
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-21.60465%20204.79176%20-937.10431%20-98.86045%20416%20707.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23daa4b6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-442.77412%20-71.71376%2032.72498%20-202.05014%20629.8%20236.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000803%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(142.4865%20-27.58028%2055.44175%20286.42563%2027%20541)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a84365%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.178%20123.80178%20-336.7925%20-3.20463%20437.3%20417)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মারাকাইবো হ্রদ। স্প্যানিশ ভাষায় লাগো দে মারাকাইবো উত্তর-পশ্চিম ভেনেজুয়েলার একটি জলাশয়। প্রায় ৫,১৩০ বর্গ মাইল (১৩,২৮০বর্গ কিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ভেনিজুয়েলা উপসাগর থেকে ১৩০ মাইল (২১০কিঃমিঃ) পর্যন্ত দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত। হ্রদটি ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তাবলাসো প্রণালীর মাধ্যমে ভেনিজুয়েলা উপসাগরের সাথে সংযুক্ত। কাতাতুম্বা, সান্তা-আনা ও চামা নদীগুলি হ্রদটিতে মিষ্টি পানি বয়ে নিয়ে আনে। হ্রদটির উত্তরের অংশের পানি কিছুটা লবনাক্ত। মারাকাইবো লেকটিকে একটি খাড়ি বলা যায়। কারণ এর প্রাপ্ত পানির বেশিরভাগই আটলান্টিক মহাসাগর থেকে জোয়ারের দ্বারা এসে জমা হয়। এই হ্রদে জাহাজ চলাচল করে। হ্রদটির নিচে ও আশেপাশে মারাকাইবো বেসিনে পেট্রোলিয়ামের মজুদ আছে। ফলে এটি ভেনেজুয়েলার একটি গুরুত্বপূর্ণ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f1e285%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(36.43045%20-446.49861%20295.18993%2024.08496%20627%20416)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004e93%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-297.60406%20-152.1828%20578.47733%20-1131.25273%201168.8%20902.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230068a0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-90.35505%20481.15075%20-184.80987%20-34.70535%202.7%20630.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b4c3ac%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(131.10265%20-59.74692%20103.65343%20227.4467%20321.8%201120.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ক্ষুদ্র উল্কার আঘাত
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ বানানোর সিদ্ধান্ত ৩০ বছর আগে ঠিক হয়। প্রায় ২০ বছর ধরে এর নির্মাণ কাজ শেষে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখেপৃথিবী থেকে ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে (L2 Point, Lagrange point) কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে। আমাদের সৌরজগতের অভ্যন্তর থেকে শুরু করে মহাবিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী পর্যবেক্ষণযোগ্য ছায়াপথ, ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন, এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি এবং এর মধ্যবর্তী সবকিছু বিষদ গবেষনা এবং জানার জন্য এই টেলিস্কোপটির নির্মাণ। এ বছর ফেব্রুয়ারির ১১ তারিখে নাসা ওয়েবের তোলা একটি ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিটিতে ২৫৮ আলোকবর্ষ দূরের একটি নক্ষত্রের আলো ওয়েবের ক্যামেরায় ধরা পরেছে। এই…
%22%20transform%3D%22matrix(3.75%200%200%203.75%201.9%201.9)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(5.97583%20103.63966%20-45.67356%202.63352%2089.2%2042)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22223%22%20cy%3D%2258%22%20rx%3D%2239%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-97.6%2031%2035.4)%20scale(158.47817%2027.24491)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23020202%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.058%2051.9115%20-25.3867%201.98452%2088.7%2044.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বইয়ের গল্পঃ এক্সোপ্লানেটের সাতকাহন
মহাকাশ বিজ্ঞান এবং মহাবিশ্ব নিয়ে তেমন কোন বই আমার বাসায় ছিল না। এই আক্ষেপ থেকে এমরান ভাইয়ের এক্সোপ্লানেটের সাতকাহন বইটা সংগ্রহ করা। মজার বিষয় হলো বইটায় মহাজাগতিক আলোচনার সাথে জীববিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ রয়েছে। আমার মতো জীববিজ্ঞানের ভক্তদের জন্য এটা বেশ চমৎকার একটা সারপ্রাইজ! বইয়ের ব্যবচ্ছেদ বইটাতে ১০টা ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্যবহুল প্রবন্ধ রয়েছে। প্রথম প্রবন্ধ সুপারনোভাকে নিয়ে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের এমন কোন পাঠক নেই যে সুপারনোভার কথা শুনে বিস্মিত হবে না । সুপারনোভার সাথে যে কত ঐতিহাসিক ঘটনা জড়িয়ে আছে তা আগে জানতাম না, প্রবন্ধটি পড়ার পরেই জানতে পেরেছিলাম। এই প্রবন্ধটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় আলোচনাগুলো ক্র্যাব নেবুলা,…
%22%20transform%3D%22translate(1.8%201.8)%20scale(3.63281)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ec611d%22%20cx%3D%22179%22%20cy%3D%2254%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2297%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2337001d%22%20cx%3D%2245%22%20cy%3D%2282%22%20rx%3D%2257%22%20ry%3D%22161%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23910020%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-114.2%2041%2044.1)%20scale(30.58803%2053.21263)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a90d58%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-18.46903%209.73762%20-28.2898%20-53.6564%20253.2%2067.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্টিফেনসন: সবচেয়ে বড় তারা
বহু বছর আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সেগান বলেছিলেন যে, পৃথিবীর সমুদ্র সৈকতে বালির দানার চেয়ে মহাবিশ্বে আরও বেশি নক্ষত্র রয়েছে। ঠিক কতগুলি নক্ষত্র আছে তা জানা অসম্ভব। কিন্তু এটি অনুমান করা হয় যে মহাবিশ্বে কমপক্ষে ১ কোয়াড্রিলিয়ন নক্ষত্র রয়েছে (১ এর পরে ১৫টি শূণ্য)। রাতের আকাশে চোখ রাখলে অনেক নক্ষত্রকে মিটমিট করে জ্বলতে দেখা যায়। খালি চোখে সব নক্ষত্রের আকার একই রকম দেখা গেলেও এদের মধ্যে ছোট বড় আছে। দৃশ্যমান মহাবিশ্বের সব থেকে বড় নক্ষত্রের নাম কি? সেই নক্ষত্রটি কতটা বড়? চলুন মহাবিশ্বের বৃহত্তম সেই নক্ষত্রটি সর্ম্পকে কিছু জানার চেষ্টা করি। বৃহত্তম সেই নক্ষত্রটির নাম স্টিফেনসন ২-১৮(st…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233078b9%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(3.2%20-3325%206805.1)%20scale(384.39728%20111.65702)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23170c00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.40014%2081.24626%20-724.09509%20-39.21559%20345.7%20414.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001c00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(239.60597%20-32.396%2011.12934%2082.31436%20104.2%201.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23201a00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(240.28196%2037.15652%20-10.72497%2069.35572%20578.2%201.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিজ্ঞান কল্পগল্প: ছত্রাক মানুষ
নিকষ কালো রাত। আকাশে কোনো তারা নেই। বাতাস বইছে না। পাতলা কুয়াশার চাদর ঝুলছে চারদিকে। আমরা তখন প্রশান্ত মহাসাগরে। আমাদের ছোট মাছধরা জাহাজটি ঠিক কোথায় আছে তার সঠিক অবস্থান জানি না। সাত দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি। এই ছোট জাহাজে আমি ছাড়া আর দুজন নাবিক রয়েছে। তারা ঘুমোচ্ছে। ঘন অন্ধকারের ভেতরে ছপছপ করে এগিয়ে যাচ্ছি। চারপাশে কেউ যেন আলকাতরা গুলে দিয়েছে। সেই অন্ধকারের ভেতরে হঠাৎ একটি ক্ষীণ কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠলাম। কেউ যেন দুর্বল কণ্ঠে বলছে, এই জাহাজ, এই জাহাজ। সমুদ্রে কে এমনভাবে আমাদের ডাকছে? আবার শুনতে পেলাম সেই আকুল ডাক। শরীরটা…
%22%20transform%3D%22translate(1.7%201.7)%20scale(3.4375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dfd3ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-24.4691%20-3.87553%203.06986%20-19.38232%20173.7%20138.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23685da1%22%20cx%3D%22190%22%20rx%3D%2244%22%20ry%3D%2227%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236a5fa3%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(9.30362%20-20.89627%2024.41232%2010.86906%2069.1%2048.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b60a4%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(23.58633%202.93783%20-1.83676%2014.74641%20177.8%2081.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আর নয় বিষন্নতা, আসছে প্রোবায়োটিকস!
আপনার দিনের পুরোটা সময় কি একই ভাবে কাটে? সব সময় আনন্দে? এই হয়ত বন্ধুবান্ধবের সাথে হৈ হুল্লোড় করছেন, পরক্ষণেই আবার ঘরের কোণে মুখ কালো করে বসে রয়েছেন। আপনার এই মন খারাপের কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল এক আশ্চর্য ব্যাপার। একেবারে বিনা কারণেই আপনার মনটা খারাপ। যে কোন কাজে আপনি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। এতে করে আপনি শারীরিক এবং মানষিক উভয় ক্ষেত্রেই নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে আপনি এতটাই মানুষিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন যে জীবনটাকে নিতান্তই অর্থহীন বলে মনে হচ্ছে। এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকবার কোন মানে খুঁজে পাচ্ছেন না। এটাই হল বিষন্নতা, আমাদের এক অতিপ্রাচীন শত্রু।…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23010101%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M189.4%2064.8l-24%2028.6L189.2%2071l-17.8-19.2z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23010101%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2218%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cpath%20stroke%3D%22%23010101%22%20stroke-opacity%3D%22.5%22%20fill%3D%22none%22%20d%3D%22M233.7%2096Q248%2080.3%20271%2089.3%22%20stroke-width%3D%22.5%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23010101%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M183.1%2040.5l17.4-.7-19.7-17%2019.4%2018.5z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ধূমকেতু বা ঝাঁটা তারা: সৌরজগতের আদিম বাসিন্দা
ধুমকেতু নিয়ে মানুষের কৌতুহল ও বিস্ময়বোধ প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরনো। প্রাচীনকালে ধুমকেতু নিয়ে মানুষের ধারণা ছিল পৃথিবীর আকাশে ধুমকেতু দুর্ভিক্ষ, মহামারী যুদ্ধবিগ্রহ ইত্যাদি সাথে করে নিয়ে উদয় হয়। সৌরজগতের এক বিচিত্র বস্তু হল ধুমকেতু। মধ্যযুগ অবধি মানুষ বুঝতেই পারেনি ধুমকেতুর ব্যাপারটি আসলে কি? বর্তমানে আমরা প্রবেশ করেছি ধুমকেতু নিয়ে গবেষণার যুগে। এই লেখায় ধুমকেতু সম্পর্কে বিষদ জানার চেষ্টা করবো। ইংরেজীতে ধুমকেতুকে বলে কমেট (Comet)। এই কথাটা এল কেমন করে? ঝাঁকরা চুলকে গ্রীক ভাষায় বলে “কমেটিজ”। তার সাথে এর রুপের সাদৃশ্য মিলিয়ে নামকরণ করা হয়েছে “কমেট”। বাংলায় একে বলে “ধোঁয়ার নিশান” আবার অনেকে একে “ঝাঁটা তারা”…
%22%20transform%3D%22matrix(7.5%200%200%207.5%203.8%203.8)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f0a821%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(69.8%20-36.2%2047.7)%20scale(85.81193%2064.75189)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000007%22%20cx%3D%22213%22%20cy%3D%2294%22%20rx%3D%2279%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000008%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2273%22%20rx%3D%2287%22%20ry%3D%2287%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f6cf38%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2233%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অতীতের দর্পণ
আলো আমাদের সুন্দর বিশ্বকে দেখতে সাহায্য করে। আলো ছাড়া এ জগৎ সংসার অন্ধকারেই নিমগ্ন রয়ে যেত । যদিও আমরা আলোকে দেখতে পাই না কিন্তু আলো কোন বস্তুতে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে প্রবেশ করলেই তবেই আমরা সেই বস্তুকে দেখতে পাই। আলো ছাড়া আমাদের মূল্যবান ইন্দ্রিয় চোখগুলি ব্যবহারহীন হয়ে পড়ত। তবে আজ আমরা আজ আলোকে একটু অন্যভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করব। কী ব্যবহার? তোমরা জিজ্ঞেস করতেই পারো। আসলে আজ আমরা আলোকে দর্পণ হিসাবে ব্যবহার করবে , বা আরেকটু সঠিকভাবে বলতে , ‘অতীতের দর্পণ’ হিসাবে ব্যবহার করব । মাথা চুলকোবার কোন প্রয়োজন নেই , আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই সব সহজ করে…
%22%20transform%3D%22matrix(6.25%200%200%206.25%203.1%203.1)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23989898%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-55.88738%204.79124%20-6.24385%20-72.8314%20181%20172.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-125.76991%20-53.90505%2022.3583%20-52.16581%20224%2027.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%22171%22%20rx%3D%2284%22%20ry%3D%2225%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a6a6a6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(173.3%2022.8%2055)%20scale(23.29979%2021.8277)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পাগলা গরুর ভুত: ম্যাড কাউ ডিজিজ
বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কোন এক গরুর খামারের তিনটি গরুর (ডাংকি, মংকি এবং চাংকি) মধ্যে কথোপকথন হচ্ছিল- ডাংকিঃ কিরে মংকি উপরে তাকায়ে কি দেখিস?মংকিঃ দেখ, আজকে আকাশে কত তাঁরা উঠছে। কত সুন্দর তাই না?ডাংকিঃ আ্যহ! এই দিনের বেলা তুই তাঁরা পাইলি কই? তোর উপর কি পাগলা গরুর ভুত ভর করলো নাকি!চাংকিঃ ঐ ডাংকি দেখ, ঐখানে একটা গরু নিজের মাথা নিজেই দেয়ালে ঠুকতেছে। আমারও কেমন জানি ওর মতো করতে ইচ্ছা করতেছে।ডাংকিঃ কি জানি ভাই, তোগোর কাহিনি তো আমার কিছুই ভালো লাগতাছে না। আমি শুনছি পাগলা গরু নামের কি এক ভুত নাকি আসছে, সুযোগ পাইলেই নাকি গরুর…







