
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23d9d9d9%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M2011.1-143l16.4%20468.5-812%2028.4-16.4-468.5z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23171717%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(508.17843%20117.8017%20-68.47605%20295.39515%201941.9%20840.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c4c4c4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(363.0227%209.74635%20-6.48832%20241.67093%20175.2%20724.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23464646%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-669.84193%20-195.9559%2076.3115%20-260.85787%20296.1%2056.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর এবং জার্মান চিকিৎসক রবার্ট কখ- অণুজীববিদ্যার দুই বড়ো স্তম্ভ। বিদ্যাজগত এবং জনপরিসরে প্রচলিত বিভিন্ন কুসংস্কার,অপবিজ্ঞান আর অলৌকিক চিন্তাভাবনার জাল ভেদ করে উনিশ শতকের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো রোগের জীবাণুতত্ত্ব (Germ theory of disease)। এর অর্থ, রোগ কোনো অলৌকিক অরিশক্তির প্রভাবে ঘটে না, ঘটে না কোনো অশুভ বায়ুর প্রভাবে; রোগের কারণ খালি চোখে দেখা যায় না এমন সব প্রাণ। চিকিৎসাশাস্ত্রে এ ছিলো এক ‘প্যারাডাইম শিফট’! আজকে আমরা যে আধুনিক ওষুধপত্র, অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন ব্যবহার করি, তা মূলত এই জীবাণুতত্ত্বেরই প্রয়োগ। পাস্তুর এবং কখ—দু’জনে ছিলেন এই অভিযাত্রার সামনের সারিতে। আমরা শুরু করবো উনিশ শতকের গোড়া…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23539ee5%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(74.3%2031.1%20514.1)%20scale(163.44426%20396.11975)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a08a72%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(22.2%20-1675%20763)%20scale(549.07352%20148.53669)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23003473%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-5.9%20828.7%20-2993.4)%20scale(1020%20129.26163)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23503f30%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M496%20423.2l474.3%20182L860%20892.9l-474.2-182z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্নায়ু কেন আনাড়ি
মস্তিষ্ক কি স্নায়ু নিয়ে জুয়া খেলে? স্নায়ুকে কি বিদ্যুৎ পরিবাহী তামার তারের সাথে তুলনা করা যায়?
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004a2c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-35.83222%20-19.6797%2037.59591%20-68.45351%20374.4%20178.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d5bca8%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(175.8%2099.6%2070.4)%20scale(108.76479%2087.92655)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c7f94%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-102.54253%20388.1079%20-50.38259%20-13.31165%2026.3%20108.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e5b950%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(108.9%20192.8%20138.5)%20scale(66.94151%2066.80148)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যেভাবে বাড়তে পারে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা
টেস্টোস্টেরনের নাম তো নিশ্চয়ই শুনেছেন, তাই না? নাও শুনে থাকতে পারেন। এটা এক ধরণের সেক্স হরমোন, যা পুরুষের দেহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এবং নারীর দেহে সামান্য থাকে। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক পুরুষের যৌন বিকাশ এবং কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগের ঝুঁকি হ্রাস থেকে শুরু করে দাঁড়ি-গোঁফ উঠার সাথেও এই হরমোনের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে এই হরমোন উৎপাদন ও নিঃসরণের মাত্রা কম হতে পারে। আর এর ফলে যৌনসুখ কিংবা যৌন উদ্দীপনা হ্রাস পায়। এছাড়াও বিষণ্ণতা, ক্লান্তি, বিরক্তি, ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (যৌন উদ্দীপনার ফলে যথাযথভাবে লিঙ্গোত্থান না ঘটা) ইত্যাদি সমস্যাও হতে পারে। তাহল এখন উপায় কী? ব্যায়াম এবং ভার…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c2647b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(138.3%2057.8%2051.9)%20scale(79.29418%2055.70082)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2306271e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-6.63161%20-172.62576%2028.75666%20-1.10472%2026.8%20102.2)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23103228%22%20d%3D%22M223.5%2083.9l-24.2-97L258.5-28l24.2%2097z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c6887c%22%20cx%3D%22132%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2237%22%20ry%3D%2233%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
দ্বিতীয় মহাবিস্ফোরণ এবং ডার্ক ম্যাটার সৃষ্টি
সম্প্রতি একদল গবেষক ‘প্রচলিত’ বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অপর একটি বিস্ফোরণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং নামে এক বিকট মহাজাগতিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে যে আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সূচনা, তা বোধ করি আপনি পদার্থবিদ্যার ছাত্র না হলেও শুনে থাকবেন। ১৯২৯ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিদ এডউইন হাবল ছায়াপথের দূরত্বের সাথে পশ্চাদপসরণ বেগের সম্পর্ক নির্ণয় করতে গিয়ে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পৃথিবী থেকে যে ছায়াপথ যত দূরে, সে ছায়াপথের পশ্চাদপসরণ বেগ তত বেশি। সহজ করে যদি বলি, দূরবর্তী ছায়াপথগুলো আরও দ্রুতবেগে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এর বছর দুয়েক আগে বেলজিয়ামের মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ ও ক্যাথোলিক…

প্রাণ সৃষ্টির উপাখ্যানঃ কোনটা আগে এলো, প্রোটিন নাকি আরএনএ?
প্রতিটি জীব কোষ দিয়ে তৈরি। তাই কোষকে বলা হয় প্রাণের গাঠনিক একক। এই কোষের ভেতর প্রতিনিয়ত চলতে থাকে নানা রকম ক্রিয়া-বিক্রিয়া। তাই কোষকে বলা হয় রাসায়নিক থলি। কোষ জীবিত থাকে এইসব রাসায়নিক ক্রিয়ার সম্মিলিত কারণেই। আর প্রাণরসায়নের মূল আলোচ্য বিষয়ই হচ্ছে জীবদেহে ঘটে চলা এসব রাসায়নিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া। সুতরাং পৃথিবীতে যখন বেজে ওঠে প্রথম প্রাণের স্পন্দন তখনই প্রাণরসায়নের যাত্রা শুরু। প্রথম প্রাণের স্পন্দন মানে প্রথম সেই সরল আদিকোষ যেটি থেকে পৃথিবীর প্রাণবৈচিত্র্য শুরু। পৃথিবীতে কি করে প্রাণ সৃষ্টি হলো এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। প্রচলিত আছে নানা হাইপোথিসিস। আপনার চারপাশে যত বৈচিত্র্যের প্রাণ (গাছপালা, মানুষ, ব্যাকটেরিয়া এমনকি…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23adafa2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-48.92209%20-4.1081%203.55706%20-42.35993%20118.5%2064.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23101500%22%20cx%3D%22113%22%20cy%3D%22129%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e0442%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2245%22%20rx%3D%2273%22%20ry%3D%2273%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e053e%22%20cx%3D%2223%22%20cy%3D%2238%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2284%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কার্ল জানস্কি- জ্যোতির্বিজ্ঞানের শার্লক হোমস
টেলিফোনের নয়েজ দূর করতে যেয়ে কার্ল জানস্কি আবিষ্কার করলেন মিল্কিওয়ের কেন্দ্রের অদেখা জায়গাকে।

পম্যাটো: একই গাছে আলু আর টমেটো
গাছের মূলে আলু, আর লতায় টমেটো! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারনে একই গাছে দুই ধরনের সবজি ফলানো সম্ভব হয়েছে। চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। পম্যাটো (Pomato) নাম শুনেই নিশ্চই বোঝা যায় এটি আলু এবং টমেটো এর সংমিশ্রণে তৈরি কিছু একটা যেখানে একটি একক গাছ থেকে আপনি দুটি ভিন্ন প্রকারের ফসল (টমেটো এবং আলু) পেতে পারেন। এটি হলো একটি সংকরিত উদ্ভিদ। এটি একটু লতানো জাতীয় উদ্ভিদ। এর লতাতেই মুলত টমেটো এবং মূলে আলু ফলে। এই উদ্ভিদটি কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনের এক চমৎকার উদাহরণ, যা স্থান ও কর্মসংস্থান সাশ্রয় করতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য…
%22%20transform%3D%22translate(8.6%208.6)%20scale(17.1875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f9e9de%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-74.0804%209.87934%20-5.85835%20-43.92893%20124.3%2065)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000003%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(102.8%2072.2%20147.6)%20scale(255%2031.277)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000107%22%20cx%3D%2212%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%2224%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e57d2d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(3.8%20-146.7%202127)%20scale(59.79778%2033.16583)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্নায়ু আসলে কীভাবে কাজ করে?
আমরা সবাই স্কুলে জীববিজ্ঞানের বইয়ে স্নায়ুকোষের গঠন জেনেছি। যদিও একেক স্নায়ুর আকার-আকৃতি একেক রকম, কিন্তু কিছু বৈশিষ্ট্য সব স্নায়ুতেই দেখা যায়। সব স্নায়ুকোষের বাইরে একটা কোষঝিল্লী থাকে। এদের একটা মূল কোষদেহ থাকে, যেখানে নিউক্লিয়াস বাস করে। স্নায়ু কোষদেহ থেকে ডেনড্রাইট নামে শাখা-প্রশাখা বের হয়, এরাপ্রতিবেশী স্নায়ুকোষ থেকে রাসায়নিক সংকেত বহন করে নিয়ে আসে। সচরাচর স্নায়ুকোষের বেশ কিছু ডেনড্রাইট থাকে। পাশাপাশি কোষ দেহ থেকে বেশ লম্বা, তারের মতো দেখতে আরেকটা শাখা বের হয় যেটাকে অ্যাক্সন বলে। এটা সব স্নায়ুকোষেই দেখা যায়। আমরা জানি যে অ্যাক্সন দিয়েই স্নায়ুকোষটি অন্যান্য স্নায়ুতে সংকেত পাঠিয়ে থাকে। কখনো কখনো এই অ্যাক্সন এতো…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23ea913f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M274%2081L-34.4%20462.6l585.8%2026.6z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236494ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(104.9905%20-26.72676%2071.14206%20279.4668%20485.3%2043.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2348cbe0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(17.8%20-366%20226)%20scale(102.26059%20163.67067)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bbe6ed%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(95.7%20184.4%20169.3)%20scale(72.64248%20229.14585)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভাস্করাচার্য ও গণিতের অমর কীর্তি ‘লীলাবতী’
শ্রী গণেশায় নমঃ প্রীতিং ভক্তজনস্য যো জনয়তে বিঘ্নং বিনিঘ্নন স্মৃত- স্তং বৃন্দারকবৃন্দ বন্দিত পদং নত্বা মাতঙ্গাননম। পাটীং সদ্ গণিতস্য, বচমি চতুরপ্রীতিপ্রদাং প্রস্ফুটাং সংক্ষিপ্তাক্ষর কোমলামলপ টঙ্গেলালিত্য লীলাবতীম।। নমস্কাররের মাধ্যমে লীলাবতীর গৌড়চন্দ্রিকা। তনয়া লীলাবতীর সাথে ভাস্করাচার্যের শ্লোকাচ্ছলে কথোপকথনের অনবদ্য আখ্যান ‘লীলাবতী’। পাটিগণিতে রয়েছে এর অসামান্য অবদান। আলোচ্য নিবন্ধে ‘লীলাবতী’ গ্রন্থ থেকে সবক্ বা লীলাবতী গুণন এবং বর্গ নির্ণয়ের কৌশল আলোচনা করা হয়েছে।







