
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23989898%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(94.4%20556.4%20670.2)%20scale(216.9365%201872.65629)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23262626%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-231.79226%20-570.8355%20515.09936%20-209.16016%20821.9%201025.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23565656%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(3.2%20-5618.8%2016333)%20scale(513.14081%20114.78551)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23898989%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-12.5%201048.9%20-1497)%20scale(539.34019%2088.84237)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
১৯৮৬ সালে ২৬ এপ্রিলের মধ্যরাত, সবাই গভীর ঘুমে ব্যস্ত এইসময় ঘটে যায় বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এক দূর্ঘটনাগুলোর একটি। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের বিস্ফোরণ ঘটে। লাখো মানুষের জীবনে নেমে আসে ধস৷ এই কাহিনি নিয়েই HBO তৈরি করেছে “Chernobyl ” নামের ট্রাজেডিক থ্রিলারধর্মী ৫ পর্বের মিনি সিরিজ। প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে। ১০ এর মধ্যে ৯.৪ রেটিং নিয়ে আইএমডিবির টপ রেটেড সিরিজগুলোর একটি। সিরিজটার শুরু হয়েছে লাইনগুলো দিয়ে, “What is the cost of lies? It’s not that we’ll mistake them for the truth. The real danger is that if we hear enough lies, then we…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23383838%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-133.6994%20232.51038%20-455.44702%20-261.89365%201590.5%201064.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23232323%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M1259.5%20789.5h624.2V1252h-624.2z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23212121%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M1102.1%20561.6l-26.8%2049.3%20540.9%20751.4-726-776z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-457.37787%20-583.31562%201378.2885%20-1080.71623%20305.8%20466.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
IMEl নম্বর কী এবং কেন?
দেশের সকল অবৈধ ফোন অচল হবে, এমন প্রস্তাবনা আসার পর থেকে IMEI নম্বরের কথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। এ বছরের মধ্যে সেলুলার নেটওয়ার্ক থেকে অনিবন্ধিত সকল মোবাইল সংযোগ বিছিন্ন (সিম লক) করে দেওয়া হবে। শুধু দেশের এবং বাহির থেকে আসা বিটিআরসিতে নিবন্ধিত ফোনের সংযোগ অব্যহত থাকবে। সেলুলার নেটওয়ার্ক এর সাথে আপনার ফোনটি যুক্ত থাকবে কিংবা কোন ফোন যুক্ত থাকবে না, তার পুরোটা IMEI নম্বরের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এই IMEI নম্বর কী, এবং এর কাজই বা কী? মোবাইল ডিভাইস মানুষের মাঝে প্রচলনের পর থেকে একটা pg slot প্রশ্ন আসলো, মোবাইল ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট করে সনাক্তকরণে কোনো…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236dbba4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(265.792%20-181.99158%20810.37455%201183.52218%20245.9%20583.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233f1a19%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(12.9227%20-243.1537%20664.91673%2035.33783%20994.9%20385.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238e6b5d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-198.4383%2082.26128%20-140.79931%20-339.64916%20528.2%20361.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23030910%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(13.2999%20113.21664%20-307.42545%2036.11419%201195.7%20399.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিষন্নতা বা ডিপ্রেশন কতটা ভয়াবহ?
ক্যান্সার যেভাবে শরীরের ক্ষতি করে, এমন কোনো সমস্যা আছে, যা একইভাবে মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটায়? উত্তরে আমি ডিপ্রেশনের কথা বলব, যা ধীরে ধীরে জীবনকে গ্রাস করে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, কোনো কিছু নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা বা দুশ্চিন্তা করে মনোঃকষ্টে ভোগাকে আমরা ডিপ্রেশন বলে থাকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া সংজ্ঞানুসারে, Low Interest, Low Energy এবং Low Mood ডিপ্রেশনের তিনটি বড় প্রতীক। Medical News Today এর একটি প্রতিবেদন বলছে, ডিপ্রেশন এমন একটি মারাত্মক সমস্যা, যা ধীরে ধীরে জীবনের একটা বড় অংশ দখল করে ফেলে। মনোবিজ্ঞানী অ্যারন বেকের মতে, ডিপ্রেশন হলো নিজের, পারিপার্শ্বিকতা এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার মিলিত বহিঃপ্রকাশ।…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c271f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(304.11527%207.5174%20-4.48818%20181.56873%20737.2%2030.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23675dd3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(112.7%20-67.3%20190.3)%20scale(218.43988%20138.69132)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ba4a31%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(279.61534%2025.93913%20-10.42682%20112.3977%20865.5%20321.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23666e6d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(386.99035%20292.6785%20-68.72274%2090.86775%20277.1%20155)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কোষের শক্তি কোত্থেকে আসে?
মাইটোকন্ড্রিয়া যদি এতই গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে এদের উদ্ভব মাত্র একবার হয়েছে কেন? সুকেন্দ্রীক কোষরাই বা কেন একবার মাত্র বিবর্তিত হয়েছে? নিক লেন ও বিল মার্টিন ২০১০ সালে বৈজ্ঞানিক জার্নাল ন্যাচারে প্রকাশিত নিবন্ধ “The energetics of genome complexity”-তে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সহজ হিসাব-নিকাশ ও চমৎকার যুক্তির মাধ্যমে তারা দেখিয়েছেন প্রাককেন্দ্রিক কোষরা সরলই রয়ে গেছে কারণ তাদের পক্ষে সুকেন্দ্রীক কোষের জ্বালানী-খেকো জীবনযাপন করার সামর্থ্য নেই। অন্যভাবে বলা যায়: “তারা ইহা করতে পারবে না জনাব, তাদের সেই শক্তিই নেই।” লেন ও মার্টিন যুক্তি দেন যে কোন কোষকে জটিলতর হতে হলে তার জিনোম বড় হতে হবে। আজকালকার দিনে গড়পড়তা…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.66016)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0763f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(72.1%2014.8%2098)%20scale(78.03181%2095.98581)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2300000e%22%20d%3D%22M1%20163.6L253.4%20128l9.6%2068.3L10.5%20232z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000411%22%20cx%3D%22246%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2221%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c2895c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-46.06691%205.41162%20-4.03254%20-34.32735%2072.2%2054.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তবে কি গ্রিক নয়, ত্রিকোণমিতির জন্ম ব্যাবিলনীয়দের হাতে?
পিথাগোরাসের পর্ব: পিথাগোরাস কে?? বিজ্ঞানের ছাত্র অথচ পাশ করবার জন্য পিথাগোরাসের উপপাদ্য গেলেনি এমনটি হয়ত দুরবিনেও ধরা পড়বে না। পিথাগোরাসকে বলা যেতে পারে গণিত শাস্ত্রের আদি পুরুষ। তিনি একাধারে গণিতজ্ঞ, চিন্তাবিদ, দার্শনিক। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে বর্তমান তুরস্কের পশ্চিমে ইজিয়ান সাগরের সামোস দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। ধারণা করা হয় শৈশবে জ্ঞান অন্বেষণের তাগিদে মিশর সহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছিলেন । এই মিশরে এসে প্রধানত তিনি গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের দীক্ষা লাভ করেন। মিশরে অবস্থানের সময় পিরামিড দর্শন করে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে যান। বিশাল বিশাল পিরামিড নির্মাণের সময় যে গাণিতিক নিয়ম অনুসারে পাথরগুলিকে সাজানো হয়েছিল তা তাকে প্রবল ভাবে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff7600%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-176.9%20307%20361)%20scale(491.8214%20211.06764)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23486a77%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-178%20368.9%2079.5)%20scale(1275%20209.48665)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23636207%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M-67.5%20532.5l1190-140-570-225z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239896a3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(118.7%20574.1%20393)%20scale(128.53017%20200.6025)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ব্যাকটেরিওফায কি এন্টিবায়োটিকের বিকল্প হতে পারে?
যুদ্ধবিগ্রহের ক্ষেত্রে মিসাইলকে সবচেয়ে শক্তিশালী ও উপযুক্ত অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধটি যদি হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার, তাহলে যুদ্ধের সরঞ্জাম ও হতে হবে অভিনব। যদি প্রশ্ন করা হয় পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী যুদ্ধ করে কারা কিংবা সবচেয়ে বেশী হত্যায় শামিল কারা? বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির পরিস্থিতি অনুসারে উত্তর বিবিধ হতে পারে। কিন্তু সঠিক উত্তরটি পুরোপুরি আপনার ধারণার বাইরেও হতে পারে। কোটি কোটি বছর ধরে একটি যুদ্ধ চলছে, প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার, লক্ষ, কোটি, বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন, অগণিত সংখ্যকের। কি বিস্মিত হচ্ছেন? কিছুটা রাগও হতে পারে, আমি যুদ্ধের কথা বলছি, অথচ কে যুদ্ধ করছে, কার মৃত্যু হচ্ছে কিছুই পরিস্কার…

মরুর বুকে চারপেয়ে রাক্ষুসে তিমি!
এই পৃথিবীর বয়স কত? প্রশ্নটি কখনো আপনাদের মনে আসে নি? আচ্ছা কোন সমস্যা নেই, আমিই না হয় বলে দেই। আমাদের এই বাসভূমির বয়স প্রায় ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর! অনেকটা সময়, তাইনা? আজ আমরা পৃথিবীতে যে সব প্রাণীদের দেখছি,তারাই কি এই আদিযুগ থেকে ছিল? নাকি তারা বিভিন্ন আদিম প্রাণীদের বিবর্তিত রূপ? বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিজ্ঞানীরা নিয়মিত বিরতিতেই এসব আদিম দানবদের ফসিল আবিস্কার করে চলেছেন। তাদের ভেতর ডাইনোসর, আতিকায় ম্যামথ, বিশালাকৃতির সরীসৃপ সহ নানা ধরনের প্রাণীর ফসিল রয়েছে। সম্প্রতি ২০২১ সালে একটি নতুন প্রজাতির তিমি আবিষ্কৃত হয়েছে। মিসরের বিজ্ঞানীরা এই ফসিলটি আবিষ্কারটি করেছেন । তাদের দাবি, প্রায় ৪…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(4.10156)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231b1345%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-49.51055%201.57772%20-2.43675%20-76.46773%20122%20132.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236e63a9%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-174.5%2020.7%2027.1)%20scale(41.68473%20154.73777)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b60a6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-97.1435%20-202.75411%2057.23131%20-27.42065%20217.7%2057.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b052d%22%20cx%3D%22122%22%20cy%3D%22117%22%20rx%3D%2223%22%20ry%3D%2231%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কে পর্ণ আসক্তির প্রভাব
পর্ণ! শব্দটা দেখে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাননি তো? যতই ভ্রু কুঁচকে যাক কিংবা দ্বিধায় আড়ষ্ট হোন না কেন, সমগ্র আলোচনা হবে পর্ণ আসক্তি নিয়ে। দ্বিধায় পড়ে গেলেন? পড়বেন নাকি পড়বেন না- এটা ভাবছেন? আরে, আমি জানি প্রথমে ভাবলেন পড়বেন না। পরক্ষণেই ভাবলেন, দেখি তো কি লিখেছে নিবন্ধে। হা হা! এই যে কৌতুহলী হয়ে লেখাটা পড়া শুরু করলেন, পর্ণে আসক্তি ঠিক এভাবেই আসে ধীরে ধীরে। একটা ভিডিও দেখলে কিইবা এমন হবে! এই ভাবনা থেকেই শুরু করা হয় তারপর কখন যে সময় চলে যায়, খেয়ালই থাকে না। সংকোচ যেহেতু ঝেড়েছেন এই নিবন্ধ পড়ার জন্য, ভনিতা বাদ দিয়ে মূল…

ডিএনএ এর দ্বি-সুত্রাকার গঠন আবিষ্কারের নেপথ্যে রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন
১৯৫৩ সালের এপ্রিলে, নেচার জার্নালে ডিএনএ এর গঠন সম্বন্ধে তিনটা বেক-টু-বেক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রথমটি লেখেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জিম ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক, যেটি ছিল মূলত ডিএনএ এর গঠন নিয়ে তাত্ত্বিক বিষয়ের উপরে লেখা। বাকী দুইটি তথ্যবহুল নিবন্ধের একটি লিখেন লন্ডনের কিংস কলেজের মরিস উইলকিন্স এবং তাঁর দুইজন সহকারী, অন্যটি লেখেন রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন এবং পিএচডি গবেষণারত রেমন্ড গোসলিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখা নিবন্ধটি ছিল ডিএনএ তে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক বন্ধন থেকে তৈরি বিভিন্ন কোণের জটিল গাণিতিক হিসাব নিকাশ যেগুলো মূলত ফ্রান্সিস ক্রিকের দেয়া ধারণার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল। অনেকেই দাবি করেন যে ওয়াটসন এবং ক্রিক…







