

চলুন আজকে সিউডোসায়েন্স প্রচার করা কিছু বইয়ের সাথে আপনাদের পরিচয় করাই, যেগুলিতে বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে প্রচলিত অনেক অপবিজ্ঞানের উৎস রয়েছে৷ অপবিজ্ঞানের উৎস সন্ধান করতে এ প্রবন্ধে আমরা বেছে নিয়েছি কিছু বইকে। আলোচনার শুরুতেই বলে রাখি যে, এ প্রবন্ধে আমরা অপবিজ্ঞানের বইগুলিকে কেবলমাত্র রিভিউ করবো। অপবিজ্ঞানের খন্ডন না থাকলেও কিছু অংশের খন্ডন অন্য উৎস থেকে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। একই সিরিজের পরবর্তী অংশে ধারাবাহিকভাবে আমরা এ বইগুলির মূল আলোচ্য বিষয়, এবং অপবৈজ্ঞানিক দাবিগুলিকে খন্ডন করবো এক এক করে—বিস্তারিত পরিসরে।পূর্বে পরিষ্কার করা যাক, অপবিজ্ঞান বা আসলে কি?অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি(দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৯৮৯) সিউডোসায়েন্সকে সংজ্ঞায়িত করেছে এভাবে যে, “A pretended…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231b1b1b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-44.21446%2010.12062%20-53.08657%20-231.92204%208.5%2075.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b9b9b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-134.51499%202.89072%20-.91327%20-42.49756%20221.2%2069.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23222%22%20cx%3D%2260%22%20cy%3D%225%22%20rx%3D%2284%22%20ry%3D%2217%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23676767%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.62723%20-21.4368%2038.74005%20-22.81964%2071%2046.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পুরুষের হিংস্র আচরণ নিয়ন্ত্রণে নারীর অশ্রুর কার্যকারিতা
যারা কাঁদতে পারে, তাদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ও সাহসী বলে বিবেচনা করা হয়। কান্না করার সময় চোখের পানির সাথে নির্গত হয় অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন। এই দুই হরমোন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক ব্যথা উপশম করে। একইসাথে চোখের পানি মানুষের মধ্যে সহানুভূতি জাগায়। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণায় দেখিয়েছেন, চোখের অশ্রুর আরও অনেক কার্যকরী প্রভাব রয়েছে। যেমন নারীর অশ্রুতে থাকা হরমোন পুরুষের আগ্রাসী আচরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞানীরা পুরুষের হিংস্র আচরণ এবং মস্তিষ্কের কার্যকলাপ পরখ করে দেখেছেন। গত সপ্তাহে প্লস বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত হওয়া একটি গবেষণাপত্রে গবেষকরা দেখিয়েছেন, নারীর চোখের পানির গন্ধে পুরুষের আগ্রাসী আচরণ চল্লিশ…
%22%20transform%3D%22matrix(8%200%200%208%204%204)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.9957%2056.9151%20-89.41038%2012.56078%20197.2%20119)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300141c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(64.81545%2054.15872%20-163.50674%20195.6797%2019%2056.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-6.4%201177.7%20-1985.2)%20scale(102.76001%2031.15434)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23005ead%22%20cx%3D%2253%22%20cy%3D%221%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2248%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কীভাবে গ্রহাণু শনাক্ত করলেন ক্যাম-সাস্টের তরুণ গবেষকেরা
সূর্যের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছোট ছোট কিছু পাথর। এদের ডাকা হয় গ্রহাণু বলে। ছ শ মাইল থেকে শুরু করে ধূলিকণার সাইজের গ্রহাণুও আছে। সাধারণত এদের খুঁজে পাওয়া যায় মঙ্গল আর বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মাঝে এষ্টেরয়েড বেল্টে। তবে বৃহস্পতি গ্রহের দুই পাশেও আছে কিছু গ্রহাণু। এদের প্রধান গ্রহাণু বলে। কোত্থেকে আসল এসব গ্রহাণু? ধারণা করা হয়, অনেক আগের কোনো বিরাট আকারের গ্রহের ধ্বংসাবশেষ হচ্ছে এসব গ্রহাণু। কখনো কখনো অভিকর্ষের টানে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে এগুলো। আর তখনই কেবল বিজ্ঞানীদের দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ধরা দেয় এসব গ্রহাণু। সম্প্রতি নাসার পাঠানো কিছু ছবি বিশ্লেষণ করে প্রলিমিনারি গ্রহাণু শনাক্ত…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c5ecbd%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-14.4%20329.7%20-1771.6)%20scale(403.12272%20171.83299)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238b8560%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-88.1%20845.3%20-240.6)%20scale(185.04855%20337.4073)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23008eb4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-171.2%20128.8%20260.5)%20scale(455.68925%20242.35143)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230092b7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(75.71687%20186.29319%20-397.1116%20161.40176%201207.4%20145.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
খোঁজ মিলল সাগর দানব প্লিওসরের ফসিলের
২০২২ সালের বসন্তের একটি দিন। শিল্পী ও জীবাশ্ম শিকারী ফিলিপ জ্যাকবস দক্ষিণ ইংল্যান্ডের জুরাসিক উপকূল ধরে হাঁটছিলেন। এমন সময় তিনি এক কোণে কোনো এক অজানা প্রাণীর একটি স্নোট (প্রাণীদের প্রসারিত নাক বা মুখ) পড়ে থাকতে দেখেন। এটি প্রায় দুই ফুট (২৪ ইঞ্চি) লম্বা ছিল। আপনি কি বুঝতে পারছেন এটা কতটা লম্বা? মানুষের স্নোটের সাইজ বড়জোর দুই থেকে আড়াই ইঞ্চি হয়। যাই হোক, জ্যাকবসের খুঁজে পাওয়া স্নোটটিতে ছিল শ খানেকর বেশি ধারালো দাঁত। পরবর্তীতে একদল নাবিক খেয়াল করলেন, স্নোটটি সৈকতের ধারে একটা উঁচু বাঁধ থেকে পড়েছে। খুলির বাকি অংশটা পড়েছিল বাঁধের উপরেই। জীবাশ্মটির দৈর্ঘ্য ছ ফুটেরও বেশি…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f8c1b9%22%20cx%3D%22243%22%20cy%3D%2281%22%20rx%3D%2295%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2367716e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-72.9%20101.2%2022)%20scale(132.25806%2055.96962)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cf8035%22%20cx%3D%22173%22%20cy%3D%2270%22%20rx%3D%2253%22%20ry%3D%2228%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0872d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-133.8%2056%20-16.7)%20scale(51.26835%2028.60624)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শরীরে কেন চর্বি জমে?
কুমি একজন হাইস্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী। তবে ইদানিং সে তার শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় ভুগছে। এই কারণেই সে খাওয়া-দাওয়া একদম ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ভুল সিদ্ধান্ত থেকে বার করে আনতে তাকে প্রাণরসায়ন পড়বার পরামর্শ দিয়েছে তারই বন্ধু নেমেটো। কুমি নেমেটোর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুরুসাকার কাছে প্রাণরসায়ন শিখছে। এরই মধ্যে একদিন প্রফেসর কুরুসাকা তাকে বাড়ির কাজ হিসেবে চারটা রহস্য সমাধান করতে দিয়েছে। তার মধ্যে একটা প্রশ্ন হচ্ছে, শরীরে কেন চর্বি জমে? কুমি এবং তার বন্ধু নেমেটো একসাথে গ্রুপ স্টাডিতে বসেছে এই রহস্য সমাধান করার জন্যে। কুমি- পরের রহস্যটা হলো আমি যা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি! বেশি…

কম্পিউটার থেকে অসুখ বিসুখ: দেবাঞ্জন সেনগুপ্ত
একদম ফাঁকিবাজি নেই, এমন একটা স্বাস্থ্যবিষয়ক (বা বলা যেতে পারে জনপ্রিয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের) বই পড়লাম। শেষ জনপ্রিয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোনটা পড়েছি? আম্মুর রোগের কথা মনে রেখে স্ত্রীরোগ-বিশেষজ্ঞ অরুণকুমার মিত্রের কন্যা জায়া ও জননী কেনা ও আংশিক পড়া। সংহত গদ্য, তবে রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গি। অনেক কিছুই এসেছে বইটিতে, তবে আম্মুর রোগটার বিস্তারিত বিবরণ পাই নি। বইটির নতুন জীবন (পড়ুন সংস্করণ) কামনা করি। ডা. দেবাঞ্জন সেনগুপ্তের কম্পিউটার থেকে অসুখ বিসুখ (২০০৪) বইটির গদ্যও সংহত, তবে রক্ষণশীল নয়। তবে এ বইটিরও নতুন সংস্করণ দরকার হয়ে পড়েছে। চিকিৎসক-সাহিত্যিক দেবাঞ্জন বেশ খেটেখুটে বইটি লিখেছেন। চোখ, হাত, শিরদাঁড়া, বিকিরণ, সংক্রমণ, মন, এবং অন্যান্য, ব্যায়াম, আসবাব,…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f5f5f%22%20cx%3D%22237%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%22140%22%20ry%3D%2241%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22234%22%20cy%3D%22154%22%20rx%3D%2232%22%20ry%3D%2215%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(25.67848%205.81481%20-4.12123%2018.19955%209.5%20154.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237a7a7a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.1637%20-16.01177%2026.37982%206.85981%20246.4%2076.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহাকাশ থেকে কেন রেডিও সিগন্যাল আসে?
কিছুদিন আগে “ভিনগ্রহ থেকে আসছে রেডিও সিগন্যাল, চিন্তায় বিজ্ঞানীরা” শিরোনামে একটি খবর ছাপা হয়। খবরের শিরোনামটি বিভ্রান্তিকর। মহাকাশ থেকে হরহামেশাই রেডিও সিগন্যাল আসতেই থাকে। এতে অবাক হওয়ারও কিছু না
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23571d31%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-104.52724%20-166.51368%2025.93852%20-16.28264%2031.5%20113.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e29db5%22%20cx%3D%22100%22%20cy%3D%227%22%20rx%3D%2260%22%20ry%3D%2266%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e49fb7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(85.37236%202.23555%20-.66435%2025.37031%20203.1%20108)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e39eb6%22%20cx%3D%22230%22%20cy%3D%2210%22%20rx%3D%2285%22%20ry%3D%2216%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হ্যান্ড ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ : প্রয়োজন সচেতনতা
আপনার বাচ্চাটা কদিন থেকে আর স্কুলে যেতে চাইছে না। শরীরটাও বেশ খারাপ, হাল্কা জ্বর সবসময়ই শরীরে থাকছে। জ্বর তো আসতেই পারে, কিন্তু এক্ষেত্রে জ্বরটা সহজে ছেড়ে যাচ্ছে না। বাচ্চাটা আবার খাওয়া দাওয়াও একেবারে ছেড়ে দিয়েছে। কিছু মুখের ভেতর গেলেই চিৎকার করে কেঁদে উঠে, মুখ জ্বলে গেল বলে। রাতে ওর পাশে বসে মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়াতে গেলে বেশ অদ্ভুত একটি বিষয় আপনার নজরে এল। ওর শরীরে কিছু অদ্ভুত ধরনের র্যাশ দেখা দিয়েছে। সেগুলো আবার অনেকটা জলবসন্তের মত! ভেতরে আবার পানির মত এক ধরনের তরল পদার্থ দেখা যাচ্ছে। বাচ্চার এমন শারীরিক অবস্থায় আপনি খুবই বিচলিত হয়ে পড়েছেন।…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23221b1d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-6.89478%20-123.32211%20539.22721%20-30.14748%201099%20548.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a09a9c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-290.68266%2026.17289%20-5.73535%20-63.6982%201049%20253.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2331aa81%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-31.79961%20-131.44384%20214.27337%20-51.83818%20186.1%2068.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23312c2d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-6.76836%20-90.01625%20511.83472%20-38.48505%20873%2037.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গ্যালিলিও’র চাঁদ দেখা
ধরা যাক, কোনো একরাতে আপনি এককাপ চা হাতে নিয়ে ছাদে গেলেন। সেখানে নিজেরই হাতে বানানো এক যন্ত্র দিয়ে হঠাৎ এমন কিছু দেখতে পেলেন যা আপনার আগে এই পৃথিবীতে কেউ দেখেনি। একটু চিন্তা করুন আপনার মনের অবস্থা। খুশিতে মাথা নষ্ট হওয়ার অবস্থা হবে তখন, তাই না? ৩০ শে নভেম্বর ১৬০৯ সাল। এই দিনে ইতালীয় গণিতবিদ গ্যালিলিও গ্যালিলি ঠিক এমনই কিছু লক্ষ্য করেন যা তাঁর আগে কেউ খেয়াল করেননি। সেদিন জ্যোতির্বিজ্ঞান তথা বিজ্ঞানের এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়। সেই দরজা দিয়ে গ্যালিলিও যা দেখেছিলেন তার ধারা আজও বহমান। এখন আমরা বিজ্ঞানের যে বিভিন্ন শাখা দেখতে পাচ্ছি, তা অনেকক্ষেত্রে…







