
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23010101%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M189.4%2064.8l-24%2028.6L189.2%2071l-17.8-19.2z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23010101%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2218%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cpath%20stroke%3D%22%23010101%22%20stroke-opacity%3D%22.5%22%20fill%3D%22none%22%20d%3D%22M233.7%2096Q248%2080.3%20271%2089.3%22%20stroke-width%3D%22.5%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23010101%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M183.1%2040.5l17.4-.7-19.7-17%2019.4%2018.5z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ধুমকেতু নিয়ে মানুষের কৌতুহল ও বিস্ময়বোধ প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরনো। প্রাচীনকালে ধুমকেতু নিয়ে মানুষের ধারণা ছিল পৃথিবীর আকাশে ধুমকেতু দুর্ভিক্ষ, মহামারী যুদ্ধবিগ্রহ ইত্যাদি সাথে করে নিয়ে উদয় হয়। সৌরজগতের এক বিচিত্র বস্তু হল ধুমকেতু। মধ্যযুগ অবধি মানুষ বুঝতেই পারেনি ধুমকেতুর ব্যাপারটি আসলে কি? বর্তমানে আমরা প্রবেশ করেছি ধুমকেতু নিয়ে গবেষণার যুগে। এই লেখায় ধুমকেতু সম্পর্কে বিষদ জানার চেষ্টা করবো। ইংরেজীতে ধুমকেতুকে বলে কমেট (Comet)। এই কথাটা এল কেমন করে? ঝাঁকরা চুলকে গ্রীক ভাষায় বলে “কমেটিজ”। তার সাথে এর রুপের সাদৃশ্য মিলিয়ে নামকরণ করা হয়েছে “কমেট”। বাংলায় একে বলে “ধোঁয়ার নিশান” আবার অনেকে একে “ঝাঁটা তারা”…
%22%20transform%3D%22matrix(7.5%200%200%207.5%203.8%203.8)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f0a821%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(69.8%20-36.2%2047.7)%20scale(85.81193%2064.75189)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000007%22%20cx%3D%22213%22%20cy%3D%2294%22%20rx%3D%2279%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000008%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2273%22%20rx%3D%2287%22%20ry%3D%2287%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f6cf38%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2233%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অতীতের দর্পণ
আলো আমাদের সুন্দর বিশ্বকে দেখতে সাহায্য করে। আলো ছাড়া এ জগৎ সংসার অন্ধকারেই নিমগ্ন রয়ে যেত । যদিও আমরা আলোকে দেখতে পাই না কিন্তু আলো কোন বস্তুতে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে প্রবেশ করলেই তবেই আমরা সেই বস্তুকে দেখতে পাই। আলো ছাড়া আমাদের মূল্যবান ইন্দ্রিয় চোখগুলি ব্যবহারহীন হয়ে পড়ত। তবে আজ আমরা আজ আলোকে একটু অন্যভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করব। কী ব্যবহার? তোমরা জিজ্ঞেস করতেই পারো। আসলে আজ আমরা আলোকে দর্পণ হিসাবে ব্যবহার করবে , বা আরেকটু সঠিকভাবে বলতে , ‘অতীতের দর্পণ’ হিসাবে ব্যবহার করব । মাথা চুলকোবার কোন প্রয়োজন নেই , আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই সব সহজ করে…
%22%20transform%3D%22matrix(6.25%200%200%206.25%203.1%203.1)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23989898%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-55.88738%204.79124%20-6.24385%20-72.8314%20181%20172.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-125.76991%20-53.90505%2022.3583%20-52.16581%20224%2027.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%22171%22%20rx%3D%2284%22%20ry%3D%2225%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a6a6a6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(173.3%2022.8%2055)%20scale(23.29979%2021.8277)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পাগলা গরুর ভুত: ম্যাড কাউ ডিজিজ
বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কোন এক গরুর খামারের তিনটি গরুর (ডাংকি, মংকি এবং চাংকি) মধ্যে কথোপকথন হচ্ছিল- ডাংকিঃ কিরে মংকি উপরে তাকায়ে কি দেখিস?মংকিঃ দেখ, আজকে আকাশে কত তাঁরা উঠছে। কত সুন্দর তাই না?ডাংকিঃ আ্যহ! এই দিনের বেলা তুই তাঁরা পাইলি কই? তোর উপর কি পাগলা গরুর ভুত ভর করলো নাকি!চাংকিঃ ঐ ডাংকি দেখ, ঐখানে একটা গরু নিজের মাথা নিজেই দেয়ালে ঠুকতেছে। আমারও কেমন জানি ওর মতো করতে ইচ্ছা করতেছে।ডাংকিঃ কি জানি ভাই, তোগোর কাহিনি তো আমার কিছুই ভালো লাগতাছে না। আমি শুনছি পাগলা গরু নামের কি এক ভুত নাকি আসছে, সুযোগ পাইলেই নাকি গরুর…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c26b2b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-369.73223%2094.28217%20-125.58116%20-492.4728%20679.7%20524.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e8fdff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-102.6%20814.5%20-415.4)%20scale(1593.75%20261.53894)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ecf7ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-23.95435%20-148.47852%20400.29655%20-64.58068%201374.2%201115)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23839985%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-160.2168%20-63.75801%2098.93024%20-248.6007%201160%20648.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বই পরিচিতি: বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট
(শুরুতেই বলে নেই এই রিভিউটা লেখক আব্দুল গাফফার রনির লেখা এবং প্রথমা প্রকাশন হতে প্রকাশিত “বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট” এর প্রথম সংস্করণের রিভিউ। তাই পরবর্তী কোনো সংস্করণে হয়তো কিছু পরিবর্তন থাকলে রিভিউর কিছুটা অমিল হতে পারে।) উৎসর্গ “বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট” বইটা অনেক আগ্রহ নিয়েই পড়েছিলাম। বইটি পেন্সিল দিয়ে অনেক দাগিয়ে দাগিয়েই পড়েছি, এমনকি বইয়ের পৃষ্ঠা বুকমার্ক করার জন্য একটি বেলিফুল রাখতাম, বইয়ের ভিতর বেলীফুলটা শুকিয়েও ফেলেছি। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর গবেষণা ও অবদান সম্পর্কে লেখা হয়েছে এই বইটিতে। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর একটি উক্তি- “যারা বলে বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা হয়না, তারা হয় বাংলা জানে না, না হয় বিজ্ঞান বুঝে না”, এই…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23565544%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(309.49137%20-.83433%20.30941%20114.7747%20380.8%20180.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-2.9%208464.9%20-12441.9)%20scale(282.42377%2090.96373)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23545600%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(65.09266%20-73.58528%2070.81393%2062.64115%20232.8%20256.8)%22%2F%3E%3Cpath%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M407.8%20526l-15-141.9%20428.7-45%2014.9%20141.8z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মিশন লুসি: ট্রোজান গ্রহাণুতে নাসার যাত্রা
গত ২০২১ সালে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে বৃহস্পতি গ্রহের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে মহাকাশযান লুসি। গন্তব্য সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির কক্ষপথে ঘুরতে থাকা গ্রহাণুর ঝাঁক। লুসি একটি মহাকাশ প্রোব। লুসি সেই গ্রহাণুগুলো পর্যবেক্ষণ করবে। এই অভিযানকে বলা হচ্ছে সৌরজগতের জীবাশ্ম খোঁজার অভিযান। বৃহস্পতির কক্ষপথে ঘুরতে থাকা এইসব গ্রহাণুগুলি ট্রোজান গ্রহাণু নামে পরিচিত। ট্রোজান গ্রহাণুগুলো বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথে ৬০ ডিগ্রি কোণে ঘুরতে থাকে। ট্রোজান গ্রহাণু দু’টি আলাদা দলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, যার একটি দল বৃহস্পতির সামনে, অন্য দল বৃহস্পতির পিছনে থাকে। সূর্য এবং বৃহস্পতি থেকে সমান দূরত্বে অবস্থিত দুটি ল্যাগ্রেঞ্জ বিন্দুর চারপাশে গুচ্ছবদ্ধ করা। সূর্য এবং এর…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235a746b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.17621%20-53.0435%2033.71097%20-7.7384%2084%20131.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f776f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-16.98648%2022.87232%20-43.92999%20-32.62529%20154.4%2031.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e988a8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(43.57724%2030.12544%20-98.4362%20142.39052%2022.9%2045)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e785a6%22%20cx%3D%22232%22%20cy%3D%22116%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%22134%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মাংকিপক্স ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা জানা প্রয়োজন
মাংকিপক্স ভাইরাস কী? মাংকিপক্স হলো অর্থোপক্স গণের অন্তর্ভুক্ত একটি ভাইরাস। এটি মূলত একটি দ্বি-সূত্রক DNA ভাইরাস। এর বাইরের আবরণ লিপিডে মোড়ানো। এটি একটি ‘zoonotic’ ভাইরাস। জুনোটিক মানে ‘অন্য প্রাণী থেকে মানুষে’ বা ‘মানুষ থেকে অন্য প্রাণীতে’ যেতে পারে এমন ভাইরাস , কতকটা আমাদের সবার পরিচিত কোভিড-১৯ এর করোনা ভাইরাসের মতোই। মাংকিপক্স ভাইরাস স্মলপক্স (গুটিবসন্ত) ও চিকেনপক্স (জলবসন্ত) এর ভাইরাস একই গোত্রের অন্তর্ভুক্ত । ১৯৮০-র দশকে স্মলপক্স বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল । কিন্তু বিশ্বজুড়ে বিপুল তৎপরতায় ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমের ফলে ১৯৮০ সালের পর এটি বিশ্বব্যাপী বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। যদিও মাংকিপক্স রয়ে যায়। মাংকিপক্স রয়ে যাওয়ার অন্যতম…
%22%20transform%3D%22translate(2.5%202.5)%20scale(5.07813)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2378819a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(96.3%20-19.4%20106.8)%20scale(53.81669%20168.41565)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002a69%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(194.9714%2020.05382%20-5.53724%2053.83524%2097.9%2035.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23533e24%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-124.5628%2022.86155%20-16.82435%20-91.66866%20108.9%20242.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2386a3ea%22%20cx%3D%2211%22%20cy%3D%22132%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2221%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত ব্যর্থ কিছু মডেল
বিগ ব্যাং তত্ত্ব বা ইংরেজিতে বললে Big Bang theory নামটা হয়তো আমরা সবাই জানি। মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত এবং গ্রহনযোগ্য তত্ত্ব। কিন্তু এটাই কি একমাত্র মডেল যা বিজ্ঞানীরা দিয়েছিলো মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখা করতে? আসলে তা কিন্তু নয় এর আগেও কিছু মডেল ছিলো যা দ্বারা মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া আরও কিছু মডেল দেয়া হয়েছিলো যা দিয়ে বিগব্যাং কে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো মডেলই টেকেনি কারণ মহাবিশ্বে ঘটে চলা ঘটনা বিগব্যাং যেভাবে ব্যাখা দিতে পারে, অন্য মডেলগুলো তা পারেনি। আজ আমরা ব্যর্থ হয়ে যাওয়া কিছু মডেল নিয়ে জানবো। বিগ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23665f61%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(158.81116%20-30.29485%2045.33106%20237.63371%20474.1%20496.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-582.07293%20-543.48233%20142.8417%20-152.98434%20666.1%20157.8)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M442.7%20916.3l-270.8%20280.4-611.2-590.2L-168.5%20326z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238dffdb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.61077%20-234.17453%2087.38997%201.34748%20146.2%20446)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
রক্তদাতা বনাম রক্ত গ্রহীতা
রক্ত আমাদের শরীরের একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এটি এক ধরণের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত ও লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু। মানুষের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা বলে শেষ করা যাবে না। এই যেমন ধরুন আপনার যেকোন একজন আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধু কোন দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে ডাক্তারের কাছে শরণাপন্ন হলেন। ডাক্তার বললেন রোগীকে বাঁচাতে হলে রক্তের প্রয়োজন। রোগীর রক্তের গ্রুপ অমুক। এখন রক্ত নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু রক্তের প্রয়োজন হলেই কি যে কেউ রক্ত দিতে পারে? অবশ্যই না। বরং তার জন্য রক্তের গ্রুপের মিল থাকতে হয়। গ্রহীতার রক্তের গ্রুপের সাথে মিল থাকতে হয় দাতার রক্তের গ্রুপের। কখনো কোনো রোগীর…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.85547)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23427ba9%22%20cx%3D%22124%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%22111%22%20ry%3D%2252%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23063f6a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(251.00284%20-1.31426%20.0917%2017.5121%20124.3%20131.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23053e6a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-69%20114.2%20-150.3)%20scale(23.99547%20162.15386)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23053e69%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(189.03191%20-54.31996%207.46448%2025.97618%2048.5%200)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিজ্ঞান কল্পগল্প: অন্য জগতে ভিন্ন জগতে
এক. রতন মিয়া পত্রিকা অফিসে কাজ করে। তার কাজ ছোটখাট। চা বানানো, সম্পাদক সাহেবের জন্য সিগারেট এনে দেওয়া, পত্রিকা বিলি করা ইত্যাদি। তার বয়স ৫২। ৫২ থেকে ১৬ বাদ দিলে থাকে ৩৬। ১৬ বছর বয়সে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিল সে। যদিও পুরোটা দিতে পারেনি। এরপর গত ৩৬ বছর ধরে সে চাকরি করে আসছে পত্রিকার। এ চাকরিটা অসম্ভব ভাল। দেশ-বিদেশের তরতাজা খবরের সাথে যুক্ত থাকা যায়। এ সৌভাগ্যই বা ক’জনের হয়? সে রাতে পত্রিকা অফিসেই ঘুমায়। মাদুর পেতে শুয়ে পড়ে চুপচাপ। মেসে বা আলাদা বাড়ি ভাড়া করেও থাকতে পারতো। কিন্তু সে শৌখিন নয়। তাই একা মানুষ হওয়ায় তার…







