
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e0e0ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-33.9987%20-179.933%20239.78902%20-45.3086%20963.2%20664.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233b3d5b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(465.81449%20-43.57756%2018.23433%20194.91263%20200.8%20671.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f96%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(30.4%20-203.8%20308.2)%20scale(270.14027%20163.94161)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2361761e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.3995%20-125.22779%20332.73462%20-102.0288%201186.7%20225.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্যশস্য চাল এবং দেশের মোট আবাদি জমির প্রায় ৭৫ শতাংশেই ফলানো হয় ধান। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধান চাষের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু, আশেপাশের কোনো এক ধান চাষির জীবন পর্যবেক্ষণ করুন। দেখবেন অনেক স্বপ্ন, আশা-প্রত্যাশা নিয়ে সার, বীজ, কীটনাশকের উচ্চমূল্য দিয়ে, কৃষি উপকরণ ও কৃষি শ্রমিকের অভাবসহ, ঋণের বোঝা নিয়ে কৃষক ধান চাষ করেন। পরবর্তীতে মাঝারি ব্যবসায়ীদের শোষণ, নিম্ন দাম ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার অভাবের কারণে তার সেই আশা হতাশায় রূপান্তরিত হয়। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (IFPRI) এর এক গবেষণায় উঠে এসেছে, প্রধান খাদ্যশস্য হওয়া সত্ত্বেও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারছে না…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(2.74325%20164.70992%20-697.16894%2011.61137%20460.3%205.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fffffc%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-567.30193%202.97041%20-.59875%20-114.35156%20308.8%20317.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.08685%20-88.39574%20419.24507%2014.64036%20501.4%2029)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffffe1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.49304%20-82.72193%20331.54364%20-18.00777%20194.6%20349.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ব্ল্যাক নাইট স্যাটেলাইটঃ রহস্যময় এক মহাজাগতিক বস্তু
সময়টা ২০১৭ সালের ২১মার্চ। ‘মেইল অনলাইন’ নামক একটি অনলাইন পত্রিকায় ছাপা হয় এক বিস্ময়কর খবর। খবরের শিরোনাম ছিল যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। ❝১২০০০ বছর আগের একটি ভিনগ্রহের কৃত্রিম উপগ্রহ, যেটি মানুষের উপর গোয়ান্দাগিরির জন্য তৈরি করা হয়েছিল সেটি ইলুমিনাতি এবং ইউএফও বিশেষজ্ঞ’র দক্ষ সৈনিকদের দ্বারা ধ্বংস করা হতে পারে।❞ আর এই শিরোনামের মাধ্যমেই আবার আলোচনায় আসে “ব্ল্যাক নাইট স্যাটেলাইট” নামে এক ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। ‘ব্ল্যাক নাইট স্যাটেলাইট’ সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে এটি একটি রহস্যময় উপগ্রহ যা পৃথিবীর মেরু কক্ষপথের কাছে পরিভ্রমণ করছে! এটি নিম্ন কক্ষপথের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। কিছু ষড়যন্ত্র-মতবাদ প্রবক্তারা দাবি করেন যে, এটি একটি বহির্জাগতিক বস্তু যার বয়স…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23e58b5a%22%20d%3D%22M238%20151l-254-21%20135%20108z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23213446%22%20cx%3D%2241%22%20cy%3D%222%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2285%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%230c1e6d%22%20d%3D%22M159.1%20243.4l113-79.2%2036.8%2052.4-113%2079.2z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23142777%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-75.8095%20-58.28646%2024.56862%20-31.95485%2016%20238.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিমূর্ত মাইক্রোডাইমেনশন
ধরা যাক, আপনি কোনো নির্জন পাহাড়ের লাল ইটের সিড়িতে বসে আছেন। চারদিকে শুধু ঝিঁ ঝিঁ পোকার আওয়াজ। সিঁড়িতে ছোট ছোট হলুদ রংয়ের ফুল পড়ে আছে। আর আপনি প্রশান্ত মনে একদম একা একা বসে চা খাচ্ছেন। আর প্রকৃতি উপভোগ করছেন। একই সময় আপনি আবার মহা ব্যস্ত সময় পার করছেন আপনার পড়ার টেবিলে। সামনে আপনার পরীক্ষা। আপনি মনোযোগের সাথে গনিতের প্রশ্ন সমাধান করছেন। আপনি একজন, অথচ একই সময়ে আপনি দুই জায়গায় দুই ভাবে অবস্থান করছেন। এটা কি সম্ভব! না কি নিছক কল্পনা মাত্র। না কি বলবেন এটা কোনো ক্লান্ত মস্তিষ্কের অবচেতন মনে কোনো সুন্দর, প্রশান্তিকর সময়ের আকাঙ্ক্ষা। যদি…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.5039)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000409%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-22.15391%20120.7805%20-64.00416%20-11.73983%20194.1%2029)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d1bfb3%22%20cx%3D%2242%22%20cy%3D%22218%22%20rx%3D%2296%22%20ry%3D%2296%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3e8e8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(20.96957%20-40.4544%2036.7216%2019.03467%20248.5%20223.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c15b59%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-42.39749%20-153.7507%2039.83033%20-10.9834%20111.4%20132)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নারীর কেন রজোনিবৃত্তি হয়?
মানবদেহের গড়ন অবিশ্বাস্যরকম জটিল। সাম্প্রতিক তথ্যমতে, আমাদের দেহ ষাট ধরনের টিস্যুর চার শ রকমের কোষ নিয়ে গঠিত। বিজ্ঞান আমাদের শরীর সম্বন্ধে বিশদে জানার দুয়ার খুলে দিয়েছে। বড় বড় রোগ থেকে সেরে উঠা এখন মামুলি ব্যাপার। এমনকি এই জটিল রহস্যময় শরীরের বিবর্তন বোঝাও সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। কিন্তু এখনও রহস্যের ডেরা এই শরীরের অনেক কিছুই অজানা রয়ে গেছে। সেকমই এক রহস্য হল নারীর মেনোপজ তথা রজোনিবৃত্তি হওয়া। বয়স পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছুলে সব নারীরই ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যায়। এসময় স্ত্রী দেহে ডিম্বাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া থেমে যায়। সন্তানধারণ আর সম্ভব হয় না। আমাদের চোখে এটা সম্পূর্ণই স্বাভাবিক একটা প্রাকৃতিক…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffa354%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(179.95553%20-215.2244%20256.40205%20214.3854%20570.5%20438.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23830000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-.3%20157608.5%20-91913.6)%20scale(1020%2099.81421)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e450f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-23.53071%20137.66034%20-264.64971%20-45.2374%202.1%20381.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d5c857%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(161.24433%2075.53236%20-53.57304%20114.36619%20519.7%20470)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সাভানার গল্প
দুটো সিংহী বুঝে গিয়েছে যে আশেপাশেই ছোট্ট একটা বাচ্চা জেব্রা লুকিয়ে বসে আছে। ওরা বিনোদনের জন্য শিকার করে না। এই শিকারই হবে তাদের পেটের খোরাক। কিন্তু সিংহীরা এক নিমিষেই শিকারকে হত্যা করে না, বরং কিছুটা সময় নেই। এদের কোনো তাড়াহুড়ো নেই। তারা ঐ ছোট্ট জেব্রাকে যত্ন করছে। কিন্তু বাচ্চাটা জানে না যে কী হতে চলেছে, তবে আন্দাজ করতে পারছে যে এখানে থাকাটা মোটেও ভালো হবে না। তাই এদিক-সেদিক না তাকিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। যদি সিংহীর তেমন ক্ষুধা না লাগে, তাহলে এই যাত্রায় পালাতে সক্ষম হবে। আবার সিংহীর চাহিদার উপর ভিত্তি করে উলটো ঘটনাও ঘটতে পারে। এভাবেই…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234f4f4f%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2291%22%20rx%3D%2297%22%20ry%3D%2297%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bbb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.44468%20161.31257%20-51.53988%2012.6027%20106.4%2070)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b8b8b8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-101.9%2044.6%20.5)%20scale(31.27513%2069.52077)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238f8f8f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(76%2025.3%20171.6)%20scale(67.91648%2025.42697)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চাঁদের মাটিতে প্রাণ: বিজ্ঞানের এক আজগুবি গল্পের রহস্য সমাধান
“আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থানরত তরুণ বিজ্ঞানী জন হার্শেল এক বিস্ময়কর আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। অসাধারণ এক টেলিস্কোপের সাহায্যে চাঁদের বুকে খুঁজে পেয়েছেন নানান প্রাণী, সতেজ গাছপালা, নীল সমুদ্রের ম্লান ঢেউ। পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের প্রশ্ন, এরই মাধ্যমে চিরসমাপ্তি হলো।” ১৮৩৫ সাল। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। আজ থেকে ১৮৮ বছর পূর্বে, দ্য নিউ ইয়র্ক সান পত্রিকার একটি আর্টিকেলের শুরুটা হয়েছিলো অনেকটা এভাবেই। ২৫ আগস্টের পর থেকে সিরিজ আকারে প্রকাশিত হয় এই লেখা। যেখানে বলা হয়– পুরোধা জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্যার জন হার্শেল চাঁদের বুকে খুঁজে পেয়েছেন বৈচিত্র্যময় প্রাণের সন্ধান। আলো ঝলমলে রূপালী চাঁদ নাকি শোরগোলে মেতে উঠেছে অদ্ভুতুড়ে প্রাণীদের কোলাহলে! কী আছে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23939393%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(68.35155%20194.09476%20-252.73738%2089.00288%20498%20397.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-298.3922%2039.93235%20-85.72837%20-640.6004%201095%20180)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-14.9%201479.6%20121.6)%20scale(182.35423%201155.46875)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236d6d6d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-92.08232%20-171.18029%20131.54366%20-70.76075%20509.7%20520)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভ্যাম্পায়ার: রহস্যময়তার অন্তরালে বৈজ্ঞানিক ঘটনা
গভীর রাত। চারিধারে থমথমে পরিবেশ। বাতাসে বইছে রক্তচোষা বীভৎস লাশের গন্ধ। এমন ভয়ংকর পরিবেশে এই তল্লাটের সবাই নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে। এ সময় অশরীরী কেউ কেউ অতি সন্তর্পণে বেরিয়ে আসছে অন্ধকার শ্মশান, পরিত্যক্ত ভবন ও জামতলার গা ছমছমে ঘন ঝোপের আড়াল থেকে। পূর্ণিমার ঝলমলে রূপালী রাতে সতর্ক ভঙ্গিতে খাবারের খোঁজ করছে তারা। কী খাবার? তরতাজা ফুটন্ত রক্ত! কখনো রূপসী নারীর অবয়বে, কখনো আবার সুদর্শন যুবকের বেশ ধরে তারা ঘুরে-ফিরে। সুযোগ পেলেই ফাঁকা ঘরে আলতো করে ঢুকে পড়ে। ভাব জমায়, মেতে উঠে অন্তরঙ্গ কামলীলায়। অতঃপর, ঘাড় মটকে টগবগে উষ্ণ রক্তে নিজেদের তৃষ্ণা মেটায়। তাদের পরিচয়– রক্তচোষার দল, ভ্যাম্পায়ার! কারা তারা?…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23929493%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.84025%20177.48657%20-315.04762%2028.11725%20545%20265)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23010302%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1006.31001%20-166.55379%2028.2843%20-170.8924%20445.4%20979.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23826870%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(96.88738%2060.77734%20-185.8642%20296.29292%20736.5%20604.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23080a09%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-118.28278%20-8.0854%2069.10397%20-1010.9354%2028.3%20419.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভাইরাস: আণুবীক্ষণিক এটম বোমা
আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে এমন কী আছে, যেটা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এটম বোমার চেয়েও বিধ্বংসী; তাহলে আমি চোখ বন্ধ করে এই ধাঁধার উত্তর দিবো, ‘ভাইরাস’। হালের করোনা অতিমারী (সার্স-কোভ-২) সেটা ভালো মতোই বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে। অণুজীবজগতের সবচেয়ে বিষ্ময়কর বস্তু হলো ভাইরাস। আজ পর্যন্ত গবেষকেরা ভাইরাসের জটিলতাকে সম্পূর্ণরূপে সমাধান করতে পারেননি। তবে এরা শুধু অপকারই করে না, উপকারও আসে। ভাইরাস বড়ই রহস্যময় স্বত্ত্বা! ভাইরাস কী? নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রিউ লৌফ বলেছিলেন, “A virus is a virus. It is neither a living organism nor a non-living chemical, but something between and betwixt.” যেটার মানে দাঁড়ায়,…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239cd8bd%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-194.16793%20195.52823%20-377.43572%20-374.80988%20162.2%20476)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23220006%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-82.4%20442.2%20-374)%20scale(200.08008%20443.13334)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23003416%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(468.20635%20-213.20118%2082.09487%20180.28671%20858.9%201010.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b88a8a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-176.87863%20-167.85155%20135.43358%20-142.71722%20149%20261)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সম্ভাবনাময় অতীত
পর্ব-১: সম্ভাবনার অ-আ ক-খ আচ্ছা, অতীতকে কি নিয়ন্ত্রণ করা যায়? রাতেরবেলা আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা গুনতে গুনতে কখনো কি হঠাৎ মনে ইচ্ছা জাগে, ইশ! যদি নিজের অতীতটাকে একটু ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারতাম? যদি মনে হয়, তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্য। [বি:দ্র: এই লেখাটা সম্ভাবনা নিয়ে লেখা। এখানে আমি দেখাতে চেষ্টা করব, আপনি আপনার অতীতের কোন একটা কাজে সফল হওয়ার সম্ভাবনা পরিবর্তন করতে পারেন] এই লেখাটা কয়েকটা পর্বে ভাগ করতে হচ্ছে যাতে লিখতে ও পড়তে সুবিধা হয়। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক। আচ্ছা, সম্ভাবনা কি? আমরা যে বলি, কাল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, এটা বলতেই বা আমরা…







