
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300989f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.95899%2028.23727%20-75.19453%2087.76824%20242.5%20191)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c7b8f4%22%20cx%3D%22110%22%20cy%3D%22114%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300afb6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-141.55827%20148.8249%20-31.85296%20-30.29768%200%201)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2314c4cb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.76442%20-17.54678%2040.09206%2049.7288%207.4%20177.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মানুষ সহ পৃথিবীর সকল উদ্ভিদ প্রাণীর জীবনের ভাষা কয়েকটা নির্দিষ্ট অক্ষরে লেখা। ডিএনএ-র A, G, C, T, U – এই পাঁচ অক্ষরের কথা কমবেশি আমরা সবাই জানি। এরা প্রত্যেকে এক একটি নিউক্লিওটাইড। কেউ কেউ পিউরিন বেস নিউক্লিওটাইড (A,G), কেউ কেউ পাইরিমিডিন বেস নিউক্লিওটাইড (C,T,U)। নিউক্লিওটাইড শব্দটা খুব কঠিন লাগলে সহজ কথায় এরা প্রত্যেকে একেকটি রাসায়নিক যৌগ। আর জীবনের জন্য একেকটি অক্ষর। প্রত্যেকেটা নিউক্লিওটাইডের গঠনও নির্দিষ্ট। ডিএনএ এর গঠন চার অক্ষরে লেখা- অ্যাডেনিন (A), গুয়ানিন (G), সাইটোসিন (C) এবং থায়ামিন (T) । অন্যদিকে আরএনএ এর গঠনও চারটা অক্ষরে লেখা, শুধু থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল (U) উপস্থিত থাকে। পৃথিবীর…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23171b1d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(110.1%20.6%2049.5)%20scale(171.36041%2068.71147)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23781b0f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.56318%20200.5608%20-56.77864%20-8.08622%20497.4%20338.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239ca0a2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(34.4%20271.4%201202.5)%20scale(349.75509%20123.22948)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23939a8b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-166.5%20121.2%20144.8)%20scale(102.19159%20254.81183)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চুইঝাল – চেনা তবু অচেনা এক নাম
চুইঝাল। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষেরই শোনা এক নাম, অনেকের কাছে আবার Hunter আকর্ষণেরও আরেক নাম চুঁইঝাল। বাংলাদেশের খুলনা জেলা এই চুঁইঝালের জন্য বিখ্যাত। শুধু কি বাংলাদেশ? ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা; এমনকি ভারতের বাইরেও এশিয়ার বেশ কিছু উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চল, যেমন – মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কায়ও এটি সমভাবে প্রসিদ্ধ। সচরাচর মাছ বা মাংসের পদ রাঁধতে এটি মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় স্বতন্ত্র খাদ্য হিসেবেও এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আজ আমরা এই চুঁইঝাল সম্পর্কে জেনে নেব বেশকিছু তথ্য। চুইঝাল Long pepper, Indian long pepper নামেই মূলত বেশি জনপ্রিয়। Pepper শব্দটি এসেছে সংস্কৃত “Pippali” থেকে, যার উল্লেখ পাওয়া যায়…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.89063)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235d58d7%22%20cx%3D%2234%22%20cy%3D%2239%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2304030b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(99.08441%20-111.6825%2021.67716%2019.23191%20234.3%20179.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2398a934%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(100.4%20-62.1%2090.8)%20scale(43.90776%20157.047)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231e1d25%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.13447%20-10.30824%2016.03437%2040.65192%20237.5%2026.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো?
[একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন – ২য় কিস্তি] সুকেন্দ্রীক-কোষের কিছু অংশ এক সময় অন্তঃমিথোজীবী স্বাধীন অণুজীব হিসেবে ছিলো যারা পরবর্তীতে অন্য কোষের মধ্যে স্থায়ী ঠিকানা গড়ে নেয় – রাশিয়ান বিজ্ঞানী কনস্ট্যানটিন মেরেস্কোস্কি ১৯০৫ সালে সর্বপ্রথম এ ধারণা দেন। তিনি ভেবেছিলেন নিউক্লিয়াস এভাবে গড়ে উঠেছে, আর সৌরালোক থেকে উদ্ভিদকোষকে শক্তি জোগানো ক্লোরোপ্লাস্টের উদ্ভবও একইভাবে। অন্তঃমিথোজীবির তালিকায় প্রথমে মাইটোকন্ড্রিয়া বাদ গেলেও ১৯২৩ সালে আমেরিকান শরীরবিদ ইভান ওয়ালিন একে যুক্ত করেন। ধারাবাহিকের সূচী: ধারাবাহিকের সূচী: কিস্তি ১. প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর কেন একঘেয়ে ছিলো? কিস্তি ২. সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো? কিস্তি ৩. প্রাককেন্দ্রিক জিনেরা সুকেন্দ্রিক জিনোমে কিভাবে কর্মবিভাজন করলো? কিস্তি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2313211d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-56.2%20422.9%20165.5)%20scale(160.18905%20239.9682)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238e9d98%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-26.38479%20114.65955%20-341.58842%20-78.60434%20615%203.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239c2a50%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(175%20178.6%20158.6)%20scale(151.3901%20208.03861)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2337262c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M730.5%20388.5l-153%20102-294-207z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
লাল টকটকে শয়তানের আঙ্গুল
Devil’s Finger পপুলার কালচারে ডেভিলকে সাধারণত লাল হিসেবে দেখানো হয় কারণ লাল দেখলে বিপদ সংকেত টাইপের মনে হয় সেজন্য । বিখ্যাত Tom and Jerry কার্টুনেও দেখবেন টমকে দুষ্টু বুদ্ধি দেওয়ার সময় লাল রঙের পিচ্চি টম হাজির হয়। যেহেতু ফাংগাসের নাম দেওয়া হয়েছে ডেভিলস ফিঙ্গার তাহলে ধরে নিতে পারেন লাল রঙের একটা রিলেশন আছে। ডেভিলস ফিঙ্গার দেখতে অনেকটা জবা ফুলের মতো টকটকে লাল আর অক্টোপাসের মতো আকৃতির । এইরকম আকৃতির কারণে এর আরেক নাম Octopus Stinkhorn. নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় মেইন বাসস্থান হলেও ইউরোপ, আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং এশিয়ার বিভিন্ন স্থানসহ বলতে গেলে পুরোবিশ্বেই এদের উপস্থিতি রয়েছে। ১৮৬০ সালের দিকে…
%22%20transform%3D%22matrix(3.75%200%200%203.75%201.9%201.9)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233d4c24%22%20cx%3D%2273%22%20cy%3D%2246%22%20rx%3D%2231%22%20ry%3D%2237%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aabe77%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(18.98141%20.9287%20-5.83302%20119.21964%20132.2%20150.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b85536%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(5.9268%20-25.89925%2099.46774%2022.76225%20255%20153.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b9d850%22%20cx%3D%227%22%20cy%3D%2226%22%20rx%3D%2213%22%20ry%3D%2269%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জাতীয় পাখি দোয়েল
বাংলাদেশ থাকেন অথচ দোয়েল পাখির নাম শুনেননি এরকম বললে মহাপাপ হবে। দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, দুই টাকার নোটেও রয়েছে দোয়েল পাখির ছবি, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ”সাউথ এশিয়ান গেমস ” এর মাসকটও ছিল দোয়েল, রাজধানী ঢাকাতে রয়েছে দোয়েল চত্বর, প্রকৃতিপ্রেমী কবি জীবনানন্দ দাশ তার বিখ্যাত “বাংলার মুখ” কবিতায় তুলে এনেছেন দোয়েলের কথা ”অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছেচেয়ে দেখি ছাতার মতো ব্ড় পাতাটির নিচে বসে আছে ভোরের দোয়েলপাখি –”, এমনকি লোকগাথার মধ্যেও দোয়েল আছে। চারিদিকে দোয়েলের যেন সমাচার। দোয়েল নিয়ে বাংলাদেশের যশোরে প্রচলিত একটি গল্প আছে- এক দেশে কুচকুচে কালো এক দধিয়াল বাস করত। তার মতো সাদা দই আর…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(8.03906)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239fc281%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(58.11108%20-38.38413%2020.2449%2030.64946%2095.6%2045.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-131.69084%208.77733%20-2.55973%20-38.405%2052.6%20231)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-33.2%2039%2011.6)%20scale(112.99184%2020.37634)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2279%22%20cy%3D%22255%22%20rx%3D%2268%22%20ry%3D%2268%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আরিফ আজাদের রচনা চুরি ও অজ্ঞতা এবং বিবর্তন তত্ত্ব বিরোধী দাবিসমূহ খন্ডন
শুরুতেই বলে রাখি, আমার এ লেখায় হারুন ইয়াহিয়া ও আরিফ আজাদের বই দুটোর কেবল বিবর্তন তত্ত্ব সংক্রান্ত অংশ নিয়েই সমালোচনা। আর শেষে থাকবে ন্যাচারাল সায়েন্সের সঠিক সংজ্ঞা। বই দুটির বাকি অংশে কি আছে না আছে সেগুলি এই প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয় নয়। “চন্দ্ররেণুবৃত্তি” একটি সংস্কৃত শব্দ। যার বাংলা অর্থ ‘রচনা চুরি‘, ইংরেজিতে যেটাকে বলে ”Plagiarism” । যারা এ কাজ করে, তাদের ভদ্রভাবে বলা যায় ‘কুম্ভিলক’। আরিফ আজাদকে অনেক আগে জনপ্রিয় বুদ্ধিজীবীদের চন্দ্ররেণুবৃত্তি(!) নিয়ে বেশ সোচ্চার হয়ে কথা বলতে দেখেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে নিজেই সেরকম কাজে লেগে গেলেন। যাইহোক, সেটা অন্য আলোচনা। ভদ্রলোকের বই পড়ে যতোটুকু বুঝলাম,…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235c5c5c%22%20cx%3D%22127%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%2242%22%20ry%3D%2233%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231d1d1d%22%20cx%3D%22217%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%2251%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231d1d1d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-48.003%20-4.91405%2015.85128%20-154.84357%2040.4%2040)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23414141%22%20d%3D%22M136.1%2037.3l8%2070L87.7%2095l-7-17.4z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নক্ষত্রমন্ডলীর নামকরণ ও পৌরাণিক উপাখ্যান️
Perhaps they are not stars in the sky, but rather openings where our loved ones shine down to let us know they are happy. Eskimo Legend সন্ধ্যার খোলা আকাশ আমার বরাবরই পছন্দের ও আগ্রহের দৃশ্য। আমার গ্রামের বাড়িতে আগে সন্ধ্যা হলেই বিদ্যুৎ চলে যেতো। তখন আমি বেশ ছোট। নক্ষত্র নিয়ে আমার তেমন কোনো ধারণা নেই। খসে পড়া নক্ষত্র এ জীবনে অনেকবার দেখা হয়েছে। আমার ছোট্ট মন ভাবতো, এই খসে পড়া নক্ষত্রেরা জোনাকি হয়ে আমাদের পুকুরপাড়ের ঝোপে জোনাকি হয়ে ঘুরে বেরায়। শুনতে কাব্যিক আর নাটকীয় লাগলেও এটা আমার সত্যিকারের উপলব্ধি ছিলো। আজকের মতো আলো দূষণ আমার গ্রামের…
%22%20transform%3D%22translate(1.7%201.7)%20scale(3.41797)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d87395%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-17.33378%2024.36563%20-75.86464%20-53.97033%20133.6%2013)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230c2a3a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(39.4%20108.5%20343.8)%20scale(34.33587%2023.0593)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2347635f%22%20cx%3D%2268%22%20cy%3D%22126%22%20rx%3D%2277%22%20ry%3D%2277%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239d4c00%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(2.73186%2015.03246%20-23.83445%204.33145%20238.4%20117.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর কেন একঘেয়ে ছিলো?
[একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন – ১ম কিস্তি] প্রথম দেখায় একটি গাছ থেকে ঐ গাছের পাতা খাওয়া শুঁয়োপোকা, গাছের বাকল থেকে অঙ্কুরিত ব্যাঙের ছাতা, গুঁড়ির পাশে বর্ধনশীল ঘাস, কিংবা তরু ছায়ায় বসে গল্প করা যুগল – কোন কিছুই দেখতে এক রকম লাগবে না। তবে বাহ্যরূপ ছলনাপূর্ণ হতে পারে। আণুবীক্ষণিক পর্যায়ে বিবর্ধিত করে দেখা হলে এদের কাঠামোগত সাদৃশ্য অবাক করে দেবে। কারণ এরা সকলে একই ধরনের গঠন-শৈলী মেনে চলা কোষ দিয়ে তৈরি। ধারাবাহিকের সূচী: ধারাবাহিকের সূচী: কিস্তি ১. প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর কেন একঘেয়ে ছিলো? কিস্তি ২. সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো? কিস্তি ৩. প্রাককেন্দ্রিক জিনেরা সুকেন্দ্রিক জিনোমে কিভাবে…

ওয়েলভিটসিয়াঃ যে উদ্ভিদ কখনো মরে না
উদ্ভিদ জগতের সবচাইতে দীর্ঘজীবী পাতার সন্ধান মেলবে দক্ষিণ অ্যাংগোলা এবং উত্তর নামিবিয়ার সীমান্তে একটি কর্কশ, রুক্ষ মরুভূমিতে। মরুভূমি চির অসবুজ বলেই আমরা জানি কিন্তু নামিবিয়া মরুভূমি যেখানে কিনা প্রতি বছরে একবার দুই ইঞ্চির থেকে কম বৃষ্টিপাত হয় সেটিই “ওয়েলভিটসিয়া”- এর বাসভূমি। আফ্রিকানদের কাছে উদ্ভিদটি “টুইব্লারকেনিডুড” নামে পরিচিত। এর ভাবার্থ হচ্ছে “দুটি পাতা যা কখনো মারা যায় না”। এই রকম নামের পেছনে কারণ হল এই উদ্ভিদ দুটো পাতা নিয়ে জন্মায় এবং দুটো পাতা নিয়েই বাড়তে থাকে। আর এই বৃদ্ধি সহস্রাব্দ বছর ধরে চলতে পারে। ছবিটি ওয়েলভিটসিয়া মিরাবালিস এর। ওয়েলভিটসিয়া মূলত একটি গণ। লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ…







