
%22%20transform%3D%22translate(1.8%201.8)%20scale(3.67188)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23999%22%20cx%3D%2211%22%20cy%3D%22161%22%20rx%3D%22106%22%20ry%3D%2223%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23232323%22%20cx%3D%22213%22%20cy%3D%22205%22%20rx%3D%2285%22%20ry%3D%2213%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23252525%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.95075%20-.47834%20.44835%2020.57464%2075.5%2092.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23232323%22%20cx%3D%22249%22%20cy%3D%22114%22%20rx%3D%2219%22%20ry%3D%2219%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টম সোরেনসন, বয়স সতেরো। ড. রামচন্দ্রের চেম্বারে ভারাক্রান্ত মনে বসে আছেন। ড. রামচন্দ্রের কাছে আসার কারণ তার হাতে প্রচন্ড ব্যথা, যা কিনা কয়েকমাস আগে দুর্ঘটনায় সে হারায়। এমনকি এই হাত দিয়ে স্পর্শের অনুভূতিও সে পায় স্পষ্ট! মিরাবেল্লা ২৫ বছর বয়সী প্রাণবন্ত নারী। ড. রামচন্দ্রের কাছে এসেছেন টমের মতোই সমস্যা নিয়ে। তবে মিরাবেল্লার জন্ম থেকেই হাত নেই! কিন্তু তার অনুভূত হাত নাকি স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে ছয় থেকে আট ইঞ্চি ছোট। ড. রামচন্দ্র পরীক্ষা করে দেখলেন এই অনুভূতি বাস্তব! ডায়ান ফ্লেচার এক চটপটে, হাসিখুশি মেয়ে কার্বন মনোঅক্সাইডের বিষক্রিয়ায় তিনি নিজের দৃষ্টি শক্তি হারান। অথচ প্রফেসর মিলানের কাছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.28125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.53425%20-29.51273%2090.35612%20-13.88206%2039.8%20172)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a7a7a7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-99.6%20159.2%20-70.3)%20scale(16.43865%2049.88447)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22223%22%20cy%3D%22166%22%20rx%3D%2250%22%20ry%3D%2221%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-71.72668%2010.4638%20-4.35451%20-29.8491%2053.3%20172.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যুদ্ধে গণিতের প্রয়োগ নিয়ে একজন গণিতবিদের বিতৃষ্ণা
(ইংরেজ গণিতবিদ গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডির (৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭ – ১ ডিসেম্বর ১৯৪৭) এই লেখাটি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত সোসাইটি (আর্কিমিডিয়ানস) কর্তৃক প্রকাশিত ইউরেকা, ইস্যু ৩-এ ১৯৪০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়। সংখ্যাতত্ত্বে অসামান্য অবদানের পাশাপাশি জীববিজ্ঞানে হার্ডি–উইনবার্গ নীতির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। তবে সম্ভবত ভারতীয় গণিতবিদ শ্রীনিবাস রামানুজনের গাণিতিক প্রতিভার আবিষ্কার তাঁর জীবনের সবচেয়ে ‘রোমান্টিক’ ঘটনা। আপনারা যারা দ্য ম্যান হো নিউ দ্য ইনফিনিটি শীর্ষক ছবিটি দেখেছেন, তারা এই কথার তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পেরেছেন নিশ্চয়ই। হার্ডি তাঁর কাজকে বিশুদ্ধ গণিত হিসেবে অভিহিত করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন, হয়তো যুদ্ধের প্রতি বিতৃষ্ণা এবং সামরিক ক্ষেত্রে গণিতের ব্যবহারিক প্রয়োগের কারণে।…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffa56d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(126.81634%20183.14606%20-255.2593%20176.74992%20729.3%20106)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001300%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-185.37291%20342.6663%20-213.11349%20-115.28845%20217.5%20717.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23404ab0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-38.7%201316.5%20-1287.8)%20scale(728.85608%20247.31861)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%234951bb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M-42.5%202.5l45%20520%20400-530z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ফার্মি প্যারাডক্স: মহাবিশ্বে বুদ্ধিমান প্রাণের খোঁজে, এবং তারপর..
রাতের আকাশ, মাথার উপরে অনন্ত মহাকাশ, অগণিত নক্ষত্র, দিগ্বিদিক নিরন্তর ছুটে চলা ধুমকেতু, উল্কা ও নিহারীকাসমূহ– এমন রোমাঞ্চকর দৃশ্য প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে মানব মনে উন্মেষ ঘটিয়েছে নানাবিধ প্রশ্ন। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিস্ময়কর সুস্থ মস্তিষ্কও কখনো কখনো আশ্রিত হয়েছে কণ্টকাকীর্ণ কুসংস্কারের। আটকা পড়েছে বিশ্বাস অবিশ্বাসের বেড়াজালে। তবে, সময়ের পরিক্রমায় আধুনিক বিজ্ঞানের অপার মহিমায় মহাকাশের সীমাহীন রহস্য আজ অনেকটাই দৃষ্টিগোচর। আর এই রহস্য উন্মোচনের পথকে সুগম করেছে মহাকাশ গবেষকদের নিরলস গবেষণা, বিজ্ঞানীদের অনবদ্য লেখনশৈলী আর সৃষ্টিশীল বিষয় নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা। তেমনই একটি বিষয় হলো ফার্মি প্যারাডক্স। পূর্বের আর্টিকেল ফার্মি প্যারাডক্সে আমরা কথা বলেছিলাম আমাদের আপন ছায়াপথে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bca79d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1887.87108%20228.4575%20-72.51593%20599.23936%20878.2%2078.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23003350%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(1%20-78194.7%2074008)%20scale(2550%20403.59564)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237b6052%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(665.45054%20121.02447%20-78.92553%20433.9704%201282.2%20971.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23015196%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(458.4528%20642.72712%20-317.53265%20226.49384%20340%201307.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মেগালোডন: এক সমুদ্র দৈত্যের গল্প
লক্ষ লক্ষ বছর আগে আমাদের এই প্রাচীন পৃথিবীকে শাসন করেছে এমন দানবের কথা বলতে গেলে প্রথমেই মনে আসে ডায়নোসরের কথা। কিন্তু তার চেয়েও ভয়ংকর এক মহাদানব দাপিয়ে বেড়িয়েছিলো সারা পৃথিবীর সাগর মহাসাগর। হ্যাঁ, আমাদের বঙ্গোপসাগরও বাদ রাখে নি। যার নাম মেগালোডোন। যার আকার বর্তমান গ্রেট হোয়াইট শার্কের প্রায় তিন গুণ। এরা সর্বোচ্চ ৭০ ফুটের মত পর্যন্ত লম্বা হতো, যেখানে একটি হোয়াইট শার্ক হতে পারে সর্বোচ্চ ২৫ ফুট। এরা এতটাই হিংস্র ছিল যে জন্ম নেওয়ার আগে মায়ের পেটের ভেতরই ভাই বোনদের খাওয়া শুরু করে দিতো। রোমহষর্ক বৈচিত্র্যে ভরপুর এই দানবরা ছিলো সেই সময়ের সর্বোচ্চ স্তরের শিকারী। চলুন,…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-145.2%20222.8%20125.1)%20scale(82.03674%20222.21135)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23717171%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(74.3%2010.2%20219.6)%20scale(105.50259%20161.9153)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-69.55504%2059.67227%20-162.61172%20-189.54306%2026.4%20318)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-60.04841%20-37.52241%2076.07753%20-121.7495%20353.5%20360.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মানসাঙ্কের চমকপ্রদ কৌশল
আপনি যদি ইন্টারনেটে ‘দ্রুততম মানব ক্যালকুলেটর’ লিখে অনুসন্ধান করেন, তবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নীলকন্ঠ ভানু প্রকাশের নামটি সামনে আসবে, যাকে বিবিসি ‘গণিতের উসাইন বোল্ট’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে [১]। তিনি ২০২০ সালের আগস্টে লন্ডনে আয়োজিত মাইন্ড স্পোর্টস অলিম্পিয়াডের (MSO) মেন্টাল ক্যালকুলেশনস ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক অর্জন করেন [২] এবং এসময় তাঁর স্বদেশী ‘মানব কম্পিউটার’ খ্যাত শকুন্তলা দেবীর [৩] রেকর্ড ভাঙেন। বলুন তো তাঁদের এই বিদ্যুৎ গতির গণন ক্ষমতার রহস্য কী? আপনি হয়তো বলবেন যে তাঁরা আবশ্যিকভাবে ঐশ্বরিক প্রতিভার অধিকারী। কিন্তু তাঁদের এই অসামান্য ক্ষমতার সবটুকুই কি ঈশ্বর প্রদত্ত? এর নেপথ্যে কি কোনো গোপন কৌশল নেই? আছে অবশ্যই, আর…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c6671%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.34093%20-44.31386%2072.70069%2012.04342%20136.7%20169)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f1fafb%22%20cy%3D%2226%22%20rx%3D%2289%22%20ry%3D%2289%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffa25a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-117%20133.4%20-68.6)%20scale(79.956%2040.69559)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23eef7f8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-132.1%20101%20-13)%20scale(65.80991%2020.46493)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন চ্যাটবট : ভবিষ্যতের পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়া!
আমাদের চারপাশে খুঁজলে এমন মানুষ হয়তো পাওয়া যাবে না, যারা জীবনে একবার হলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করেনি। বর্তমানে মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ দখল করে রয়েছে ইন্টারনেট। এই ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আমরা গান শোনা, ছবি দেখা থেকে শুরু করে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের খবর পেয়ে যাই খুব দ্রুত এবং স্বল্প খরচে। তাই ইন্টারনেট আমাদের জীবনের একটি আশীর্বাদের মতোই। ইন্টারনেট এর কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে গুগলের কথা। সেখানে বিভিন্ন তথ্য সার্চ করার মাধ্যমে আমরা বিশ্বের খবরাখবর জানতে পারি। গুগলে তথ্য সার্চ করলে সেটি আমাদের অনেকগুলো তথ্যের উৎস প্রদান করে, যেখান থেকে আমরা পরবর্তীতে খুঁজে খুঁজে প্রয়োজনীয় তথ্যটি জেনে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a0a0a0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-111.7086%2013.2813%20-9.06467%20-76.24265%20185.4%20238)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-693.65241%20-11.21049%20.82589%20-51.10198%20486.4%2044.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.05916%20-71.22434%20290.2136%2016.53963%20548.5%20395)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.51827%20-60.26869%20677.98727%2084.57607%20403.9%2023.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীববিজ্ঞানের সুন্দরতম পরীক্ষণ
ডিএনএকে বলা হয় জীবনের নীল নকশা। দ্বিসূত্রক ডিএনএ’তে A,T,C,G এই চারটি অক্ষরে জীবনের যাবতীয় তথ্যাদি ‘লেখা’ থাকে। জীবনের এই তথ্যকে ‘রেসিপির সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যে রেসিপি’ অনুযায়ী তৈরি হয় নানাবিধ প্রোটিন। প্রোটিনের মাধ্যমেই আমাদের চোখের রং, চুলের ধরন থেকে শুরু করে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ, বহিরাগত জীবাণুর মোকাবিলাসহ নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়। যাহোক, জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে বংশগতীয় তথ্যের সঞ্চারণ। এজন্য ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত সকল জীবই কোষ বিভাজনের পূর্বে তার ডিএনএ’র সংখ্যা বাড়াতে হয়। ডিএনএ’র সংখ্যা বাড়ে প্রতিলিপন (Replication) প্রক্রিয়ায়। ডিএনএ’র প্রতিলিপন হয় এটা জানা…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.73438)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2396858b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(47.63707%2025.40903%20-35.2136%2066.01873%20169.8%2033.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23020000%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-8.86507%20-27.91387%2052.88327%20-16.79502%20226.4%20130.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23005f3e%22%20cx%3D%2241%22%20cy%3D%2254%22%20rx%3D%2266%22%20ry%3D%2266%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%230e0000%22%20d%3D%22M98.2-26.3l2.5%2047-108.9%205.6-2.5-47z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পালসার ও ছোট্ট সবুজ এলিয়েন
যদি আপনি ওই পালসারে দাড়াতে পারতেন তাহলে আপনি একবার চোখ ফেললেই দেখতেন দিন হয়ে গেছে আরেকবার চোখ ফেললেই দেখতেন রাত হয়ে গেছে।
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e6edf4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-52.9%20433.8%20-671.1)%20scale(380.94673%20274.92722)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23290f00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(234.63952%20-44.66092%20123.41124%20648.3779%20147%20577.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233d1d0e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-258.18176%20-368.72177%20202.40887%20-141.72822%201344.8%20685)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2391969f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(168.97235%20-66.6439%20464.78954%201178.45097%20806.3%20919.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বইকথনঃ দ্য গড পার্টিকেল
২০২৩ এর বইমেলায় আসে হালিমা-শরফুদ্দিন পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক আব্দুল গাফফারের ‘দ্য গড পার্টিকেল’। বইটি মূলত হিগস বোসন ও তৎসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জরুরি খুঁটিনাটির উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। মৌলিক পদার্থবিজ্ঞানের জরুরি একটি কণাকে কেন্দ্র করে এরকম আস্ত একটা বই লিখে ফেলা চাট্টিখানি কথা নয়। কিন্তু কী ছিল এই বইতে? বই পরিচিতি ‘দ্য গড পার্টিকেল’ বইটি মূলত ৪টি পর্বে বিন্যস্ত। ১ম পর্বের আলোচ্য বিষয়গুলো হলো সবল বল, দুর্বল বল, কাপলিং কন্সট্যান্ট, প্রতিসাম্য, প্যারিটির সংরক্ষণশীলতা এবং টাউ-থিটা পাজলের মতো চমকপ্রদ ব্যাপারগুলো। ২য় পর্বে রয়েছে ভর নিয়ে নানান বিচিত্র তথ্য। ৩য় পর্বে মূলত কিছু অত্যাধুনিক যন্ত্রের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যেগুলো…







