
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b7e05%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-167.1%20303.2%20322.7)%20scale(304.92367%20237.43834)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2328272c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-115.4928%2047.45353%20-85.5883%20-208.30551%2069.7%20595)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2367666f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M777.5-77.5l580%20665-1435-245z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23282630%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-509.53239%20-262.34664%2070.6449%20-137.20727%201202.6%2041.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিচের ছবিটি দেখুন। প্রথমেই মনে হতে পারে একটি বাচ্চা ময়ূর তার মায়ের সাথে বসে আছে। কিন্তু এখানে ২টি মজার বিষয় আছে। প্রথমত এটি আসলে মা ময়ূর না, বরং বাবা ময়ূর। দ্বিতীয়ত যাকে আপনি বাচ্চা ময়ূর ভেবেছেন, সে’ই আসলে ময়ূরী। হ্যাঁ, সঠিক শুনেছেন। আমরা ময়ূর এবং ময়ূরীদের চিনতে প্রায়ই ভুল করে ফেলি। পুরুষ ময়ূরদের শরীরেই এধরনের চোখধাঁধানো রং বেরং এর পেখম থাকে। আর নারী ময়ূর দেখতে খুবই সাধারণ পুরুষ ময়ূরের তুলনায়। এদের শরীরে এই ধরনের আকর্ষণীয়,লম্বা কোন পেখম নেই, আবার পালকের রংও অনেকটা কালচে বা ধুসর প্রকৃতির। ময়ূর ও ময়ূরী পাশাপাশি থাকলে মনে হয়, যেন তাদের মধ্যে…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23141414%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(16.20743%2022.89058%20-51.73316%2036.62912%20234.1%20139.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bababa%22%20cx%3D%2297%22%20cy%3D%22154%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%2273%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c8c8c8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(6.68204%20-36.64441%2060.84227%2011.09447%20210.2%200)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%234a4a4a%22%20d%3D%22M-52.7%20128.1l98-169.7%2061.4%2035.5-98%20169.7z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কোটার্ড সিনড্রোম: নিজেকে মৃত ভাবার অদ্ভুতুড়ে অসুখ
হেড অফিসের এক বড়বাবুর কথা কবিতার ছন্দ-সুরে আমাদের জানিয়ে গেছেন কবি সুকুমার রায়। একনাগাড়ে চেয়ারে বসে থাকতে থাকতে যার কিনা সহসাই মনে হয়েছিল, তার গোঁফজোড়া চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু জানেন কি, এই ধরণীতে এমন কিছু সত্যিকার মানুষেরও দেখা মেলে, যারা কি-না বেখেয়ালি মনে যোগ দিয়েছেন এই কল্পিত বড়বাবুরই দলে? কেবল গোঁফ-দাড়ি নয়, হাত-পা, পেট-মাথার মতো এক বা একাধিক অঙ্গকেই মাঝে মাঝে খুঁজে পান না তারা। কখনো কখনো প্রাণভোমরাও হারিয়ে ফেলেছেন বলে মনে হয় তাদের। কিন্তু কেন? আসুন, জেনে আসা যাক। উৎপত্তি ১৭৮৮ সাল। যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য এক হাসপাতালের মানবিক চিকিৎসক ডা. চার্লস বনেটের চেম্বারে উপস্থিত হয়েছেন একজন অশীতিপর…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23383838%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-154.73082%201.6204%20-.59418%20-56.73798%20597.7%20359.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23323232%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M513.5%20309.3l103.6-38.8%2023.5%203.6%2033%2025z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23242424%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M429%20358.6h342V382H429z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23222%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M601%20263.6l-95.6%2091.7L633%20417.2l138.4-30.3z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এডোবির ইতিহাস: গ্রাফিক্সের ভুবন রাঙানো গল্প
সেপ্টেম্বর ২০১৯। বেইলি রোড, ঢাকা। মিসেস শিউলীদের এই বাসাটা অনেক পুরোনো। কতশত স্মৃতি জমে আছে এর আনাচেকানাচে, তার ইয়ত্তা নেই। ঘরের এককোণে এখনো সটান দাঁড়িয়ে রয়েছে তাদের প্রথম কেনা আলমিরাটা, এর জরাজীর্ণ ভাঙা তক্তপোশে তাদের নব্বইয়ের দশকের বিয়ের অ্যালবামটাও পড়ে আছে অযত্নে। আলতো ছোঁয়ায় এটাকে সেখান থেকে তুলে আনলেন তিনি। হাত বুলাতেই দেখলেন, ছবিগুলোতে কেমন যেন মরচে পড়েছে৷ বিবর্ণ হয়ে গেছে এখানে-ওখানে। কালচে-মলিন হয়ে যাওয়া ছবিগুলোর স্পর্শে একধরনের নীলাভ মায়া অনুভব করলেন তিনি। ব্যস, একদিন স্নিগ্ধ বিকেলে সবগুলোকে বগলদাবা করে পৌঁছে গেলেন বাসার পাশের স্বপ্নপুরী ফটো এডিটিংয়ের দোকানে। সেখানে পৌঁছেই দোকানিকে বুঝিয়ে বললেন সবকিছু। কিছুক্ষণের অপেক্ষা। দোকানির হাতের ছোঁয়া আর ফটোশপের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2350514e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-114.8%20566.2%20-64.4)%20scale(514.68504%20207.34128)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231a1a1a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(414.11522%20-66.33051%20175.81493%201097.6493%20171.6%20417)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23555%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M286.7%20235.8l352.6%2081.4-32.4%20140.2L254.4%20376z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23131313%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(105.13916%20-57.80074%20124.20308%20225.92457%201031.5%2090.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মোশন সিকনেস: কারণ ও নিরাময়
মোশন সিকনেস (Motion Sickness) বা গতি-অসুস্থতা আমাদের পরিচিত কিছু মানুষদের-ই দারুণ ভীতির কারণ। ভীতি কেন বলছি? কারণ এই একটি সমস্যার জন্যই আমাদের অনেক প্রিয় বন্ধুরা আমাদের সাথে দূরদূরান্তে ট্যুর তথা ভ্রমণে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। করবে-ই বা কেন? দূরে যেতে হলে তো দরকার গাড়ির। আর এই ‘গাড়ি’-ই তো সব সমস্যার গোড়া। তাই নয় কি? গাড়িতে ওঠে চলা শুরুর পর থেকে শরীরে এক বিচ্ছিরি অনুভূতি হওয়া এবং পরিশেষে জাফর ইকবাল স্যারের ভাষায় “গা গুলিয়ে হরহর করে বমি করে দেওয়া”র মাধ্যমে এই অসুস্থতার শেষ হওয়াই মোশন সিকনেস। মোশন সিকনেস কতোটা বাজে হতে পারে তা কেবল একজন ভ্রমণপিয়াসী-ই…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23395166%22%20cx%3D%2238%22%20cy%3D%2260%22%20rx%3D%2239%22%20ry%3D%2239%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23d0e5f8%22%20d%3D%22M-16%20140l187%2019-60-94z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d17934%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-63.10106%2013.79242%20-15.16623%20-69.38632%20194.3%2078.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bed0dd%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(86.37205%207.55658%20-2.12253%2024.26058%2071.4%202)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যেভাবে কালাজ্বর শনাক্তের আধুনিক পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের একটি উপেক্ষিত প্রাণঘাতী রোগ হল কালাজ্বর বা ভিসেরাল লেশম্যানিয়াসিস (Visceral Leishmaniasis)। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে এই রোগের প্রকোপ আছে। বাংলাদেশে বিশেষ করে ময়মনসিংহ বেল্টে এর প্রাদুর্ভাব বেশি। দেশের ৪৫টি জেলা কালাজ্বরের এন্ডেমিক পর্যায়ে আছে (এন্ডেমিক বলতে নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমিত সংক্রমণ বোঝায়)। গবেষণা বলছে, আমাদের দেশের দুই কোটি মানুষ কালাজ্বরে আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে আছেন। এটি গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের রোগ। নানা কারনেই রোগটি অবহেলিত। তাই কালাজ্বর অবহেলিত ক্রান্তীয় রোগ (নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ বা NTD) নামেও পরিচিত। সুচিকিৎসা না হলে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। কালাজ্বরে আক্রান্ত হবার কারণ- লেইশম্যানিয়া ডোনোভানি (Leishmania donovani) এবং লেইশম্যানিয়া ইনফ্যান্টাম…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233a2500%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.84123%20-24.64541%2051.42482%20-1.7553%20226.7%201.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f9dcb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-13.79167%2028.1523%20-106.8117%20-52.32651%2074.2%2035.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236a247f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-84%2073.7%2062.3)%20scale(30.46309%2023.16489)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2364a3d1%22%20cx%3D%22241%22%20cy%3D%22136%22%20rx%3D%2258%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শুক্রাণুর মাইটোকন্ড্রিয়া কি ডিএনএ বিহীন?
প্রায় প্রতিটি মানবকোষই মাইটোকন্ড্রিয়া দ্বারা চালিত হয়। শিম-আকৃতির এই অঙ্গাণু অক্সিজেন ব্যবহার করে দেহের ব্যবহার উপযোগী শক্তি সংশ্লেষণ করে। কোটি কোটি বছর আগে একটা প্রাচীন আর্কিওব্যাক্টেরিয়া একটা ব্যাকটেরিয়াকে গিলে ফেলে। এই ব্যাকটেরিয়াই পরবর্তীতে মাইটোকন্ড্রিয়া হিসেবে বিবর্তিত হয়। আর এভাবেই উদ্ভব ঘটে সুকেন্দ্রিক কোষের। তখন থেকেই মাইটোকন্ড্রিয়া তার পূর্বসূরী অণুজীবের মতো ডিএনএ বহন করে আসছে। প্রাণীকোষের নিউক্লিয়াসে অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজম মাতা ও বাকি অর্ধেক পিতা থেকে আসে। কিন্তু মাইটোকন্ড্রিয়ার ডিএনএ বংশগতির একটা ভিন্ন নিয়ম মেনে চলে। ডিম্বাণুর সাথে নিষেকের সময় শুক্রাণুর মাইটোকন্ড্রিয়া নিষিক্ত ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে না। এ কারণে প্রায় সকল মানুষই তাদের মায়ের ডিম্বাণু থেকে তাদের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffba67%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-117.2%20524.8%20152.9)%20scale(269.08301%20253.76208)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3e1e6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-112.14697%20167.52315%20-381.90462%20-255.66286%201194.1%2085.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dceaef%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-119.3256%20-151.60524%20650.65951%20-512.12175%2042.8%2056.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233c474d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-605.91942%20523.38216%20-85.95563%20-99.51082%20182%20465)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গোল্ডিলকস জোন
ধরা যাক, আপনি ও আপনার বন্ধুরা মিলে ঠিক করলেন মহাকাশে নতুন বাসযোগ্য কোনো গ্রহ আবিষ্কার করবেন। খুবই ভালো কথা। কিন্তু এর আগে আপনাকে জানতে হবে যে, ‘বাসযোগ্য’ গ্রহ বলতে আসলে কী বোঝায়! শুধু তাই নয়, বাসযোগ্য হবার জন্য কী কী দরকার, এগুলোর বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ থেকে শুরু করে সব কিছু। বাসযোগ্য গ্রহের কথা মাথায় আসতেই সর্বপ্রথম আমরা চিন্তা করি, সেখানে পানির অস্তিত্ব আছে কি না। কারণ পানির অস্তিত্ব থাকলেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে, তাই না? চলুন আরও সহজে বুঝি। আমরা সবাই জানি, সকল জীব ডিএনএ/আরএনএ -ভিত্তিক। প্রাণের সৃষ্টি ও বিকাশের জন্য সর্বপ্রথম যে জিনিসটি দরকার তা…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233bd3ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.78629%20-54.90288%2038.73733%20-11.13819%2032.8%20126.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b34600%22%20cx%3D%22195%22%20cy%3D%2228%22%20rx%3D%2274%22%20ry%3D%2274%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002281%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-86.8%2030%2010.9)%20scale(53.88031%2057.20092)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c37077%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-63.54812%20-51.28418%2019.3566%20-23.98549%20183%20107)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ঘুরে আসি সিঙ্গুলারিটি
চলুন এক দুই মিনিটের জন্য আমরা স্থানকালের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করি। কল্পনা করুন আমরা মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছি, নক্ষত্র দেখছি, গ্যালাক্সিকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি। ঠিক এমন সময় হঠাৎ কোনো এক অদৃশ্য শক্তি আমাদের টেনে নিতে লাগলো। আমরা শক্তির উৎসের যতো কাছাকাছি যাচ্ছি ততই আমাদের গতি বেড়ে যাচ্ছে। একসময় আমরা এতো দ্রুত চলতে লাগলাম যে সময়ের গতিও আমাদের কাছে ধীর হয়ে যেতে লাগলো। আমরা ভীষণ ভারি হয়ে পড়ছি, তবুও কোনো কিছুই আমাদের ঠেকাতে পারছে না, আমরা ছুটে চলছি কৃষ্ণগহ্বরের দিকে ৷ আরও চলতে থাকলে আমরা দেখতো পাবো একটা কালো কেন্দ্রের চারদিকে উজ্জ্বল আলোর ধারা ঘুরছে। এটা হলো ঘটনা…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(4.03125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%233e3e5f%22%20d%3D%22M157.2%20116.2l-39.3%2070.9-125-69.3L32%2046.9z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffb277%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(6.48659%2034.65697%20-58.11214%2010.87659%2011.4%207.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239ba669%22%20cx%3D%22221%22%20cy%3D%2226%22%20rx%3D%2291%22%20ry%3D%2238%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b3e0b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(14.81121%20-28.61027%2058.59235%2030.3326%20208.8%20110)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যোগনাথের ভূগোল অভিধান: কেমন অভিধান চাই
বিজ্ঞান পড়তে যান, কি সাহিত্য—ভূগোলের বিষয়আশয় সবখানেই বিস্তৃত। উপযুক্ত বইপত্র পেয়েছিলেন (আর ঘেঁটেছিলেন) বলেই বিভূতিভূষণ আফ্রিকা মহাদেশে পা না রেখেই চাঁদের পাহাড় লিখতে পেরেছিলেন। সে চাহিদা থেকেই ভূগোল অভিধানের খোঁজ করতে থাকি; ইংরেজিতে তো আছেই, বাংলায় কী সংস্থান বা রিসোর্স আছে, তার খোঁজ করি। পেয়ে যাই দে’জ পাবলিশিং-এর ভূগোল অভিধান। সংকলন করেছেন যোগনাথ মুখোপাধ্যায়। আচ্ছা, দে’জের কর্ণধার কি বাঙাল? দে’জের প্রয়াসে, বইগুলোর মধ্যে দেখি বাংলাদেশি পাঠকদের মাথায় রেখে নির্মাণ করার প্রবণতা। এই যেমন এ বইটাই। বাংলাদেশের জেলাগুলোও ভুক্তির (এন্ট্রি) মধ্যে এসেছে। বেশ আরাম লাগে কোশগ্রন্থটা ব্যবহার করে তাই। অবশ্য এ-ই তো হওয়ার কথা: টার্গেট পাঠকগোষ্ঠীর সবাইকে…







