
%22%20transform%3D%22matrix(10%200%200%2010%205%205)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2398d78c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.44097%2019.50895%20-32.58898%2032.47542%2034%20118)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f2c723%22%20cx%3D%22156%22%20cy%3D%22135%22%20rx%3D%2252%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f2c52a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(9.7%20-350.4%201405.7)%20scale(29.32563%2015.04896)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f2c723%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-16.36959%20-16.87432%2029.27179%20-28.39624%2019%200)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
[একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন – ৩য়+৪র্থ কিস্তি] বিভিন্ন জীবের জিন সিকোয়েন্স করে (ডি.এন.এ. নিউক্লিওসাইড ক্ষার অণু দিয়ে পর পর কি লেখা আছে তার পাঠোদ্ধার করে) তাদের পারস্পারিক তুলনা করার ভাবনা ১৯৭৭ সালে অণুজীববিজ্ঞানী কার্ল উজের মাথায় আসে। এখন আধুনিক জীববিজ্ঞানে এটা নিত্যদিনের কাজ, তবে সেই সময় বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন প্রজাতির মাঝে বিবর্তনীয় সম্পর্ক আন্দাজ করার জন্য বাহ্যিক-দৈহিক বৈশিষ্ট্যের উপরেই ভরসা করতেন। ওই সময়ে বিভিন্ন জিনের তুলনা করা ছিলো নতুন ধরনের দুঃসাহসিক কাজ। এ তুলনা সুকেন্দ্রিক-কোষীদের মতো জটিল প্রাণ কিভাবে এলো তা বোঝার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ধারাবাহিকের সূচী: ধারাবাহিকের সূচী: কিস্তি ১. প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর…

তারকার জীবনচক্র
রাতের বেলায় পরিষ্কার নীল আকাশের দিকে তাকালে অসংখ্য আলোক বিন্দু মিট মিট করে জ্বলতে দেখা যায়। এদেরকে তারকা বলে। খালি চোখে হাজার হাজার তারকা দেখা যায়। তারকারা কোনো চিরস্থায়ী বস্তু নয়। এদের জন্ম, আয়ু এবং মৃত্যু আছে। আমাদের সূর্য একটি মধ্যবয়সী (Middle aged) তারকা। এর বয়স বর্তমানে প্রায় দশ হাজার মিলিয়ন বছর। হয়তো আরও দশ হাজার মিলিয়ন বছর বেঁচে থাকার পর এর ঘটবে মৃত্যু। নক্ষত্র হলো জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ড যা গ্যাস এবং ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত। সৃষ্টির শুরুতে তারকারা ছিল মহাকাশে গ্যাস ও ধূলিকণার মেঘ রূপে। এ মেঘে ছিল প্রধানত হাইড্রোজেন এবং ভারী হাইড্রোজেন অর্থাৎ ডিউটেরিয়াম। এ মেঘকে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23606060%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M896%20214.9l6-17%2047.3-15.5-42.5-12.1zm-644.9%2021.4l-5%204.8-36.7-37.9%205-4.9zm134.9-40l-57%2017.5-8.3-27%2057.2-17.4zm-247.1%2012.9l63.2-31.7-45.7%2049.3z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মোজেসরাস: মাসট্রিক্টের শিকারী লিজার্ড
কোনো গল্পে যখন অদ্ভুত ধরনের ভয়ংকর কোনো শিকারী প্রাণীর কথা ফুঁটে ওঠে, আমাদের শুধু গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায় না, বরং ভয়ে হয়তো মুখও লুকিয়ে ফেলি। আর যদি সেই ভয়ংকর প্রাণীটা হয় সমুদ্রের? বা অ্যামাজনের কোনো জলাভূমির? “Open water”, “Deep rising”, “Jaws”, “Deep Blue sea” টাইপের মুভিগুলো ছোটোবেলায় অনেক প্রিয় ছিলো। মুভিগুলোতে দেখানো সামুদ্রিক মনস্টার দেখে শিহরিত হন নি এমন মানুষ কমই আছেন। HBO, Star movies-এ নিয়মিত এরকম একটা না একটা মুভি দেখানো হতো। এই মুভিগুলোর ভালো লাগার কারণ গভীর সমুদ্রে, পানির নিচে লুকিয়ে থাকা রহস্য, দানবাকৃতির প্রাণী। পানির নিচের দুনিয়া বরাবরই একটু ভয়ংকর, রহস্যময়। আজকে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dc6600%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.6%20-121.8%20291.3)%20scale(124.18662%20430.51369)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f1ffff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(680.4035%2051.1598%20-10.66773%20141.87624%20399%20111.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e17d00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(319.41133%20-17.72678%204.82801%2086.9939%20194.9%20412.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-104.22268%20112.94504%20-77.57105%20-71.5805%20377.8%2039.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কৃষ্ণগহ্বরের পেছন থেকে আসা আলো সনাক্ত
বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ব্ল্যাকহোল এর পিছন থেকে আলো সনাক্ত করেছেন। এটি আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বের একটি ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ করে। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে প্রমাণিত হয়েছে যে আলোর গতিকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রভাবিত করতে পারে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড্যান উইলকিনস এবং তার সহকর্মীরা টেলিস্কোপ দ্বারা ৮০০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের একটি সর্পিল গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত Zwicky-1 নামক একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল (অতিভারী কৃষ্ণগহ্বর) থেকে X-ray পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তখন টেলিস্কোপগুলি কিছু ক্ষুদ্র X-ray এবং বিভিন্ন রঙের উজ্জ্বল রশ্মি (bright flares) রেকর্ড করেছিল। এই কৃষ্ণগহ্বরটি আয়তনে সূর্যের থেকেও প্রায় ১০ কোটি গুণ বড়। কৃষ্ণগহ্বরে মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a9b1ba%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(232.09304%20283.05584%20-309.31433%20253.62382%20897.4%20645.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(86.80986%20-229.73563%201061.66307%20401.16905%201512%20100.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1074.99979%20656.18267%20-165.15218%20-270.5627%20248.5%203.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-381.9321%20252.79534%20-124.198%20-187.64271%201631.5%201133.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সৃজনশীলতার নৌকা ভাসান আলফা তরঙ্গের তালে
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেছেন সৃজনশীল মস্তিষ্কের ভিতরে উঁকি দিতে। জানার চেষ্টা করেছেন মস্তিষ্কের কোন বৈশিষ্ট্যের জন্য তারা অন্যদের থেকে কাজে – সাফল্যে তফাত বজায় রেখেছেন। সাম্প্রতিক বেশ কিছু গবেষণায় তাদের প্রাপ্তি আলফা তরঙ্গ। তাহলে চলুন একটু ঢু মেরে দেখে আসি আলফা তরঙ্গের গতি-প্রকৃতি। ব্রেইন ওয়েভ কি? কিভাবেই বা জন্ম এই ওয়েভের? ব্রেইন ওয়েভ গুলো আর কিছুই নয় মস্তিষ্কের ভিতর ইলেকট্রিকাল তরঙ্গ। আমাদের মস্তিষ্কে নিউরনগুলো দলা পাকিয়ে কিছু গুচ্ছ বা center তৈরি করে থাকে। তারা তাদের প্রতিবেশী গুচ্ছ বা center এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য যেই সিগনাল তৈরি করে পাঠায় তাকেই আমরা বলি ব্রেইন ওয়েভ। ধারণা করা…
%22%20transform%3D%22translate(1.5%201.5)%20scale(2.94531)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233d2e11%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(103.575%20-2.88724%201.46035%2052.38788%20111.5%20117.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c7cad0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-254.28632%2019.06485%20-1.76674%20-23.56473%20103.4%20216.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239fa2a9%22%20cx%3D%22236%22%20cy%3D%226%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23847d13%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(23.1968%2016.44077%20-31.3141%2044.18206%20162.3%20103.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ফ্রেনোলজি (Phrenology)
বুদ্ধিভিত্তিক চর্চার শুরু থেকে মানুষকে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা ভাবিয়েছে সেটা সম্ভবত এমন – আমাদের অস্তিত্ব কী? আমাদের রাগ, দুঃখ, ভালোবাসা, দয়া, হিংসা প্রভৃতি গুণাবলি, ব্যক্তিস্বত্তার অস্তিত্ব আসলে কোথায়? আমরা কেনো কোনো কিছু অনুভব করি? এইসব জটিল প্রশ্নের সহজ সমাধান হিসেবে অনেকের চিন্তায় জায়গা করে নিয়েছে একটা বাক্য- “আমরা এসব অনুভব করি তার কারণ আমাদের মন।” মন আসলে কী জিনিস? কোনো অঙ্গ? আত্মা? এই মন/আত্মা যতক্ষণ আমাদের মাঝে আছে ততক্ষণ আমাদের অনুভূতি, অস্তিত্ব আছে। রেনে ডেকার্তের মাইন্ড বডি ডুয়েলিজম কিছুটা সেই কথাই বলে আমাদের। মাইন্ড-বডি ডুয়েলিজম বলতে বোঝায় মন এবং শরীরের সহাবস্থান। আমাদের দেহ কোনো কিছু…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300989f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.95899%2028.23727%20-75.19453%2087.76824%20242.5%20191)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c7b8f4%22%20cx%3D%22110%22%20cy%3D%22114%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300afb6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-141.55827%20148.8249%20-31.85296%20-30.29768%200%201)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2314c4cb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.76442%20-17.54678%2040.09206%2049.7288%207.4%20177.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
Z-genome: নতুন ধরনের প্রাণ?
মানুষ সহ পৃথিবীর সকল উদ্ভিদ প্রাণীর জীবনের ভাষা কয়েকটা নির্দিষ্ট অক্ষরে লেখা। ডিএনএ-র A, G, C, T, U – এই পাঁচ অক্ষরের কথা কমবেশি আমরা সবাই জানি। এরা প্রত্যেকে এক একটি নিউক্লিওটাইড। কেউ কেউ পিউরিন বেস নিউক্লিওটাইড (A,G), কেউ কেউ পাইরিমিডিন বেস নিউক্লিওটাইড (C,T,U)। নিউক্লিওটাইড শব্দটা খুব কঠিন লাগলে সহজ কথায় এরা প্রত্যেকে একেকটি রাসায়নিক যৌগ। আর জীবনের জন্য একেকটি অক্ষর। প্রত্যেকেটা নিউক্লিওটাইডের গঠনও নির্দিষ্ট। ডিএনএ এর গঠন চার অক্ষরে লেখা- অ্যাডেনিন (A), গুয়ানিন (G), সাইটোসিন (C) এবং থায়ামিন (T) । অন্যদিকে আরএনএ এর গঠনও চারটা অক্ষরে লেখা, শুধু থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল (U) উপস্থিত থাকে। পৃথিবীর…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23171b1d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(110.1%20.6%2049.5)%20scale(171.36041%2068.71147)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23781b0f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.56318%20200.5608%20-56.77864%20-8.08622%20497.4%20338.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239ca0a2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(34.4%20271.4%201202.5)%20scale(349.75509%20123.22948)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23939a8b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-166.5%20121.2%20144.8)%20scale(102.19159%20254.81183)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চুইঝাল – চেনা তবু অচেনা এক নাম
চুইঝাল। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষেরই শোনা এক নাম, অনেকের কাছে আবার Hunter আকর্ষণেরও আরেক নাম চুঁইঝাল। বাংলাদেশের খুলনা জেলা এই চুঁইঝালের জন্য বিখ্যাত। শুধু কি বাংলাদেশ? ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা; এমনকি ভারতের বাইরেও এশিয়ার বেশ কিছু উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চল, যেমন – মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কায়ও এটি সমভাবে প্রসিদ্ধ। সচরাচর মাছ বা মাংসের পদ রাঁধতে এটি মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় স্বতন্ত্র খাদ্য হিসেবেও এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আজ আমরা এই চুঁইঝাল সম্পর্কে জেনে নেব বেশকিছু তথ্য। চুইঝাল Long pepper, Indian long pepper নামেই মূলত বেশি জনপ্রিয়। Pepper শব্দটি এসেছে সংস্কৃত “Pippali” থেকে, যার উল্লেখ পাওয়া যায়…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.89063)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235d58d7%22%20cx%3D%2234%22%20cy%3D%2239%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2304030b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(99.08441%20-111.6825%2021.67716%2019.23191%20234.3%20179.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2398a934%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(100.4%20-62.1%2090.8)%20scale(43.90776%20157.047)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231e1d25%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.13447%20-10.30824%2016.03437%2040.65192%20237.5%2026.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো?
[একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন – ২য় কিস্তি] সুকেন্দ্রীক-কোষের কিছু অংশ এক সময় অন্তঃমিথোজীবী স্বাধীন অণুজীব হিসেবে ছিলো যারা পরবর্তীতে অন্য কোষের মধ্যে স্থায়ী ঠিকানা গড়ে নেয় – রাশিয়ান বিজ্ঞানী কনস্ট্যানটিন মেরেস্কোস্কি ১৯০৫ সালে সর্বপ্রথম এ ধারণা দেন। তিনি ভেবেছিলেন নিউক্লিয়াস এভাবে গড়ে উঠেছে, আর সৌরালোক থেকে উদ্ভিদকোষকে শক্তি জোগানো ক্লোরোপ্লাস্টের উদ্ভবও একইভাবে। অন্তঃমিথোজীবির তালিকায় প্রথমে মাইটোকন্ড্রিয়া বাদ গেলেও ১৯২৩ সালে আমেরিকান শরীরবিদ ইভান ওয়ালিন একে যুক্ত করেন। ধারাবাহিকের সূচী: ধারাবাহিকের সূচী: কিস্তি ১. প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর কেন একঘেয়ে ছিলো? কিস্তি ২. সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো? কিস্তি ৩. প্রাককেন্দ্রিক জিনেরা সুকেন্দ্রিক জিনোমে কিভাবে কর্মবিভাজন করলো? কিস্তি…







