
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c271f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(304.11527%207.5174%20-4.48818%20181.56873%20737.2%2030.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23675dd3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(112.7%20-67.3%20190.3)%20scale(218.43988%20138.69132)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ba4a31%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(279.61534%2025.93913%20-10.42682%20112.3977%20865.5%20321.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23666e6d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(386.99035%20292.6785%20-68.72274%2090.86775%20277.1%20155)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মাইটোকন্ড্রিয়া যদি এতই গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে এদের উদ্ভব মাত্র একবার হয়েছে কেন? সুকেন্দ্রীক কোষরাই বা কেন একবার মাত্র বিবর্তিত হয়েছে? নিক লেন ও বিল মার্টিন ২০১০ সালে বৈজ্ঞানিক জার্নাল ন্যাচারে প্রকাশিত নিবন্ধ “The energetics of genome complexity”-তে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সহজ হিসাব-নিকাশ ও চমৎকার যুক্তির মাধ্যমে তারা দেখিয়েছেন প্রাককেন্দ্রিক কোষরা সরলই রয়ে গেছে কারণ তাদের পক্ষে সুকেন্দ্রীক কোষের জ্বালানী-খেকো জীবনযাপন করার সামর্থ্য নেই। অন্যভাবে বলা যায়: “তারা ইহা করতে পারবে না জনাব, তাদের সেই শক্তিই নেই।” লেন ও মার্টিন যুক্তি দেন যে কোন কোষকে জটিলতর হতে হলে তার জিনোম বড় হতে হবে। আজকালকার দিনে গড়পড়তা…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.66016)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0763f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(72.1%2014.8%2098)%20scale(78.03181%2095.98581)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2300000e%22%20d%3D%22M1%20163.6L253.4%20128l9.6%2068.3L10.5%20232z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000411%22%20cx%3D%22246%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2221%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c2895c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-46.06691%205.41162%20-4.03254%20-34.32735%2072.2%2054.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তবে কি গ্রিক নয়, ত্রিকোণমিতির জন্ম ব্যাবিলনীয়দের হাতে?
পিথাগোরাসের পর্ব: পিথাগোরাস কে?? বিজ্ঞানের ছাত্র অথচ পাশ করবার জন্য পিথাগোরাসের উপপাদ্য গেলেনি এমনটি হয়ত দুরবিনেও ধরা পড়বে না। পিথাগোরাসকে বলা যেতে পারে গণিত শাস্ত্রের আদি পুরুষ। তিনি একাধারে গণিতজ্ঞ, চিন্তাবিদ, দার্শনিক। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে বর্তমান তুরস্কের পশ্চিমে ইজিয়ান সাগরের সামোস দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। ধারণা করা হয় শৈশবে জ্ঞান অন্বেষণের তাগিদে মিশর সহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছিলেন । এই মিশরে এসে প্রধানত তিনি গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের দীক্ষা লাভ করেন। মিশরে অবস্থানের সময় পিরামিড দর্শন করে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে যান। বিশাল বিশাল পিরামিড নির্মাণের সময় যে গাণিতিক নিয়ম অনুসারে পাথরগুলিকে সাজানো হয়েছিল তা তাকে প্রবল ভাবে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff7600%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-176.9%20307%20361)%20scale(491.8214%20211.06764)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23486a77%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-178%20368.9%2079.5)%20scale(1275%20209.48665)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23636207%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M-67.5%20532.5l1190-140-570-225z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239896a3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(118.7%20574.1%20393)%20scale(128.53017%20200.6025)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ব্যাকটেরিওফায কি এন্টিবায়োটিকের বিকল্প হতে পারে?
যুদ্ধবিগ্রহের ক্ষেত্রে মিসাইলকে সবচেয়ে শক্তিশালী ও উপযুক্ত অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধটি যদি হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার, তাহলে যুদ্ধের সরঞ্জাম ও হতে হবে অভিনব। যদি প্রশ্ন করা হয় পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী যুদ্ধ করে কারা কিংবা সবচেয়ে বেশী হত্যায় শামিল কারা? বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির পরিস্থিতি অনুসারে উত্তর বিবিধ হতে পারে। কিন্তু সঠিক উত্তরটি পুরোপুরি আপনার ধারণার বাইরেও হতে পারে। কোটি কোটি বছর ধরে একটি যুদ্ধ চলছে, প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার, লক্ষ, কোটি, বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন, অগণিত সংখ্যকের। কি বিস্মিত হচ্ছেন? কিছুটা রাগও হতে পারে, আমি যুদ্ধের কথা বলছি, অথচ কে যুদ্ধ করছে, কার মৃত্যু হচ্ছে কিছুই পরিস্কার…

মরুর বুকে চারপেয়ে রাক্ষুসে তিমি!
এই পৃথিবীর বয়স কত? প্রশ্নটি কখনো আপনাদের মনে আসে নি? আচ্ছা কোন সমস্যা নেই, আমিই না হয় বলে দেই। আমাদের এই বাসভূমির বয়স প্রায় ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর! অনেকটা সময়, তাইনা? আজ আমরা পৃথিবীতে যে সব প্রাণীদের দেখছি,তারাই কি এই আদিযুগ থেকে ছিল? নাকি তারা বিভিন্ন আদিম প্রাণীদের বিবর্তিত রূপ? বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিজ্ঞানীরা নিয়মিত বিরতিতেই এসব আদিম দানবদের ফসিল আবিস্কার করে চলেছেন। তাদের ভেতর ডাইনোসর, আতিকায় ম্যামথ, বিশালাকৃতির সরীসৃপ সহ নানা ধরনের প্রাণীর ফসিল রয়েছে। সম্প্রতি ২০২১ সালে একটি নতুন প্রজাতির তিমি আবিষ্কৃত হয়েছে। মিসরের বিজ্ঞানীরা এই ফসিলটি আবিষ্কারটি করেছেন । তাদের দাবি, প্রায় ৪…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(4.10156)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231b1345%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-49.51055%201.57772%20-2.43675%20-76.46773%20122%20132.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236e63a9%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-174.5%2020.7%2027.1)%20scale(41.68473%20154.73777)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b60a6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-97.1435%20-202.75411%2057.23131%20-27.42065%20217.7%2057.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b052d%22%20cx%3D%22122%22%20cy%3D%22117%22%20rx%3D%2223%22%20ry%3D%2231%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কে পর্ণ আসক্তির প্রভাব
পর্ণ! শব্দটা দেখে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাননি তো? যতই ভ্রু কুঁচকে যাক কিংবা দ্বিধায় আড়ষ্ট হোন না কেন, সমগ্র আলোচনা হবে পর্ণ আসক্তি নিয়ে। দ্বিধায় পড়ে গেলেন? পড়বেন নাকি পড়বেন না- এটা ভাবছেন? আরে, আমি জানি প্রথমে ভাবলেন পড়বেন না। পরক্ষণেই ভাবলেন, দেখি তো কি লিখেছে নিবন্ধে। হা হা! এই যে কৌতুহলী হয়ে লেখাটা পড়া শুরু করলেন, পর্ণে আসক্তি ঠিক এভাবেই আসে ধীরে ধীরে। একটা ভিডিও দেখলে কিইবা এমন হবে! এই ভাবনা থেকেই শুরু করা হয় তারপর কখন যে সময় চলে যায়, খেয়ালই থাকে না। সংকোচ যেহেতু ঝেড়েছেন এই নিবন্ধ পড়ার জন্য, ভনিতা বাদ দিয়ে মূল…

ডিএনএ এর দ্বি-সুত্রাকার গঠন আবিষ্কারের নেপথ্যে রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন
১৯৫৩ সালের এপ্রিলে, নেচার জার্নালে ডিএনএ এর গঠন সম্বন্ধে তিনটা বেক-টু-বেক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রথমটি লেখেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জিম ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক, যেটি ছিল মূলত ডিএনএ এর গঠন নিয়ে তাত্ত্বিক বিষয়ের উপরে লেখা। বাকী দুইটি তথ্যবহুল নিবন্ধের একটি লিখেন লন্ডনের কিংস কলেজের মরিস উইলকিন্স এবং তাঁর দুইজন সহকারী, অন্যটি লেখেন রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন এবং পিএচডি গবেষণারত রেমন্ড গোসলিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখা নিবন্ধটি ছিল ডিএনএ তে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক বন্ধন থেকে তৈরি বিভিন্ন কোণের জটিল গাণিতিক হিসাব নিকাশ যেগুলো মূলত ফ্রান্সিস ক্রিকের দেয়া ধারণার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল। অনেকেই দাবি করেন যে ওয়াটসন এবং ক্রিক…
%22%20transform%3D%22matrix(7.5%200%200%207.5%203.8%203.8)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23da8c56%22%20cx%3D%22142%22%20cy%3D%2257%22%20rx%3D%2244%22%20ry%3D%2246%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000f20%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-53.93173%208.18072%20-38.24264%20-252.11605%2046.6%2094.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23863700%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.12068%20-40.05707%2072.54907%20-49.11941%20206.8%2096.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e5563%22%20cx%3D%2293%22%20cy%3D%2259%22%20rx%3D%2215%22%20ry%3D%2244%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নক্ষত্রের জন্মকথন
That essentially every atom in your body was once inside a star that exploded. Moreover, the atoms in your left hand probably come from a different star than did those in your right. We are all, literally, star children, and our bodies are stardust. Lawrence Krauss আমরা সবাই নক্ষত্রের সন্তান। এই কথাটির তাৎপর্য, এই মহাবিশ্বের ১৩.৮ বিলিয়ন বছরের ইতিহাসকে শুধুমাত্র একটি লাইনে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে। আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী সৌরজগতের একটি অংশ। এই সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে এর নক্ষত্র- সূর্য। জ্বলজ্বল করে জ্বলছে, আমাদের আলো দিচ্ছে, তাপ দিচ্ছে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সকল রাসায়নিক শক্তির জোগানও দিচ্ছে।…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3d3d3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-83.46365%20-138.4903%20454.56594%20-273.95225%201085%2090.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b0b0b0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.45933%20258.33915%20-275.15718%20-4.74963%2063.4%20628.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(82%2083.5%20236.4)%20scale(189.37235%20528.24142)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-712.32654%20298.94772%20-71.20002%20-169.65397%201061.2%20555.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
১জি-৫জি: প্রজন্মভিত্তিক মোবাইল প্রযুক্তির বিবর্তন
আমরা এখন তথ্য প্রযুক্তির উত্থানের যুগে বাস করছি। যার পতন হয়ত আর কোনো কালেই হবে না। বৈপ্লবিক এই পরিবর্তনের ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে তার আকাঙ্ক্ষিত জীবনের দিকে। পৃথিবী এখন প্রযুক্তিনির্ভর এবং এই নির্ভরতা দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রযুক্তির নানা প্রক্রিয়া ও কৌশলকে কাজে লাগিয়ে জীবনকে সহজ থেকে সহজতর করাই যেন মূখ্য। অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রতিযোগিতা এখন সমগ্র বিশ্বজুড়ে। গত দুই দশকে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন মানুষকে নেটওয়ার্কের জালে বন্দি করেছে। বিচ্ছিন্ন পৃথিবীকে বেঁধে ফেলেছে অদৃশ্য সূঁতোয়। মাত্র দুই যুগ আগেও মানুষ যেসব ভেবে ভেবে কল্পনায় তাড়িত হত, সেসব-ই এখন বাস্তবতায় প্রতিফলিত হচ্ছে। প্রযুক্তির এই ক্রমবর্ধমান…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2356927e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(31.68885%2034.58231%20-47.91928%2043.90993%20105.8%2055.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23080204%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-39.80996%204.69588%20-35.00626%20-296.77064%20280.8%2063)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e0a0b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(6.4013%2020.78246%20-38.56834%2011.8796%20229.8%20152.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b0507%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.18208%2036.28295%20-19.94195%2010.54291%205.6%20145.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ চক্র
গ ত বছরের শুরুতে চীনের উহাং প্রদেশে প্রথম আবির্ভাব ঘটে করোনা ভাইরাসের। ওয়ার্ল্ডমিটার এর তথ্য অনুযায়ী সে থেকে এ যাবত পুরো বিশ্বে পঞ্চাশটিরও বেশি দেশে ২১৬, ৪০৫, ৬২৩ জন মানুষ এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয় এবং এর মধ্যে ৪, ৫০২, ৮২১ জন মানুষ প্রাণ হারান। করোনা ভাইরাসের এত দ্রুত সংক্রমিত হবার পেছনে একটা অন্যতম কারণ হল এটি একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাস। আরএনএ প্রতিলিপন প্রক্রিয়ায় প্রুফ রিডিং এর ব্যবস্থা নেই। তবে ডিএনএ প্রতিলিপন প্রক্রিয়ায় প্রুফ রিডিং ব্যবস্থা আছে। বলে রাখা ভালো, প্রতিলিপন প্রক্রিয়ায় কোন ভুল হয়েছে কিনা সেটা নির্ণয় করা হয় প্রুফ রিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। আরএনএ প্রতিলিপনে প্রুফ…







