
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23890a38%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-93.06762%20201.41678%20-341.53829%20-157.81284%201779.3%20176.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23757d5d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(418.70772%20-505.2705%20267.44235%20221.62421%201104.6%204)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236c7273%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(243.1933%20-15.51747%2026.55066%20416.10799%20639%20904.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236d7374%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-5.6%2011178.4%20-12391.4)%20scale(444.67789%20202.65757)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পনেরো বছর আগের কথা। এক কেজি ইলিশের দাম ছিল প্রায় ৬৫০ টাকা। স্বাদে-গুণে ঐ মাছগুলোর সাথে আজকের দিনের ইলিশের তুলনাই হয় না। মাছগুলো যেমন ছিল তাজা, তেমনি ছিল ওজন! কিন্তু এখন কী খাচ্ছি আমরা? দাম বেড়েছে, কিন্তু স্বাদ গিয়েছে কমে। শুধু তা-ই নয়, মেনি, বেতাঙ্গি, কুইচ্চার মতো বিভিন্ন মাছও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। জানেন, কেন এমন কাহিনী হলো? মূল কারণ হলো আমরা মাছদের স্বাভাবিক প্রজননে বাজেভাবে বাধা দিচ্ছি। যে স্থানে যে সময়ে কোনো একটি মাছের ব্যাপক বংশবৃদ্ধি ঘটার কথা, আমরা সেই সময় ও স্থান-দুটোকেই নষ্ট করছি। যেভাবে-সেভাবে মাছ শিকার, হ্যাচারিতে অল্প ও নির্দিষ্ট মাছের মধ্যে অন্তঃপ্রজনন,…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c5c5c5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-23.35271%20-5.52035%2013.19306%20-55.81058%20130.4%20113.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23444%22%20cx%3D%2242%22%20cy%3D%2281%22%20rx%3D%2254%22%20ry%3D%2254%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cecece%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(27.40043%2011.4297%20-24.60435%2058.98398%20239.8%20131.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23434343%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.27924%2022.14852%20-45.80576%2031.59928%20221.4%2034.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টাসকিগি সিফিলিস এক্সপেরিমেন্ট: বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়
গত শতকের তিরিশের দশকের আমেরিকা। প্রায় দশজনে এক জন আক্রান্ত হতো এক ব্যাকটেরিয়া-ঘটিত যৌন-সংক্রামক রোগে। নাম তার সিফিলিস। সারা দেহে দেখা দেয় যন্ত্রণাদায়ক ঘা এবং র্যাশ। এই অবস্থা থাকতে পারে প্রায় দুই বছর। অন্তিম পর্যায়ে (Late-stage) সিফিলিস থেকে হৃদপিণ্ড-মস্তিষ্কসহ দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে সমস্যা দেখা দেয়, তৈরি হতে পারে অন্ধত্ব’ও। এই রোগের সংক্রমণ রোধ করা মারাত্মক কঠিন হয়ে উঠেছিলো। অনিরাপদ যৌন মিলন পরিহারের কথা বলছিলেন অনেক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু মা থেকে সরাসরি বাচ্চার সংক্রমণ এড়ানো যাচ্ছিলো না। পারদ এবং বিসমাথ ব্যবহার করে যে চিকিৎসা দেওয়া হতো, তাও ছিলো অনিশ্চিত, অনিরাপদ এবং বিষাক্ত। এখন আমরা এগুলোকে সম্ভাব্য ক্যানসার-সৃষ্টিকারী ভারী…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bbbfbe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-57.33647%20387.52817%20-245.4581%20-36.31659%20656%20224.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(115%20-125.3%20659.5)%20scale(281.84345%201824.30045)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-219.7682%20-35.36397%2096.82305%20-601.70367%201941.4%201042.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23767576%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(9.1%20-2070.6%209512.2)%20scale(213.65263%20516.582)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ফিটাস ইন ফিটু: ভ্রূণের ভেতর ভ্রূণ
প্রকৃতিতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাই যুগের পর যুগ কিংবা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষকে চমকে দিয়ে আসছে। মানুষের মাঝে ভয়ের উদ্রেকের জন্যও কিন্তু দায়ী প্রকৃতিতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উদ্ভট, অস্বাভাবিক (কিংবা স্বাভাবিক) ঘটনা। আগের কালে মানুষে যেসব ঘটনাকে ব্যখ্যা করতে পারতো না, সেখান থেকে বিভিন্ন অলৌকিক কল্প-কাহিনির জন্ম। সভ্যতার শুরু থেকে এই পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসে চমকপ্রদ বেশ কিছু ঘটনাই ঘটে গেছে। এর ধারা হয়তো কখনো থামবার নয়। সেই ঘটনাগুলোর লেজ ধরে আদিকাল থেকে রটে এসেছে কুসংস্কার। কিংবা নানী দাদিরা তৈরি করেছেন রুপকথার গল্প। এমনই এক অবাস্তব ঘটনার সংক্ষেপিত আলোচনা আমাদের আজকের আর্টিকেলের মূল বিষয়। আর আজকের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23d9d9d9%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M2011.1-143l16.4%20468.5-812%2028.4-16.4-468.5z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23171717%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(508.17843%20117.8017%20-68.47605%20295.39515%201941.9%20840.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c4c4c4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(363.0227%209.74635%20-6.48832%20241.67093%20175.2%20724.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23464646%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-669.84193%20-195.9559%2076.3115%20-260.85787%20296.1%2056.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কখ এবং পাস্তুরঃ যে দুই বিজ্ঞানী বদলে দেন অণুজীববিদ্যার ইতিহাস
ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর এবং জার্মান চিকিৎসক রবার্ট কখ- অণুজীববিদ্যার দুই বড়ো স্তম্ভ। বিদ্যাজগত এবং জনপরিসরে প্রচলিত বিভিন্ন কুসংস্কার,অপবিজ্ঞান আর অলৌকিক চিন্তাভাবনার জাল ভেদ করে উনিশ শতকের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো রোগের জীবাণুতত্ত্ব (Germ theory of disease)। এর অর্থ, রোগ কোনো অলৌকিক অরিশক্তির প্রভাবে ঘটে না, ঘটে না কোনো অশুভ বায়ুর প্রভাবে; রোগের কারণ খালি চোখে দেখা যায় না এমন সব প্রাণ। চিকিৎসাশাস্ত্রে এ ছিলো এক ‘প্যারাডাইম শিফট’! আজকে আমরা যে আধুনিক ওষুধপত্র, অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন ব্যবহার করি, তা মূলত এই জীবাণুতত্ত্বেরই প্রয়োগ। পাস্তুর এবং কখ—দু’জনে ছিলেন এই অভিযাত্রার সামনের সারিতে। আমরা শুরু করবো উনিশ শতকের গোড়া…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23539ee5%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(74.3%2031.1%20514.1)%20scale(163.44426%20396.11975)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a08a72%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(22.2%20-1675%20763)%20scale(549.07352%20148.53669)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23003473%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-5.9%20828.7%20-2993.4)%20scale(1020%20129.26163)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23503f30%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M496%20423.2l474.3%20182L860%20892.9l-474.2-182z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্নায়ু কেন আনাড়ি
মস্তিষ্ক কি স্নায়ু নিয়ে জুয়া খেলে? স্নায়ুকে কি বিদ্যুৎ পরিবাহী তামার তারের সাথে তুলনা করা যায়?
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004a2c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-35.83222%20-19.6797%2037.59591%20-68.45351%20374.4%20178.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d5bca8%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(175.8%2099.6%2070.4)%20scale(108.76479%2087.92655)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c7f94%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-102.54253%20388.1079%20-50.38259%20-13.31165%2026.3%20108.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e5b950%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(108.9%20192.8%20138.5)%20scale(66.94151%2066.80148)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যেভাবে বাড়তে পারে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা
টেস্টোস্টেরনের নাম তো নিশ্চয়ই শুনেছেন, তাই না? নাও শুনে থাকতে পারেন। এটা এক ধরণের সেক্স হরমোন, যা পুরুষের দেহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এবং নারীর দেহে সামান্য থাকে। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক পুরুষের যৌন বিকাশ এবং কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগের ঝুঁকি হ্রাস থেকে শুরু করে দাঁড়ি-গোঁফ উঠার সাথেও এই হরমোনের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে এই হরমোন উৎপাদন ও নিঃসরণের মাত্রা কম হতে পারে। আর এর ফলে যৌনসুখ কিংবা যৌন উদ্দীপনা হ্রাস পায়। এছাড়াও বিষণ্ণতা, ক্লান্তি, বিরক্তি, ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (যৌন উদ্দীপনার ফলে যথাযথভাবে লিঙ্গোত্থান না ঘটা) ইত্যাদি সমস্যাও হতে পারে। তাহল এখন উপায় কী? ব্যায়াম এবং ভার…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c2647b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(138.3%2057.8%2051.9)%20scale(79.29418%2055.70082)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2306271e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-6.63161%20-172.62576%2028.75666%20-1.10472%2026.8%20102.2)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23103228%22%20d%3D%22M223.5%2083.9l-24.2-97L258.5-28l24.2%2097z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c6887c%22%20cx%3D%22132%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2237%22%20ry%3D%2233%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
দ্বিতীয় মহাবিস্ফোরণ এবং ডার্ক ম্যাটার সৃষ্টি
সম্প্রতি একদল গবেষক ‘প্রচলিত’ বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অপর একটি বিস্ফোরণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং নামে এক বিকট মহাজাগতিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে যে আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সূচনা, তা বোধ করি আপনি পদার্থবিদ্যার ছাত্র না হলেও শুনে থাকবেন। ১৯২৯ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিদ এডউইন হাবল ছায়াপথের দূরত্বের সাথে পশ্চাদপসরণ বেগের সম্পর্ক নির্ণয় করতে গিয়ে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পৃথিবী থেকে যে ছায়াপথ যত দূরে, সে ছায়াপথের পশ্চাদপসরণ বেগ তত বেশি। সহজ করে যদি বলি, দূরবর্তী ছায়াপথগুলো আরও দ্রুতবেগে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এর বছর দুয়েক আগে বেলজিয়ামের মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ ও ক্যাথোলিক…

প্রাণ সৃষ্টির উপাখ্যানঃ কোনটা আগে এলো, প্রোটিন নাকি আরএনএ?
প্রতিটি জীব কোষ দিয়ে তৈরি। তাই কোষকে বলা হয় প্রাণের গাঠনিক একক। এই কোষের ভেতর প্রতিনিয়ত চলতে থাকে নানা রকম ক্রিয়া-বিক্রিয়া। তাই কোষকে বলা হয় রাসায়নিক থলি। কোষ জীবিত থাকে এইসব রাসায়নিক ক্রিয়ার সম্মিলিত কারণেই। আর প্রাণরসায়নের মূল আলোচ্য বিষয়ই হচ্ছে জীবদেহে ঘটে চলা এসব রাসায়নিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া। সুতরাং পৃথিবীতে যখন বেজে ওঠে প্রথম প্রাণের স্পন্দন তখনই প্রাণরসায়নের যাত্রা শুরু। প্রথম প্রাণের স্পন্দন মানে প্রথম সেই সরল আদিকোষ যেটি থেকে পৃথিবীর প্রাণবৈচিত্র্য শুরু। পৃথিবীতে কি করে প্রাণ সৃষ্টি হলো এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। প্রচলিত আছে নানা হাইপোথিসিস। আপনার চারপাশে যত বৈচিত্র্যের প্রাণ (গাছপালা, মানুষ, ব্যাকটেরিয়া এমনকি…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23adafa2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-48.92209%20-4.1081%203.55706%20-42.35993%20118.5%2064.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23101500%22%20cx%3D%22113%22%20cy%3D%22129%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e0442%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2245%22%20rx%3D%2273%22%20ry%3D%2273%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e053e%22%20cx%3D%2223%22%20cy%3D%2238%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2284%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কার্ল জানস্কি- জ্যোতির্বিজ্ঞানের শার্লক হোমস
টেলিফোনের নয়েজ দূর করতে যেয়ে কার্ল জানস্কি আবিষ্কার করলেন মিল্কিওয়ের কেন্দ্রের অদেখা জায়গাকে।







