• আপেক্ষিকতার তত্ত্বমতে অনেক ভরবিশিষ্ট কোনো বস্তুর পাশ দিয়ে আলো যাওয়ার সময় আলো বেঁকে যায়। একে গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং ইফেক্ট বলে।

  • বাস্তব ও চিন্তা জগতের ভিতরবাহিরের সকল সংখ্যা নিয়েই জটিল সংখ্যার সেট। এই সেটে সংখ্যা জগতের সকল সংখ্যাই উপস্থিত। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমরা কিন্তু ছোটো থেকেই জটিল সংখ্যার যোগ-বিয়োগ, গুন-ভাগ এই অপারেশনগুলো করে এসেছি!  জটিল সংখ্যা সম্পর্কে কেন জানতে হবে? বাস্তবিক জীবনে জটিল সংখ্যার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞানে জটিল সংখ্যা পৌঁছে গেছে অনন্য মাত্রায়। যদিও পূর্বে ধারণা ছিল, জটিল সংখ্যা মানেই কল্পনা। কিন্তু বর্তমানে বাস্তব জীবনের জন্য এই সংখ্যার গুরুত্ব অকল্পনীয়। কল্পনা থেকে সূচনা হলেও গণিতবিদদের হাতে চলে এসেছে এর প্রায়োগিক দিক। সিগন্যাল প্রসেসিং, কন্ট্রোল থিওরি, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজম, ফ্রুইড ডাইনামিকস, কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্সসহ আরো নানা ক্ষেত্রে জটিল…

  • ভাইরাসের বিশাল জগৎ সম্বন্ধে ধারণা দেওয়া সহজ কথা নয়। কিন্তু এই কাজটিই সুন্দরভাবে করা হয়েছে এই বইয়ে।

  • আমরা আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান জগতের প্রাণি কিংবা উদ্ভিদ  সম্বন্ধে কমবেশি জানলেও না-দেখা ক্ষুদ্র জগতের বাসিন্দাদের নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাই না। এই ক্ষুদ্র জগতকে আমরা নাম দিয়েছি অণুজীব জগৎ; আর এই জগতের অন্যতম মহারথী হলো ভাইরাস। মজার ব্যাপা‌র, অন্যান্য অণুজীবেরা যে অন্তত ‘জীব’ এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হলেও ভাইরাস জীব, না-কি জড় সে বিষয়ে তারা ঐক্যমতে আসতে পারেন নি। শেষমেশ তারা হার মেনেছেন এই বলে যে জীবও নয়-জড়বস্তুও নয়, ভাইরাসকে ভাইরাস-ই বলতে হবে। ভাইরাসের বিস্ময় এখানেই শেষ নয়, আমাদের দেখা-জানা অধিকাংশ জীবের উৎপত্তির আগে থেকে এরা পৃথিবীতে আছে। অবশ্য শুধু ‘পৃথিবীতে আছে’ বললে ঠিক এর মর্যাদা…

  • বিজ্ঞানের গল্প আমাদের সকলের কাছেই আকর্ষণীয়—যদি তা হয় সহজ-সরল ভাষায়। দাঁত-খটমটে কতোগুলো নাম আর আঁকাবাঁকা কতগুলো জটিল চিহ্নের ভেতরে বিজ্ঞানের যে রহস্যময় আনন্দ পুরে দেওয়া আছে,তাকে সাধারণের জন্য তুলে ধরা বেশ সহজ কাজ নয়। আমাদের দেশে বিজ্ঞানের আনন্দ সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে যেক’জন নমস্য ব্যক্তি উদ্যোগী হয়েছিলেন,তাদের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মুতী অগ্রগণ্য। বিজ্ঞানের আনন্দ সাহিত্যের আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি তৈরি করেছিলেন তার স্বতন্ত্র ভুবন। “আবিষ্কারের নেশায়” তার তেমনই এক বিশিষ্ট রচনা। এর প্রথম প্রকাশ ১৯৬৯ সালে। বইটির জন্য সে বছরই ইউনেস্কো পুরষ্কার পেয়েছিলেন লেখক। বিজ্ঞানের আলাপ করতে বিজ্ঞানীদের গল্প বলার একটা আলাদা মাজেজা আছে।…

  • পৃথিবীতে কেবল মানুষই নিজেদের সভ্য করার জন্য সমাজ গড়েনি, নিজেদের শৃঙ্খল করে রাখার চেষ্টা করেছে ভ্রমর আর বোলতারাও। এদের রাজ্যে রানি আছে, তারা শ্রমবণ্টন করে, খাদ্যের সন্ধানে বের হয়, পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা দেখায়। এরা আন্দোলন করে, তারা শত্রুদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার কৌশলও জানে। আবার অন্যের পরিশ্রম করে জমানো খাদ্য আর শাবকদের অপহরণ করা কিংবা হত্যা করার নজিরও আছে এদের সমাজে। এসব দেখা যায় ভিমরুল আর বোলতাদের রাজ্যেও। শ্রেণিবিন্যাসগত দিক দিয়ে বোলতা আর মৌমাছিরা বেশ কাছাকাছি। তবে মৌমাছি আর ভিমরুল-বোলতাদের মাঝে ফারাক আছে। প্রায় ১২০ মিলিয়ন বছর আগে বোলতাদের থেকেই মৌমাছি প্রজাতির উদ্ভব হয়েছিল। বর্তমানে…

  • ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু এর একদল গবেষক একটি ড্রোন-চালিত ডিভাইস তৈরি করেছে, যা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দেয়ালের ওপাশের ডিভাইসের অবস্থান ও কার্যবিধি ট্র্যাক করতে পারবে । ওয়াই-পিপ (Wi-Peep) নামের ডিভাইসটি যেকোনো বিল্ডিংয়ের কাছাকাছি উড়ে যেতে পারে এবং তারপরে ঐ বিল্ডিংএ বসবাসকারী ব্যক্তিদের ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এর মধ্যে থাকা যেকোনো ওয়াইফাই-সংযুক্ত ডিভাইসকে দ্রুত শনাক্ত করতে পারবে। ওয়াই-পিপ তার ফাংশনের জন্য এমন একটি রাস্তা (লুপহোল) ব্যবহার করে, যাকে গবেষকেরা নাম দিয়েছে পোলাইট ওয়াফাই বা “ভদ্র ওয়াইফাই”। এই ডিভাইসটি উড়তে উড়তে বেশ কয়েকটি ম্যাসেজ পাঠায় এবং কোনো পাল্টা সংকেত পাওয়া যায় কিনা সেটা পরিমাপ করতে থাকে। এভাবেই ওয়াই-পিপ…

  • ব্যথা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে হোক আর ভুলে গরম পানিতে হাত দিয়ে হোক, জীবনে ব্যথ্যা পেতেই হয়। প্রিয়জনের মৃত্যু কিংবা বিচ্ছেদের কারণে তীব্র মানসিক কষ্টের সম্মুখীনও হন মানুষ। ব্যথা স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া। এর উৎপত্তি মস্তিষ্কে। ক্ষতস্থান সম্পর্কে জানতে পারা, ক্ষতের তীব্রতা বুঝতে পারা, রোগের উপসর্গ বুঝে সময়মতো চিকিৎসা ও বেঁচে থাকায় ব্যথা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শারীরিকভাবে ব্যথা পাওয়ার সঙ্গে মানসিক অবস্থার একটি জটিল সম্পর্ক আছে। ব্যথা শরীরিক, মানসিক, ক্ষণস্থায়ী, দীর্ঘমেয়াদি, তীব্র, মৃদু বিভিন্ন রকমের হতে পারে। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও আমরা ব্যথা কীভাবে সৃষ্টি হয়, কীভাবে একে দূর করা যায় তা পুরোপুরি বুঝতে পারিনি।…

  • বরাবরের মতো এ বছরও বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন শুরু হয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। নিবন্ধন শেষে এবার মূল প্রতিযোগিতার পালা। এরই মধ্যে তোমরা হয়তো ভাবছ যে, প্রশ্ন কেমন হবে? আমি এ পর্বে চেষ্টা করবো জুনিয়র, সেকেন্ডারি, হায়ার সেকেন্ডারি প্রত্যেকের জন্য ১টি করে প্রশ্ন এবং তাদের সমাধান দিতে যাতে তোমরা সবাই প্রশ্ন সম্পর্কে হালকা একটা ধারণা পেতে পারো। তাহলে চলো শুরু করি। জুনিয়র নমুনা প্রশ্ন ১:  ধরো সুপারম্যান আর স্পাইডারম্যান দুটি বাসে করে বিপরীত দিক থেকে একই রাস্তা দিয়ে আসছে। সুপারম্যানের বাসের গতিবেগ ঘণ্টায় 40 Km আর স্পাইডারম্যানের বাসের গতিবেগ ঘণ্টায় 30 Km । তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব…