

পেন্ডুলামের পর্যায়বৃত্ত গতির জন্য এর কৌণিক বিস্তার 4° বা এর কম কেন ধরা হয়? এই বিষয়টা নিয়ে আমাদের সবারই কমবেশি ঝাপসা একটা ধারণা আছে। আজকে আমরা সেই অস্পষ্ট ধারণাটাকেই আমরা এই লেখায় ঘষামাজা করে স্পষ্ট করার চেষ্টা করব। পর্যাবৃত্ত গতি কি? পর্যাবৃত্তকে ইংরেজিতে বলে periodic. অর্থাৎ, নির্দিষ্ট period বা পর্যায় পর পর যা ফিরে আসে, তা-ই পর্যাবৃত্ত। সেটা যেকোনো কিছুরই পর্যায় হতে পারে। যেমন: স্থান, কাল, অথবা স্থান ও কাল উভয়ই, প্যাটার্ন ইত্যাদি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট ব্যবধানে কোনকিছুর পুনঃরাবৃত্তি ঘটাকেই পর্যাবৃত্ততা বলে এবং এই পুনঃরাবৃত্তি ঘটার ধর্মকে পর্যাবৃত্তিক ধর্ম বলে। পর্যাবৃত্ত গতিতে আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো স্থান…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1.97564%2047.13742%20-84.189%203.52856%20219.5%207.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23121212%22%20cx%3D%2252%22%20cy%3D%2293%22%20rx%3D%2266%22%20ry%3D%22226%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b6b6b6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(27.36856%2012.01396%20-48.68863%20110.9158%20239.8%20124.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(55.28737%203.79723%20-1.0008%2014.57169%20215%207)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শহরের প্রাণীরা কি বিবর্তিত হচ্ছে?
বিবর্তন একটি অবিরাম চলমান প্রক্রিয়া। এর যাত্রা প্রায় সাড়ে তিন বিলিয়ন বছর আগে, পৃথিবীতে যখন বেজে উঠে প্রথম প্রাণের স্পন্দন। এখনো জীবদেহের ভেতরে সর্বদা এই প্রক্রিয়া চলমান। সত্যিই কি তাই? আরও সরল করে প্রশ্নটা করলে, আপনার শহুরে জীবজগতের বেলায়ও কি কথাটা সত্য? প্রকৃতিবিদদের চোখে, আমাদের পৃথিবীর ইতিহাস দুঃখ-ক্লেশে পরিপূর্ণ। বিলুপ্তি, প্রাচীন বন-জঙ্গল ধ্বংস, বন্যা, অগ্নিকাণ্ড- কি ঘটে নি! কিন্তু বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানীদের কাছে বিষয়টা খুবই স্পষ্ট। বিবর্তন এখনো ঘটে চলেছে। এমনকি আপনি এবং আপনার আশেপাশে শহুরে জীবকুলের বেলায়ও কথাটা প্রযোজ্য। খুবই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে, আমাদের চারপাশের পরিবর্তনটা টের পাওয়া যাবে। বিবর্তন কি করে একটা নতুন জগতের জন্ম…

মস্তিষ্ক যেভাবে অবস্থান নির্ণয় করে
কোন নতুন শহরে জীবনে প্রথমবার গেলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে খাবি খেতে হয়। নতুন কোন পাড়ায় গেলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছাতে আমাদের বারবার গুগল ম্যাপ দেখতে হয়, বা স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞেস করতে হয়, “ভাই এই জায়গাটা কোন দিকে?”। গন্তব্যস্থানে পৌঁছানোর বদলে কয়েকবার পথ হারানোর দশা! অথচ মস্তিষ্ক ঠিকই সক্রিয়ভাবে জায়গাটা চিনে নিচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ পরেই ওই জায়গাটা আপনার সুপরিচিত হয়ে উঠবে। হয়তো আপনি স্থানীয়দের মতো কিছু শর্টকাট রাস্তাও শিখে নেবেন, আর নতুন বেড়াতে আসা কোন বন্ধুকে অবলীলায় জায়গাটা ঘুরিয়ে দেখাবেন। শহরটি একটা অচেনা গোলকধাঁধা থেকে হাতের উল্টোপিঠের মতো চেনা রাস্তায় রূপান্তরের কারণ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff8bb3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-5.43865%20-194.70677%20282.30332%20-7.88545%201135.2%20185.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2335453f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-37.10507%20196.1016%20-350.12585%20-66.24854%201087.2%20672.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b1c1bb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.97166%20-152.99894%20234.75787%20-3.02526%20171%20604.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c35e80%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(24.1%20-349.3%202426.3)%20scale(235.56384%2086.04816)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইমিগ্রেশন ডিলে ডিজিজ: মানুষের আঙুলের ছাপ থাকে না যে রোগে
২০০৭ সাল। সুইজারল্যান্ড অধিবাসী এক মহিলা কোনো এক কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন ঠিক করেছেন। কিন্তু কাস্টমস অফিসাররা বিমানবন্দরে আটকে দিলেন তাকে। পাসপোর্ট এর ছবির সাথে মহিলার চেহারার মিল থাকলেও কাস্টমস অফিসাররা তার কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেকর্ড করতে পারলেন না। মহিলা শরণাপন্ন হলেন বিখ্যাত সুইস ডার্মাটোলোজিস্ট পিটার ইটিন এর। ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ডা. ইটিন দেখলেন মহিলার আঙুলে আদৌ কোনো ছাপই নেই! শুধু তাইনা পরবর্তীতে দেখা গেলো ঐ মহিলা ও তার পরিবারের আট সদস্যের কারোরই আঙুলের ছাপ নেই! বর্তমান বিশ্বে বায়োমেট্রিকস প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যক্তি শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া খুবই জনপ্রিয় ও সময়োপযোগী একটি কৌশল। এর সাহায্যে কোনো ব্যক্তির ডিএনএ,ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা,…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f6ece2%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%2273%22%20rx%3D%2295%22%20ry%3D%2295%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23223149%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-8.45457%20254.8598%20-66.34273%20-2.20081%20204.1%2061)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%232480c9%22%20d%3D%22M108-16h116l-87%20132z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23312414%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.48288%20-1.17865%20.91212%20-29.7807%20244.8%2046.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিদ্রাভ্রমণ: ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে খুনের গল্প
১৯৮৭ সালের , ২৩ শে মে । কানাডার ওন্টারিও শহরের পুলিশ স্টেশনে রক্তাক্ত আর ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় হাজির হয়েছে এক লোক । বেশ দ্বিধাদ্বন্ধে ভুগছে সে। তার মনে হচ্ছে সে বোধহয় কাউকে খুন করে ফেলেছে । কিন্তু তার প্রায় কিছুই মনে নেই, ঝাপসা ঝাপসা কিছু স্মৃতি মাথায় আসছে । পুলিশ খোঁজ চালালে বুঝতে পারে খুন হয়েছে লোকটির শ্বাশুড়ি । শ্বশুরও মারাত্মক ভাবে আহত । ঘটনা শুনে কেনেথ পার্কস নামের লোকটি পুরো হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। ব্যক্তি জীবনে সে শান্তশিষ্ট লোক, শ্বশুরবাড়ির সাথে তার এমন কোনো ঝামেলা বাধেই নি যে খুনাখুনি হয়ে যাবে। তার মতে সে ঘুমের মধ্যে এই…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.90625)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2320201f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-6.87764%20-73.54278%2060.50716%20-5.65856%20255%2037.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23929197%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(24.98754%20-14.76004%2043.81208%2074.17027%2099.3%2028)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b9b9a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.19193%2031.95925%20-19.48913%2011.70347%20193.8%20139.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239d9d9c%22%20cx%3D%221%22%20cy%3D%22145%22%20rx%3D%2221%22%20ry%3D%2234%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
প্রাণিজগতে বিচ্ছেদ
আমরা সবাই-ই মিলনের আস্বাদ উপভোগ করতে চাই। কেউই বিচ্ছেদের তিক্ত অনুভূতির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে চাই না। কিন্তু প্রকৃতি আমাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার ব্যাপারে উদাসীন। মিলন যেমন স্বাভাবিক ঘটনা, তেমনি বিচ্ছেদ। এসব কথা কেবল মানুষের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য তা নয়। অন্যান্য প্রাণীকুলের ক্ষেত্রেও তাই। পেঙ্গুইন, বীভার কিংবা সমুদ্র ঘোড়া এরা সবাই-ই একটা সময় ইতি টানে সুদীর্ঘ সময়ের সম্পর্কে। ভুলে যায় পুরোনো সঙ্গীকে, নতুন ভাবে ঘর বাঁধে নতুন সঙ্গীর সাথে। কিন্তু কেন? কিংবা প্রশ্নটা অন্যভাবে করলে, কোন কোন ফ্যাক্টর প্রাণীদের বিচ্ছেদের দিকে চালিত করে?জীববিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন থেকেই বোঝার চেষ্টা করছেন এসব প্রাণীরা কেন সম্পর্কে ইতি টানে। সামগ্রিক ভাবে বিচ্ছেদ একটা…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23808379%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(55.35424%20110.86932%20-75.81812%2037.85407%208.4%2078.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b8b3d9%22%20cx%3D%2290%22%20cy%3D%2245%22%20rx%3D%2245%22%20ry%3D%2227%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23afaac6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.41451%20-22.09248%2035.48969%20-7.09154%2027.6%2075.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3dd8d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(52.37404%20-41.85918%2079.45668%2099.41587%20210.2%2097.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পূর্বপুরুষের খোঁজে
দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের মাথায় একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। স্যাপিয়েন্সদের সঙ্গে প্রাচীন প্রাগৈতিহাসিক মানুষদের সম্পর্কটা কোথায়? পৃথিবীর অভিযাত্রায় আমরা কখনই একা ছিলাম না। ইতিহাসের একটা বড় সময় জুড়ে আমাদের সাথে ছিল আমাদের আরও দুই জ্ঞাতী ভাই, নিয়ানডার্থাল আর ডেনিসোভান। তাদের সাথে আমাদের সামঞ্জস্যতা কোন জায়গায়? উত্তর পেতে হলে খুঁজে পেতে হবে আমাদের পূর্বপুরুষের হদিস। বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত খুঁজে চলেছেন প্রাচীন মানব-ফসিল। নিত্য নতুন আবিষ্কার প্রমাণ করছে, এতদিন আমরা মানব প্রজাতির বিবর্তন ভেবে আসছি ভুল পথে। এ বিষয়ে মত-দ্বিমতের অভাব নেই। তবে বিংশ শতকের শেষ দশকে, অধিকাংশ বিজ্ঞানীই কয়েকটা ব্যাপারে একমত হয়েছেন। প্রথমত, পৃথিবীতে হোমো স্যাপিয়েন্সদের আগমন ঘটেছে বড়জোর…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e98234%22%20cx%3D%2268%22%20cy%3D%2266%22%20rx%3D%2241%22%20ry%3D%2243%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000009%22%20cx%3D%22235%22%20cy%3D%2275%22%20rx%3D%22118%22%20ry%3D%22118%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232b302f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-5.9474%20-34.31982%2058.81617%20-10.19247%20176.8%2057.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23775b16%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(12.86252%2050.554%20-48.0591%2012.22774%2071%2068.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভারতের চন্দ্রজয়ের গল্প
গত ২৩ শে আগষ্ট সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখে ভারতীয় নভোযান চন্দ্রযান-৩। এরই মধ্য দিয়ে পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করার তকমা পেল ভারত। এর আগে গত ১০ আগষ্ট ২০২৩ তারিখে, রাশিয়ার মহাকাশযান লুনা-২৫ চাঁদের দক্ষিণ দিকের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু তাদের এই প্রয়াস ব্যর্থ হয়। ভারতের এই চন্দ্রজয় পৃথিবীবাসী বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জন্যে এক বড় মাইলফলক। কারণ বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় এই দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ যে একধাপ এগিয়েছে এই চন্দ্রজয় তা প্রমাণ করে। এই প্রবন্ধে আমরা চন্দ্রযান-৩ সম্পর্কে একটা সংক্ষিপ্ত ধারণা নেয়ার চেষ্টা করবো। চন্দ্রযান-৩ এর যাত্রা পথ চন্দ্রযান-৩ এর যাত্রা…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232a3300%22%20cx%3D%22136%22%20cy%3D%2271%22%20rx%3D%2272%22%20ry%3D%2272%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23919c53%22%20cx%3D%22254%22%20cy%3D%2218%22%20rx%3D%2255%22%20ry%3D%22146%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23130c36%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-18.16387%2030.71342%20-19.80015%20-11.70977%20180.1%20124.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23081400%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-22.34965%20-4.7764%208.29512%20-38.81447%20125%2011.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিমর্যাভিড
আজ থেকে চল্লিশ মিলিয়ন বছর আগের কথা। আমাদের চেনা পৃথিবী তখন ইওসিনের মধ্যভাগে। পৃথিবীর উষ্ণ আর ভেজা জলবায়ু ক্রমশ শীতল আর শুষ্ক হয়ে উঠছে। সবুজ সবল গাছে ছেয়ে যাওয়া বন-জঙ্গল ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছিল ঝোপ-ঝাড় আর খোলা তৃণভূমিতে। সে সময় উত্তর আমেরিকা আর এশিয়ায় দাবড়িয়ে বেড়াত একদল মাংসাশী প্রাণী। আমেরিকান জীবাশ্মবিদ এডওয়ার্ড ড্রিংকার কোপ এদের নাম রাখেন নিমর্যাভিড। এদের পেশীবহুল শরীরে ছিল বিড়ালের মতই লেজ আর ছোট ছোট চারটা পা। পায়ের থাবায় ছিল নখরযুক্ত আঙুল। উপরের পাটিতে মুখের পেছনের দিকে যেখানে মোলার দাঁত থাকে, সেখানে ছিল ছুড়ির মতন ধারালো দাঁত। আর সামনের দিকে মাংস ছেড়ার জন্যে…







