
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%232c3600%22%20d%3D%22M201.6-2.6l1.7%2097-129%202.2-1.6-97z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239ea865%22%20cx%3D%22249%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%2222%22%20ry%3D%22175%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23adb774%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(38.5716%20-3.57818%202.86926%2030.92967%2017.7%20162.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2398a35f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(88.6%201.7%20144.2)%20scale(18.25323%2020.75873)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্কুলে থাকতে জীবের প্রজনন পড়তে গেলেই মাথা নষ্ট হয়ে যেত। কোথায় যেন তাল-গোল পাকিয়ে ফেলতাম। এই তাল যেদিন ধরতে পারলাম, সেদিন থেকেই বায়োলজিতে গোল দেওয়া শুরু করলাম। কিন্তু তালটা ধরেছিলাম কীভাবে? আসলে বংশবৃদ্ধি ও প্রজননের কিছু মজার ও অবাক হওয়ার মতো বিষয় পড়তে গিয়েই ধীরে ধীরে “প্রজনন” ব্যাপারটা মাথায় ঢুকতে শুরু করে। আমার কাছে মনে হয় “প্রজনন” জিনিসটা জীবজগৎকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। শুধু তা-ই নয় এটা প্রজাতিগত বৈচিত্র্যও সৃষ্টি করেছে, আবার বিজ্ঞানীদের ঘুমও হারাম করেছে। প্যারামেসিয়াম থেকে শুরু করে স্পাইরোগাইরা পর্যন্ত সকল জীবের মধ্যেই আপন ছন্দে “প্রজনন” সংঘটিত হয়। কখনো ঘটায় বিস্ময়, আবার কখনো ঘটে…

প্রস্তরযুগ থেকে বার্তা
গারগাস গুহা অবস্থিত ফ্রান্সের পাইরেনিসে অ্যাভেন্টিগনান শহরের কাছেই। এর অন্ধকার গহীনে আঁকা সুপ্রাচীন গুহা চিত্রকলাগুলো যে কারোর চোখকেই বিভ্রান্ত করবে। বাইসন, ঘোড়া, প্রাচীন গবাদি পশু, বুনো ছাগল আর ম্যামথসহ আরও নানান রকম প্রাণীর ছবি খোদাই করা আছে গারগাসের দেয়ালে। এছাড়া আছে শয়ে শয়ে হাতের রূপরেখার ছাপচিত্র। দশ হাজার বছর আগে প্রাগৈতিহাসিক মানুষেরা পাথরের দেয়ালে হাতের তালু প্রসারিত করে রেখে তার উপর দিয়ে লাল আর কালো রং ছিটিয়ে দিয়ে তৈরি করেছে এই ছাপ গুলো। অস্ট্রেলিয়া থেকে আমেরিকা কিংবা ইন্দোনেশিয়া থেকে ইউরোপ, বিশ্বের নানা প্রাগৈতিহাসিক স্থানে সন্ধান মেলবে প্রাচীন মানুষের এইরকম অসংখ্য হাতের ছাপ। প্রাগৈতিহাসিক এই গুহা চিত্রকলা…
%22%20transform%3D%22translate(1.5%201.5)%20scale(2.9336)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c67d97%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(59.4%20-3.5%20129)%20scale(41.48767%2050.59914)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-43.1895%20-5.4247%2028.3212%20-225.48302%20228.2%2051.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%2212%22%20cy%3D%2279%22%20rx%3D%2230%22%20ry%3D%22234%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%234d5854%22%20d%3D%22M199.9%2064.5L109.6%20158%2080%20129.5%20170.4%2036z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এবার যুদ্ধ হবে আলঝেইমারের সাথে?
নতুন একটি ওষুধ আলঝেইমার রোগের কারণে হওয়া মানসিক অবনতিকে সাময়িকভাবে প্রতিহত করতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। ১৭ জুলাই আমস্টারডামের আলঝেইমারস অ্যাসোসিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে উপস্থাপিত তথ্য এবং একই দিনে JAMA-তে প্রকাশিত তথ্য বলছে যে ডুনানেম্যাব নামক ওষুধটি দেড় বছরের ব্যবধানে বার্ধক্যজনিত আলঝেইমারের ফলে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা ৩৫% কমাতে সক্ষম হয়েছে। “ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন” লেকানেম্যাব (লেকেম্বি) নামের আরেকটি ওষুধের সম্পূর্ণ অনুমোদন দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে দেখা যায় ওষুধটি আলঝেইমার রোগের বৃদ্ধি ও প্রভাবকে থামিয়ে দিচ্ছে। গত গ্রীষ্মে অ্যাডুকানুম্যাব (অ্যাডুহেলম) নামের আরও একটি অনুরূপ ওষুধ খুব দ্রুতই অনুমোদন পেয়েছিল। তবে এই ওষুধগুলো লাস্ট স্টেজের রোগীদের ক্ষেত্রে অতটা…

আবৃতবীজী উদ্ভিদেরা কি করে পৃথিবী জয় করল?
সবীজ উদ্ভিদের দু’রকম ভাগ আছে। নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী। আবৃতবীজী উদ্ভিদদের বীজটা ফলের ভেতর আবৃত অবস্থায় থাকে। তাই এদের এমন নামকরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে নগ্নবীজী উদ্ভিদদের বীজ একপ্রকার বীজ ধারক পত্রে খোলা অবস্থায় থাকে, তাই এদের নগ্নবীজী ডাকা হয়। আসলে নগ্নবীজীদের ফুল থেকে কোনরকম ফল সৃষ্টি হয় না। তার কারণ এদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না। তাই নগ্নবীজীদের ফুলকে সম্পূর্ণ ফুল বলা চলে না। আবৃতবীজীদের ফুলে গর্ভাশয় থাকায় এদের ফুল হল সম্পূর্ণ ফুল। ইতিহাস বলে পৃথিবীতে আবৃতবীজীদের আগমনের বহু আগেই নগ্নবীজী উদ্ভিদদের আগমন ঘটে। সেই জুরাসিক যুগেও পৃথিবী জুড়ে রাজত্ব করেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদরা। কিন্তু বর্তমানে চারপাশে কেবল আবৃতবীজী…

ঘাতক বেজির দল
নেউলে বা বেজি হল ঝোপ-ঝাড়ে ঘুরে বেড়ানো একটা শ্বাপদ স্তন্যপায়ী প্রাণী। গ্রামে কিংবা শহরে ঝোপ-জঙ্গলে ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে যেতে দেখা যায় এদের। কিংবা দেখা যায় কিং কোবরা সাপের মাথাটা কামড়ে ধরে আছে। পৃথিবীতে তিন ডজন এর কাছাকাছি সংখ্যক প্রজাতির বেজি আছে। এর মধ্যে আছে চৌদ্দটা গণের তেত্রিশটা নেউলে প্রজাতি। সবচাইতে চেনা হচ্ছে হারপেস্টেস গণের দশটা নেউলে প্রজাতি। বেজির সন্ধান মেলে প্রধানত আফ্রিকায়। তবে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ ইউরোপের নানান দেশেও এদের দেখা যায়। ছোট ছোট পা, বিন্দুসম নাক, ছোট কান আর লম্বা লোমশ লেজ বিশিষ্ট, আকারে বিড়ালের মতন এই প্রাণীটিকে সবাই সাপের চিরশত্রু হিসেবেই বেশী চেনে।…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238070b3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-126.8%201003.4%20-437.3)%20scale(450.63406%20818.4172)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237f86b3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(699.12024%20-392.32798%20136.33938%20242.95391%20426.3%201259.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-109.2%201477%20-168)%20scale(521.20032%201004.82897)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(235.74043%20431.66391%20-730.44257%20398.90952%20436.7%20290.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অজানা জীববিজ্ঞানের যত ভুল ধারণা
মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিলতম বিষয়গুলোর একটি হলো জীববিজ্ঞান-এই ধারণাটা আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে গেছে। এই ধারণার পেছনে একটা না, বহু কারণ রয়েছে। প্রথমত, জীববিজ্ঞানের কাজই জটিল সব কাঠামো নিয়ে কাজ করা, যেগুলোর অধিকাংশই অঙ্ক কষে সমাধান করে ফেলার মতো নয়। দ্বিতীয়ত, এর বিভিন্ন বিষয়ের (জিনোম, শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, আচরণ ইত্যাদি) ভেলকি এখনো পুরোপুরি উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তাই অনেক “কেন” এর উত্তর অস্পষ্ট। তৃ্তীয়ত, প্রতিদিনই জীববিজ্ঞানের পৃষ্ঠাগুলোর সংস্করণ ঘটছে। জীববিজ্ঞানের এতোসব মারপ্যাঁচের কারণে শিক্ষার্থীরা একটা বিষয়ের পুরো রহস্যটা জানতে পারে না, অনেকক্ষেত্রে জানতে দেওয়া হয় না। আবার প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে অনেকেই নতুন…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(178.6535%20-290.81074%20429.64134%20263.94118%201457.8%20139.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f5f5f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(74.22159%20-282.6167%20355.2932%2093.3081%20706.6%20607)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ebebeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(186.27308%20-1089.74239%20240.23535%2041.06418%201429.3%20852.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e3e3e3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(15%20-3624%201303.7)%20scale(326.72677%20175.01186)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিড়াল ও কুকুরের লালা কতটুকু ক্ষতিকর?
অনেকেই প্রশ্ন করেন, কুকুর, বিড়াল ইত্যাদির লালা থেকে মানুষের ক্ষতি হতে পারে কিনা? এর উত্তর হচ্ছে, জ্বী, ক্ষতি হতে পারে। এমনকি, আপনার পোষা সে প্রাণিটি ভ্যাকসিনেটেড হলেও ইনফেকশান হতে পারে। আজকে তা নিয়েই আমাদের ছোট্ট আলোচনা। আজকাল অনেকেই দাবি করেন, বিড়ালের লালায় কোনো জীবাণু নেই। এ দাবিটুকু সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনো প্রাণির লালা-ই জীবাণুমুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। কুকুর, বিড়ালের লালায় থাকা জীবাণুদের সাধারণত বলা হয় Capnocytophaga germs । এ জীবাণুরা সাধারণত কুকুর এবং বিড়ালের লালা থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে মানব শরীরেও। এতে করে শরীরের বিভিন্ন অংশ বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষত, যাদের ইমিউন সিস্টেম দূর্বল। সাধারণত মুখ এবং গলার…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23898f4a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-152.85873%20158.2763%20-197.83795%20-191.06624%2073.1%20180.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23169d44%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-252.33836%20-41.34222%2030.56114%20-186.53444%201534.8%20562.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23070049%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-544.70482%20-175.73698%2055.80084%20-172.95724%20233.3%20851)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23060048%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M1680.5%2016l-11%20211-358.3-18.7%2011-211.1z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইউক্লিড: অন্ধকার মহাবিশ্বের সন্ধানে
মিশন ইউক্লিডের নামকরণ করা হয়েছে আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রীক গণিতবিদ ইউক্লিডের নামানুসারে। জ্যামিতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ইউক্লিডকে সকলেই চেনে। মহাবিশ্বের জ্যামিতির সাথে সম্পর্ক আছে পদার্থ এবং শক্তির ঘনত্বের। অনেকটা সেকারণেই এই মিশনের নাম দেয়া হয়েছে ইউক্লিড। মিশনের উদ্দেশ্য ইউক্লিড নকশা করা হয়েছে অন্ধকার মহাবিশ্বের বিবর্তন অন্বেষণ করার জন্য । মিশনের বড় লক্ষ্য হল আমাদের মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে নিখুঁত 3D মানচিত্র তৈরি করা। এছাড়াও, বিজ্ঞানীরা এটি ব্যবহার করবেন আকাশের ১/৩-এরও বেশি জুড়ে ১০ বিলিয়ন আলোকবর্ষের গ্যালাক্সিগুলি পর্যবেক্ষণ করতে। এছাড়াও এই মানচিত্রের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করবেন। ডার্ক ম্যাটার মহাবিশ্বের প্রায় ২৫% তৈরি…
%22%20transform%3D%22translate(1.8%201.8)%20scale(3.58984)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23424321%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-64.61712%20-10.35917%207.49286%20-46.738%20201.1%2074)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bbbcc5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-92.9%2084.1%2027)%20scale(252.32044%2062.59319)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2393a836%22%20d%3D%22M170%20157l98-6-13-129z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dadadb%22%20cx%3D%2249%22%20rx%3D%2289%22%20ry%3D%2222%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইসলামি স্বর্ণযুগের পাঁচ কিংবদন্তি
ইসলামি স্বর্ণযুগ সম্পর্কে আমরা কমবেশি সকলেই জানি। পূর্বের একটি ব্লগপোস্টে আমি সেই সময়ের ৫ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্য তুলে ধরেছিলাম। যদি সেই লেখাটা না পড়ে থাকেন, তাহলে এখনি পড়ে ফেলুন “ইসলামি স্বর্ণযুগের পাঁচ তারকা”। পাঠকদের আগ্রহ দেখে সাহস করে তারই ধারাবাহিকতায় এই ব্লগপোস্টটি লিখছি। এখানেও চেনা-অচেনা পাঁচ জন বহুবিদ্যাবিশারদ ও বিজ্ঞানীদের নিয়ে কথা হবে। তো, দেরি কীসের? চলেন, শুরু করি! আব্বাস ইবনে ফিরনাস আব্বাস ইবনে ফিরনাস ছিলেন একজন মুসলিম আন্দালুসিয়ান জ্যোতির্বিদ, চিকিৎসক এবং রসায়নবিদ, যাকে আমরা খুব কম মানুষই চিনে থাকি। ইউরোপিয়ানদের বহু আগেই এই মুসলিম বিজ্ঞানী অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে গিয়েছিলেন। তিনি…







