• ঝিঁঝিঁ পোকার একটি খুবই অদ্ভুতরকমের বৈশিষ্ট্য আছে। ডলবেয়ারের সূত্র দিয়ে এদের আওয়াজ শুনেই পরিবেশের তাপমাত্রা কত তা বলে ফেলা যায়।

  • বিজ্ঞানী অ্যাডভেঞ্চারিস্ট ড. মাকসুদ জামিল, যাকে সারা বিশ্বের তাবড় তাবড় লোক দুর্ধর্ষ রহস্যানুসন্ধানী বলে জানে এবং মানে। তুখড় মেধাবী জামিল পিএইচডি করে নিজ দেশে ফিরে এসেছিলেন কোথাও কোনো অধ্যাপনা কিংবা চাকরি না করেই। সীমান্ত শহর দর্শনার পারিবারিক বাড়িতেই গড়ে তুলেন নিজস্ব ল্যাব। এখানে বসেই তাঁর করা মহা মহা আবিষ্কার বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দেয়। তবে তাঁর সৃষ্টি নিউক্লিয়ার শক্তি দ্বারা চালিত, সেকেন্ডে এক লক্ষ আশি হাজার কিলোমিটার গতির অত্যাধুনিক মহাকাশযান ‘পঙ্খিরাজ ১৯৭১’-এর কথা সরকারিমহল জানলেও বিজ্ঞানীমহল বিন্দুমাত্রও জানে না। জামিল এই মহাকাশযানের কথা গোপন রাখতে পেরেছেন কারণ তিনি যেকোনো প্রয়োজনে সরকার এমনকি মার্কিন সরকারকেও সহযোগিতা করেন। আর…

  • গণিতের বিখ্যাত প্রবলেম গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি প্রবলেম হচ্ছে ‘মন্টি হল প্রবলেম’। লেট’স মেক এ ডিল নামের একটি গেম শো হতে এর উৎপত্তি। গেম শো’টির হোস্ট মন্টি  হলের নাম অনুসারেই এই প্রবলেমের নাম ‘মন্টি হল প্রবলেম’। চলুন যেই গেম থেকে মন্টি হল প্রবলেমের জন্ম সেই গেমটি কি ছিলো দেখে নেই। গেম শো’টিতে স্টেজে ৩ টি বন্ধ দরজা থাকতো। যথাক্রমে দরজা-১,দরজা-২ ও দরজা-৩। এই ৩ টি দরজার ১ টির পিছনে থাকতো গাড়ি এবং অন্য ২ টির পিছনে থাকতো ছাগল। একমাত্র মন্টি হলই জানতেন কোন দরজার পিছনে কি আছে।  দর্শকদের একজন তিনটি দরজা থেকে একটি দরজা বেছে নিতেন।…

  • সংখ্যার সৌন্দর্য আলোচনা করতে গেলে আমাকে এমন আরো হাজারখানেক লেখা তোমাদের সামনে তুলে ধরতে হবে যা আমার উদ্দেশ্য নয়। তবে, সৌন্দর্য উপলব্ধি করার ক্ষেত্রে আজকে তোমাকে একটু ধারনা দিবো। জটিল সংখ্যা নিয়ে সজ্জিত সংখ্যাতত্ত্বের মোটামুটি আমাদের জানা পরিপার্শ্বের সকল কিছু নিয়েই আমার একটা লেখা আগামী কিছুদিনের মধ্যেই তোমরা প্রথম আলো গণিত ইশকুলে পেয়ে যাবে যাতে। সেখান থেকেই আজকের লেখাটা। সংখ্যা জগতের নিমিখ পানে বিচরণ করে অমূলদ সংখ্যা। তারই উদাহরণ দিতে গেলে তোমার সামনে $\sqrt{2}, \sqrt{3}, \sqrt{5}, \pi(3.1415…), e(2.7182818…)$ চলে আসবে। আজকে আমাদের আলোচনার মূলত অমূলদ সংখ্যা $e$-কে নিয়েই। দশমিকের পরে 50 ঘর পর্যন্ত $e$ এর মান,…

  • গণিত ও মানুষের চিন্তার সীমাবদ্ধতা গণিত সম্ভবত মানুষের ইতিহাসের সেরা কিছু আবিষ্কারের মধ্যে একটা। এর জন্ম হয়েছিল নিতান্ত ব্যবসায়িক চাহিদা ও গণনার দুর্বধ্যতা মেটানোর জন্য। আদিকালে গণনা করার জন্য মানুষ গণিত আবিষ্কার করে, সংখ্যা আবিষ্কার করে। যেই সংখ্যা আবিষ্কারকে মানব সম্প্রদায়ের দারুণ একটা আবিষ্কার হিসেবে ভাবা হয়। কেন বলুন তো দেখি? সেই সাথে সাথে বড় হওয়ার সাথে সাথে আমরা গণিতের অনেক শাখার সাথে পরিচিত হই। আর তখনি প্রশ্ন আসে এর কাজ কি? তেমনি একটি শাখা হলো দ্বিপদী বিস্তৃতি। দ্বিপদী বিস্তৃতি শেখার প্রথম প্রথমে আমাদের শুধু একটা ধারণাই কাজ করে এটা হয়ত বড় বড় গাণিতিক সমস্যা সমাধানে…

  • আচ্ছা যদি একজন মানুষ কোন এক ব্ল্যাক হোলের দিকে মোহে আকৃষ্ট হয়ে অগ্রসর হতে থাকে তাহলে সে কি দেখবে? তার চারপাশের দুনিয়াটাই বা কেমন হবে? সে কেমনই বা অনুভব করবে? সে কি আদৌ এই মোহের টান ছিন্ন করে বের হয়ে আসতে পারবে? নাকি সেই ব্লাকহোলের জগতে হারিয়ে যাবে?… বইয়ের প্রথম অধ্যায়টা পড়লে মোটামুটি এইসব অদ্ভুত প্রশ্নের উদয় হবে। এটাই স্বাভাবিক। কেননা অধ্যায়টা শুরু হয়েছে রাস্তা নামে একটা হরর সাইফাই দিয়ে। যেখানে গল্পের মূল নায়ক ভুলবশত ব্ল্যাক হোলের দিকে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হয়ে বিচিত্র অভিজ্ঞতা সম্মুখীন হন। আর তার জীবনের বিনিময়ে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা থেকে পাঠকের মনে যে…

  • প্রাণীটার বৈজ্ঞানিক নাম Ampulex compressa। সাধারণ নাম জুয়েল ওয়াস্প,বা বাংলা করে বলতে পারি জুয়েল বোলতা। আফ্রিকা এবং এশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকাগুলোয় প্রধানত এর দেখা মেলে। দৈর্ঘ্যে এক ইঞ্চি থেকে সামান্য ছোটো। গায়ে বাহারি রঙ। খটকা লাগতে পারে,এটা কোনো কৃমি না,ভাইরাস না, কোনো ছত্রাকও না; সামান্য একটা বোলতা আবার পরজীবী হয় কীভাবে? আমরা হরদম যেসব বোলতা দেখি,সেগুলো তো গাছের গায়ে মধুর চাক বানিয়ে বাস করে। কাছাকাছি কোনো ঘর থাকলে সেই ঘরের কর্তা-কর্ত্রী বোঝেন তার কি জ্বালা! মজাটা হচ্ছে,জুয়েল বোলতা তার ঘর বানায় একটা জ্যান্ত তেলাপোকার শরীরের মধ্যে। 📷যাকে নিয়ে আজকের আলাপ ঘটনাটা কীভাবে ঘটে বলি। জুয়েল বোলতা তেলাপোকার…

  • কোষ ও টিস্যু নিয়ে প্রাথমিক বিষয়গুলো জানা যাবে এবং যেগুলোর বিস্তৃতি উপলব্ধি করতে পারবো, এমন কোনো বই বাংলা ভাষায় দেখতে না পারায় বেশ আফসোস হচ্ছিল। বিচিত্র কোষজগৎ সম্পর্কে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা কি বেসিক জিনিসগুলো উপলব্ধির সাথে জানতে পারবে না? এই আফসোস দূর করে দিয়ে ২০২২ সালের বইমেলায় চলে আসে সৌমিত্র চক্রবর্তী স্যারের লেখা “জীবকোষ তা নয় যা তুমি ভাবছো”। আর এই বইটাই আমি বিজ্ঞান ব্লগ থেকে গিফট পেলাম। পড়ে তো অবাক! চলুন, সেই গল্পই জানা যাক। বইয়ের ভেতরে “জীবকোষ তা নয় যা তুমি ভাবছো”-বইটিতে বেশ কয়েকটি অধ্যায় রয়েছে। প্রথম দুই অধ্যায়ে বলা হয়েছে যে কোষ আসলে…

  • বিন্দুর শরীর অপ্রকৃতস্থের মতো কাঁপছে, তাকে বদ্ধ উন্মাদের মতো দেখাচ্ছে। সে এক রহস্যের জালে আটকে গেছে। দুই পাশের দেয়াল আস্তে আস্তে তার দিকে এগিয়ে আসছে। সে কী করবে বুঝতে পারছে না। বিন্দু বুঝতে পারছে সে সময়ের প্রান্তে এসে গেছে। তার আর সময় নেই, সে মারা যাচ্ছে! কিন্তু সে বাঁচতে চায়। তার স্বপ্ন আর জীবনটাকে আরও ভালো করে অনুভব করতে চায়। দেয়ালগুলো ক্রমেই এগিয়ে আসছে, হঠাৎ দেয়ালগুলোর গতি বেড়ে গেল। তারা কী বিন্দুর ভাবনা বুঝতে পারছে?  দেয়ালগুলো বিন্দুর চোখের সামনে এসে গেছে। বিন্দুর চোখ ঝাপসা হয়ে এসেছে। কিন্তু সেই অশ্রু পরিপূর্ণভাবে নিজের বিষাদ প্রকাশ করতে পারল না।…