• গাছের মূলে আলু, আর লতায় টমেটো! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারনে একই গাছে দুই ধরনের সবজি ফলানো সম্ভব হয়েছে। চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। পম্যাটো (Pomato) নাম শুনেই নিশ্চই বোঝা যায় এটি আলু এবং টমেটো এর সংমিশ্রণে তৈরি কিছু একটা যেখানে একটি একক গাছ থেকে আপনি দুটি ভিন্ন প্রকারের ফসল (টমেটো এবং আলু) পেতে পারেন। এটি হলো একটি সংকরিত উদ্ভিদ। এটি একটু লতানো জাতীয় উদ্ভিদ। এর লতাতেই মুলত টমেটো এবং মূলে আলু ফলে। এই উদ্ভিদটি কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনের এক চমৎকার উদাহরণ, যা স্থান ও কর্মসংস্থান সাশ্রয় করতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য…

  • আমরা সবাই স্কুলে জীববিজ্ঞানের বইয়ে স্নায়ুকোষের গঠন জেনেছি। যদিও একেক স্নায়ুর আকার-আকৃতি একেক রকম, কিন্তু কিছু বৈশিষ্ট্য সব স্নায়ুতেই দেখা যায়। সব স্নায়ুকোষের বাইরে একটা কোষঝিল্লী থাকে। এদের একটা মূল কোষদেহ থাকে, যেখানে নিউক্লিয়াস বাস করে। স্নায়ু কোষদেহ থেকে ডেনড্রাইট নামে শাখা-প্রশাখা বের হয়, এরাপ্রতিবেশী স্নায়ুকোষ থেকে রাসায়নিক সংকেত বহন করে নিয়ে আসে। সচরাচর স্নায়ুকোষের বেশ কিছু ডেনড্রাইট থাকে। পাশাপাশি কোষ দেহ থেকে বেশ লম্বা, তারের মতো দেখতে আরেকটা শাখা বের হয় যেটাকে অ্যাক্সন বলে। এটা সব স্নায়ুকোষেই দেখা যায়। আমরা জানি যে অ্যাক্সন দিয়েই স্নায়ুকোষটি অন্যান্য স্নায়ুতে সংকেত পাঠিয়ে থাকে। কখনো কখনো এই অ্যাক্সন এতো…

  • শ্রী গণেশায় নমঃ প্রীতিং ভক্তজনস্য যো জনয়তে বিঘ্নং বিনিঘ্নন স্মৃত- স্তং বৃন্দারকবৃন্দ বন্দিত পদং নত্বা মাতঙ্গাননম। পাটীং সদ্‌ গণিতস্য, বচমি চতুরপ্রীতিপ্রদাং প্রস্ফুটাং সংক্ষিপ্তাক্ষর কোমলামলপ টঙ্গেলালিত্য লীলাবতীম।। নমস্কাররের মাধ্যমে লীলাবতীর গৌড়চন্দ্রিকা। তনয়া লীলাবতীর সাথে ভাস্করাচার্যের শ্লোকাচ্ছলে কথোপকথনের অনবদ্য আখ্যান ‘লীলাবতী’। পাটিগণিতে রয়েছে এর অসামান্য অবদান। আলোচ্য নিবন্ধে ‘লীলাবতী’ গ্রন্থ থেকে সবক্‌ বা লীলাবতী গুণন এবং বর্গ নির্ণয়ের কৌশল আলোচনা করা হয়েছে।

  • বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্যশস্য চাল এবং দেশের মোট আবাদি জমির প্রায় ৭৫ শতাংশেই ফলানো হয় ধান। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধান চাষের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু, আশেপাশের কোনো এক ধান চাষির জীবন পর্যবেক্ষণ করুন। দেখবেন অনেক স্বপ্ন, আশা-প্রত্যাশা নিয়ে সার, বীজ, কীটনাশকের উচ্চমূল্য দিয়ে, কৃষি উপকরণ ও কৃষি শ্রমিকের অভাবসহ, ঋণের বোঝা নিয়ে কৃষক ধান চাষ করেন। পরবর্তীতে মাঝারি ব্যবসায়ীদের শোষণ, নিম্ন দাম ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার অভাবের কারণে তার সেই আশা হতাশায় রূপান্তরিত হয়। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (IFPRI) এর এক গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রধান খাদ্যশস্য হওয়া সত্ত্বেও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারছে না…

  • সময়টা ২০১৭ সালের ২১মার্চ। ‘মেইল অনলাইন’ নামক একটি অনলাইন পত্রিকায় ছাপা হয় এক বিস্ময়কর খবর। খবরের শিরোনাম ছিল যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। ❝১২০০০ বছর আগের একটি ভিনগ্রহের কৃত্রিম উপগ্রহ, যেটি মানুষের উপর গোয়ান্দাগিরির জন্য তৈরি করা হয়েছিল সেটি ইলুমিনাতি এবং ইউএফও বিশেষজ্ঞ’র দক্ষ সৈনিকদের দ্বারা ধ্বংস করা হতে পারে।❞ আর এই শিরোনামের মাধ্যমেই আবার আলোচনায় আসে “ব্ল্যাক নাইট স্যাটেলাইট” নামে এক ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। ‘ব্ল্যাক নাইট স্যাটেলাইট’ সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে এটি একটি রহস্যময় উপগ্রহ যা পৃথিবীর মেরু কক্ষপথের কাছে পরিভ্রমণ করছে! এটি নিম্ন কক্ষপথের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। কিছু ষড়যন্ত্র-মতবাদ প্রবক্তারা দাবি করেন যে, এটি একটি বহির্জাগতিক বস্তু যার বয়স…

  • ধরা যাক, আপনি কোনো নির্জন পাহাড়ের লাল ইটের সিড়িতে বসে আছেন। চারদিকে শুধু ঝিঁ ঝিঁ পোকার আওয়াজ। সিঁড়িতে ছোট ছোট হলুদ রংয়ের ফুল পড়ে আছে। আর আপনি প্রশান্ত মনে একদম একা একা বসে চা খাচ্ছেন। আর প্রকৃতি উপভোগ করছেন। একই সময় আপনি আবার মহা ব্যস্ত সময় পার করছেন আপনার পড়ার টেবিলে। সামনে আপনার পরীক্ষা। আপনি মনোযোগের সাথে গনিতের প্রশ্ন সমাধান করছেন। আপনি একজন, অথচ একই সময়ে আপনি দুই জায়গায় দুই ভাবে অবস্থান করছেন। এটা কি সম্ভব! না কি নিছক কল্পনা মাত্র। না কি বলবেন এটা কোনো ক্লান্ত মস্তিষ্কের অবচেতন মনে কোনো সুন্দর, প্রশান্তিকর সময়ের আকাঙ্ক্ষা। যদি…

  • মানবদেহের গড়ন অবিশ্বাস্যরকম জটিল। সাম্প্রতিক তথ্যমতে, আমাদের দেহ ষাট ধরনের টিস্যুর চার শ রকমের কোষ নিয়ে গঠিত। বিজ্ঞান আমাদের শরীর সম্বন্ধে বিশদে জানার দুয়ার খুলে দিয়েছে। বড় বড় রোগ থেকে সেরে উঠা এখন মামুলি ব্যাপার। এমনকি এই জটিল রহস্যময় শরীরের বিবর্তন বোঝাও সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। কিন্তু এখনও রহস্যের ডেরা এই শরীরের অনেক কিছুই অজানা রয়ে গেছে। সেকমই এক রহস্য হল নারীর মেনোপজ তথা রজোনিবৃত্তি হওয়া। বয়স পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছুলে সব নারীরই ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যায়। এসময় স্ত্রী দেহে ডিম্বাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া থেমে যায়। সন্তানধারণ আর সম্ভব হয় না। আমাদের চোখে এটা সম্পূর্ণই স্বাভাবিক একটা প্রাকৃতিক…

  • দুটো সিংহী বুঝে গিয়েছে যে আশেপাশেই ছোট্ট একটা বাচ্চা জেব্রা লুকিয়ে বসে আছে। ওরা বিনোদনের জন্য শিকার করে না। এই শিকারই হবে তাদের পেটের খোরাক। কিন্তু সিংহীরা এক নিমিষেই শিকারকে হত্যা করে না, বরং কিছুটা সময় নেই। এদের কোনো তাড়াহুড়ো নেই। তারা ঐ ছোট্ট জেব্রাকে যত্ন করছে। কিন্তু বাচ্চাটা জানে না যে কী হতে চলেছে, তবে আন্দাজ করতে পারছে যে এখানে থাকাটা মোটেও ভালো হবে না। তাই এদিক-সেদিক না তাকিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। যদি সিংহীর তেমন ক্ষুধা না লাগে, তাহলে এই যাত্রায় পালাতে সক্ষম হবে। আবার সিংহীর চাহিদার উপর ভিত্তি করে উলটো ঘটনাও ঘটতে পারে। এভাবেই…

  • “আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থানরত তরুণ বিজ্ঞানী জন হার্শেল এক বিস্ময়কর আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। অসাধারণ এক টেলিস্কোপের সাহায্যে চাঁদের বুকে খুঁজে পেয়েছেন নানান প্রাণী, সতেজ গাছপালা, নীল সমুদ্রের ম্লান ঢেউ। পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের প্রশ্ন, এরই মাধ্যমে চিরসমাপ্তি হলো।” ১৮৩৫ সাল। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। আজ থেকে ১৮৮ বছর পূর্বে, দ্য নিউ ইয়র্ক সান পত্রিকার একটি আর্টিকেলের শুরুটা হয়েছিলো অনেকটা এভাবেই। ২৫ আগস্টের পর থেকে সিরিজ আকারে প্রকাশিত হয় এই লেখা। যেখানে বলা হয়– পুরোধা জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্যার জন হার্শেল চাঁদের বুকে খুঁজে পেয়েছেন বৈচিত্র্যময় প্রাণের সন্ধান। আলো ঝলমলে রূপালী চাঁদ নাকি শোরগোলে মেতে উঠেছে অদ্ভুতুড়ে প্রাণীদের কোলাহলে! কী আছে…