীভাবে গ্রহাণু শনাক্ত করলেন ক্যাম-সাস্টের তরুণ গবেষকেরা
সূর্যের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছোট ছোট কিছু পাথর। এদের ডাকা হয় গ্রহাণু বলে। ছ শ মাইল থেকে শুরু করে ধূলিকণার সাইজের গ্রহাণুও আছে। সাধারণত এদের খুঁজে পাওয়া যায় মঙ্গল আর বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মাঝে এষ্টেরয়েড বেল্টে। তবে বৃহস্পতি গ্রহের দুই পাশেও আছে কিছু গ্রহাণু। এদের প্রধান গ্রহাণু বলে। কোত্থেকে আসল এসব গ্রহাণু? ধারণা করা হয়, অনেক আগের কোনো বিরাট আকারের গ্রহের ধ্বংসাবশেষ হচ্ছে এসব গ্রহাণু। কখনো কখনো অভিকর্ষের টানে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে এগুলো। আর তখনই কেবল বিজ্ঞানীদের দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ধরা দেয় এসব গ্রহাণু। সম্প্রতি নাসার পাঠানো কিছু ছবি বিশ্লেষণ করে প্রলিমিনারি গ্রহাণু শনাক্ত…







