
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f5d5a0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-11.7%20121%20-1000.9)%20scale(297.72491%201007.18377)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300020d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.73063%20-968.7035%20521.54017%20-8.46921%201374.9%201011)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bccfed%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-45.1%20140.2%20-103)%20scale(379.67458%20320.88333)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a16d31%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(212.17135%2040.02947%20-123.59602%20655.10568%20463%20667.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইউটিউবে “মর্নিং রুটিন” ঘরানার ভিডিওগুলো অনেক জনপ্রিয় যেখানে ক্রিয়েটররা দেখান যে সকালে উঠে তারা ব্যায়াম করেন, ধ্যান করেন, নাস্তা করে পড়তে বসেন, কাজে যান – অর্থাৎ তারা সকালটা কতো প্রোডাক্টিভভাবে কাটান – এ কারণেই তারা জীবনে (ইউটিউবে) এতো সফল। আমাদের সমাজে কম ঘুমিয়ে বেশি পরিশ্রম করাকে প্রশংসা করা হয়, হাসল কালচার (hussle culture) এর অংশ হিসেবে দেখা হয়। অন্য দিকে যারা প্রাকৃতিকভাবে দেরি করে ঘুমায়, দেরি করে ঘুম থেকে উঠে, তাদেরকে তীর্যক দৃষ্টিতে দেখা হয়। আমারা তো এই প্রবাদ জানিই, “Early to bed and early to rise/ Make a man happy, wealthy and wise”। তার মানে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-101.94881%20-61.22257%20250.54822%20-417.2169%2083%2079.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c8277%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(171.4368%20219.68949%20-130.01128%20101.45555%20468.3%20297.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000200%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(148.6%20356.2%20121.1)%20scale(136.3102%20293.36985)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23820086%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-213.63993%20-52.40176%2035.5607%20-144.97957%20189.3%20452.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপঃ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং মার্ভেল
এইতো, দুই বছর আগে ২০২২ এর ১১ জুলাই পুরো পৃথিবীবাসীকে তাক লাগিয়ে দেয় নাসা, ১৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষ দূরের অসংখ্য গ্যালাক্সির এক অদেখা মহাবিশ্বের ছবি প্রকাশ করে। মানবজাতি এর আগে কখনও এই কল্পনাতীত দূরের মহাবিশ্বকে এতো স্পষ্ট করে দেখতে পায়নি। এটাকে তারা নামকরণ করেন “Webb’s First Deep Field” নামে। মহাবিশ্বের বিশালতা নিয়ে এ ছবিটি মানবজাতিকে নতুন করে জানান দেয়। নাসার এডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসনের ভাষ্যে, “আপনি আঙ্গুলের ডগায় একটি ছোট্ট বালিকণা নিয়ে সেটি মাথার ওপরের বিশাল আকাশের দিকে ধরলে আকাশের যতোখানি জায়গা এই ক্ষুদ্র বালিকণাটি দখল করবে, ঠিক সেই কল্পনাতীত ক্ষুদ্র অংশটিই হচ্ছে এই ছবিটি। মহাবিশ্বের মাত্র একটি…
%22%20transform%3D%22matrix(3%200%200%203%201.5%201.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aaa%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-29.89123%2036.51995%20-57.69056%20-47.21918%20121.6%2098)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23121212%22%20cx%3D%22239%22%20cy%3D%2227%22%20rx%3D%2240%22%20ry%3D%22240%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23141414%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(59.1%20-135.7%20118.2)%20scale(112.30468%2048.54002)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bbb%22%20cx%3D%22138%22%20cy%3D%22113%22%20rx%3D%2226%22%20ry%3D%2224%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ডাক্তার লেনেক ও স্টেথোস্কোপ আবিষ্কারের মজার কাহিনি!
১৮১৬ সাল। ন্যাকার হাসপাতাল। প্যারিস, ফ্রান্স। জনসাধারণের আনাগোনায় লোকে-লোকারণ্য হাসপাতালের সবুজ আঙিনা। কেউ কেউ হাসিমুখে বিদেয় হচ্ছেন, কেউ-বা আতঙ্কিত নয়নে, ভয়ার্ত মনে, ধীর পায়ে প্রবেশ করছেন। ডাক্তার লেনেক ন্যাকার হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ সার্জন। নিজের রুমে বসে ঝাঁঝালো রোদ্দুরে বাইরের পানে আপন মনে তাকিয়ে আছেন তিনি। অপেক্ষা করছেন রোগীর আগমনের। শুভ্র পা-যুগল এলিয়ে দিয়ে এক নির্মল নারীমূর্তি প্রবেশ করলো লেনেকের চেম্বারে। পেছন পেছন এগিয়ে এলেন একজন দীর্ঘদেহী যুবকও। কথা বলার একফাঁকে জানতে পারলেন, যুবকটি তার (নারীর) বাগদত্তা স্বামী। রোগীর সমস্যা, হৃদ-যন্ত্রণা! হাসপাতালের ডাক্তারদের গলায় সর্বদা একটি সর্পিল যন্ত্র পেঁচিয়ে থাকতে দেখা যায়। একটি টিউব, যার একপাশ গোলাকার,…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a27c88%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-91.79796%20-827.47626%20459.45775%20-50.971%20975.3%20943.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000200%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(229.96%20-49.29915%20299.6744%201397.85615%201805%20282.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000200%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(8.7%20-1803.5%201110.2)%20scale(215.74925%201166.38785)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23db7295%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-156.8234%20-263.76135%20142.73694%20-84.86647%20983.7%20924.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অপবিজ্ঞান বুঝবেন যেভাবে
অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকে স্যামুয়েল হানিম্যান বলে এক জর্মন ডাক্তার নতুন এক চিকিৎসা-পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। এর নাম ‘হোমিওপ্যাথি’। সিনকোনা গাছের বাকল থেকে ম্যালেরিয়ার ওষুধ বানানো যায় এ-খবর অনেক কাল থেকেই মানুষের জানা ছিলো। হানিম্যান পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, সুস্থ মানুষকে সিনকোনা গাছের বাকল খাওয়ালে তার দেহে ম্যালেরিয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এই ঘটনা থেকেই হানিম্যান হোমিওপ্যাথির মূলতত্ত্ব দাঁড় করিয়েছিলেন। ‘Extraordinary claims require extraordinary evidence’~Carl Sagan হানিম্যানের তত্ত্বের দুটি প্রধান নীতি ছিলো। প্রথমত,যা খেলে কোনো রোগের লক্ষণ দেখা দেয়,সেটাই ভিন্ন ডোজে ওই রোগ সারাতে পারে দ্বিতীয়ত,ওষুধকে যত বেশি লঘু করা যাবে,ওষুধ তত বেশি শক্তিশালী হবে। এই নীতি অনুসারে, অনিদ্রা রোগের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23616161%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(18.82997%20-719.08747%20378.93345%209.92272%201926.3%202247)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23cfcfcf%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M2582.2%201179.6l-2343-716.3%20248.6-812.9%202343%20716.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23666%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-147.78556%20-336.6649%20538.71853%20-236.4809%20409.9%202432.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237e7e7e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(136.4%20602.4%20696)%20scale(310.00428%20462.51949)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অপবিজ্ঞানের ব্যবচ্ছেদ-নব্যপৃথিবী সৃষ্টিতত্ত্ববাদীদের যত কাণ্ড! (পর্ব-২)
বিবর্তন তত্ত্বকে মিথ্যা প্রমাণ করতে অনেকেরই তো অনেক প্রয়াস দেখলেন, আজকে আমরা জানব ‘ইয়ং আর্থ ক্রিয়েশানিজম’ নামে এক অদ্ভুত প্রস্তাবনা নিয়ে। বাংলায় বলা যায়, ‘নব্য পৃথিবী সৃষ্টিতত্ত্ববাদ’। পুরো লেখায় ইয়ং আর্থ ক্রিয়েশানিজম-ই ব্যবহৃত হবে। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের আশীর্বাদে আমরা জানতে পেরেছি যে আমাদের মহাবিশ্ব প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহা বিস্ফোরণের ফলে আবির্ভূত হয়েছে। আর এই মহাজাগতিক যাত্রায় পৃথিবীর যোগদান মোটামুটি সাড়ে চার শ কোটি বছর আগে। আমরা নানানভাবে এসবের স্বপক্ষে এতসব প্রমাণ পেয়েছি যে এখন আর এতকিছুকে মিথ্যে প্রমাণ করার অবকাশ নেই। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, কিছু লোক প্রাচীন কিছু মিথোলজিকাল বইপত্র ঘেঁটে দেখলেন, পৃথিবীর বয়স দাঁড়ায়…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23acafad%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-410.88644%20-45.36229%20100.66413%20-911.80432%20798.8%20769.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23151414%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-98.81705%20-549.20208%20484.4651%20-87.16903%201913.2%20664.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231e1d1d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(117.7739%20-402.75532%20192.66739%2056.33989%2084.8%20159)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b3b1b2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(172.32705%20-44.5668%2081.77114%20316.18556%20888.2%20664)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমুদ্রের লবণাক্ততাঃ পরিচিতি
পৃথিবীতে পানির পরিমাণ সময়টা গোধুলি। সূর্য অস্ত যাবে যাবে। আকাশ রক্তিম। সম্পূর্ণ রক্তিম না। হলুদ, কমলা, এবং লালেরা মিলে একটি ছবি আঁকছে। সেইন্ট মার্টিনের সৈকতে দাঁড়িয়ে আছে কিছু যুবক। তাদের পায়ে লেপটে আছে সৈকতের বালু। ঢেউ এসে পা ধুয়ে দিচ্ছে। এক পা আগাতেই আবারো দুই পা বালুময়। কোলাহল বিবর্জিত সন্ধ্যা। কিছু সামুদ্রিক বুবি পাখি ভরপেটে এখানে সেখানে টহল দিচ্ছে। যুবকদল ক্লান্ত। তাদের মাঝে কেউ কেউ সাগরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যত এগিয়ে যাচ্ছে ততই কাছে বঙ্গোপসাগরের আলিঙ্গনের হাতছানি। অদৃশ্য মায়ায় সমুদ্র তাদের ডাকে। পরক্ষণেই সমুদ্রের গভীরতা তাদের ভয় পাইয়ে দেয়। তারা অবিচলিত, তবে কিছুটা পিছিয়ে আসে। জোয়ারের…
%22%20transform%3D%22matrix(2.5%200%200%202.5%201.3%201.3)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23e7a66f%22%20d%3D%22M-16%20150l248%2015L18%2048z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23007eae%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-175%2093.7%2015.1)%20scale(103.53148%2064.276)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237a9811%22%20cx%3D%22234%22%20cy%3D%22151%22%20rx%3D%2297%22%20ry%3D%2230%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c1bfde%22%20d%3D%22M-16%20141l98%2026%2013-61z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহর্ষি সুশ্রুত: প্লাস্টিক সার্জারির জগতে জাজ্বল্যমান জ্যোতিষ্ক!
প্রায় ২৬০০ বছর আগের কথা। বর্তমান ভারতের বেনারসের নিকটবর্তী কোনো এক অচেনা জনপদ। কাছেপিঠেই ছোট্ট এক আলো ঝলমলে কুঁড়েঘরে বাস করতেন মহর্ষি সুশ্রুত, তখনকার দিনে সে অঞ্চলের পরিচিত মুখ– জ্ঞানী, গুণী ও মহানুভব এক শল্য চিকিৎসক। সময়ে-অসময়ে তার কাছেই যেকোনো রোগ-ব্যধি-পথ্যের প্রয়োজনে ছুটে আসতেন স্থানীয় মানুষজন। হাত বাড়াতেই পেয়ে যেতেন প্রয়োজনীয় ওষুধ-চিকিৎসা। তেমনি এক ঝড়বাদলের মধ্যরাতের ঘটনা। সুশ্রুত-র কুঁড়েঘরের দরজায় অকস্মাৎ টুকা পড়লো– ঠক ঠক ঠক। কে এসেছে বাইরে? প্রশ্ন শেষ না হতেই দরজা খুলে তার পদযুগলে লুটিয়ে পড়লেন এক যুবক। ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে তার নাক বেয়ে। রক্তের তোড়ে ভিজে যাচ্ছে তার পুরো মুখাবয়ব!…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b95e16%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-500.0766%2037.60095%20-6.5579%20-87.21738%20528.9%20502.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23faffff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(35.9813%20-163.65497%20350.32406%2077.02252%2094.3%20241)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c2652b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-177.1%20224.7%204.3)%20scale(335.46191%2049.66951)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c5d6e6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-83.2%20446.9%20-239.3)%20scale(123.69715%20457.38862)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ওয়াবি সাবিঃ ত্রুটিপূর্ণ সৌন্দর্য-বন্দনার জাপানি দর্শনে বিজ্ঞানের অগ্রগতি
এ দর্শনের মূল শিক্ষা হচ্ছে আপনি যেমন আছেন ঠিক তেমন সত্ত্বাটিকেই আলিঙ্গন করুন। আপনার অপূর্ণতা ও খুঁতগুলোকে লুকানোর চেষ্টা করবেন না। এগুলোই আপনার স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্য প্রকাশ করে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ সম্প্রতি এক্স-রে ন্যানোইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কঠিন ইলেক্ট্রোলাইটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম আবিষ্কার করেন যা ওয়াবি সাবির শিক্ষাকেই প্রতিফলন করে। (এই লেখায় কোনো শব্দের পাশে [↓] চিহ্ন শব্দটির সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা নির্দেশ করে, যা লেখার শেষে ‘তথ্য সমৃদ্ধি’ অনুচ্ছেদে পাওয়া যাবে।) উপরের দুইটি কাপ থেকে যদি যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বলা হয় আপনাকে, তাহলে আপনি অবধারিতভাবেই হয়তো বামের কাপটিকে বেছে নিবেন। এর কারণ বামের কাপটি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000700%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(701.56107%201668.94783%20-291.51738%20122.54262%20184.8%20714.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2396697c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-617.3451%20554.64673%20-281.85233%20-313.71348%201242.9%20104.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23676a66%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(202.44024%20-73.76434%20279.57179%20767.26208%201009%20415.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232b3360%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-112.1%20930.2%20-289.6)%20scale(181.27443%20327.54518)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নেভিয়ার স্টোকস সমীকরণ : পেছনের দর্শন
প্রবাহী পদার্থের কোলাহল পদার্থের প্রচলিত সব ধরনের অবস্থার মধ্যে কঠিন এবং প্রবাহী পদার্থের (তরল, বায়ু) সাথে আমাদের পরিচিতি সবচেয়ে বেশি। এই দুই প্রকার পদার্থের মাঝে মূল পার্থক্য হলো সামান্যতম ধাক্কা বা বলের ইশারা (non-zero force) পেলেই তরল এবং বায়বীয় পদার্থ আর আগের আকৃতিতে থাকে না, তারা রূপ পরিবর্তন করে ফেলে। অন্যদিকে কঠিন পদার্থের আকৃতি পরিবর্তনের জন্য এবং তাকে তার জায়গা থেকে সরানোর জন্য অন্তত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি (yielding force) প্রয়োগ করতে হয়। প্রবাহী পদার্থের কোলাহল আমাদের চারপাশে সর্বত্র। পুকুরে ছোঁড়া ছোট্ট ঢিলের তরঙ্গ থেকে উত্তাল সাগরের উর্মিমালা, নিশ্বাসের নিস্তব্ধতা থেকে আগ্নেয়গিরির ধূমায়িত চিৎকার, গাছের পাতাকে…







