
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c7a6e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(40.6167%2037.71424%20-34.22437%2036.85825%20132.3%2068.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e7e7e8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-41.82168%20-251.5471%2050.14052%20-8.33626%2028.6%20100.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23667426%22%20cx%3D%22127%22%20cy%3D%2262%22%20rx%3D%2219%22%20ry%3D%2225%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b1b2b2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(35.06823%2019.2775%20-25.44541%2046.28846%2059.4%2069.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বাংলাদেশে বেশ কিছু বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন রয়েছে। আর সেই ভান্ডারেই অন্যতম সংযোজন ছিল বিজ্ঞান প্ল্যাটফর্ম ‘ট্যকিয়ন’ এর বিশেষ ম্যাগাজিন। জুলাই সংখ্যার এই ম্যাগাজিনটিতে ছিল গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও বিজ্ঞানকর্মীদের টুকটাক লেখনি ও প্রবন্ধ। কেমন লাগলো এই ম্যাগাজিন? চলুন, ম্যাগাজিনের ভেতরে ডুব দেওয়া যাক এবং দেখে নেওয়া যাক ভালো-মন্দ! ম্যাগাজিন পরিচিতি ম্যাগাজিনটিতে মূলত জ্যোতির্বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কিছু প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রথম লেখাটি ছিল নিউক্লিয়ার ওয়েপনস এর উপরে। এটা একটি যুগোপযোগী লেখা। এরপর ছিল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ নিয়ে একটি বিজ্ঞান সংবাদ। তারপর ‘ডেঙ্গু জ্বরের কথকতা’ শিরোনামে একটি চমৎকার প্রবন্ধ রয়েছে, যেটা মূলত একজন বিশেষজ্ঞ…
%22%20transform%3D%22translate(7.4%207.4)%20scale(14.88281)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23898989%22%20cx%3D%22181%22%20cy%3D%2270%22%20rx%3D%2253%22%20ry%3D%2253%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(13.72594%20254.63032%20-65.16364%203.51267%2056%2072.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238e8e8e%22%20cx%3D%22183%22%20cy%3D%2271%22%20rx%3D%2232%22%20ry%3D%2234%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.89522%20-42.74412%2076.66303%208.77975%2048.7%20128.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কের কাজ চিন্তা করা নয়
এক সময়ে পৃথিবী দাপিয়ে বেড়াতো এমন সব প্রাণীরা, যাদের কোন মস্তিষ্ক ছিলো না। এমন একটি প্রাণী ছিলো অ্যাম্ফিওক্সাস। এদেরকে হঠাৎ দেখলে মনে হবে ক্ষুদ্র কোন কীট মনে হবে। তবে ভালোভাবে খেয়াল করলে এর দেহের দুই পাশে মাছের গিলের মতো চিড় দেখা যাবে। ৫৫০ মিলিয়ন বছর আগে অ্যাম্ফিওক্সাস সমুদ্রে ঘুরে বেড়াতো। নিজেদেরকে সামনে ঠেলে দিয়ে এরা চলাচল করতো। আর খাদ্যশিকারের জন্য নিজেদের সমুদ্রতলে ঘাসের মতো বসে থেকে, আরো ক্ষুদ্র প্রাণী কখন এদের মুখের মধ্যে এসে পড়ে, তার অপেক্ষা করতো। স্বাদ-ঘ্রাণ নিয়ে অ্যাম্ফিওক্সাসের কোন বিকার নেই, কারণ এই জীবের আমাদের মতো ইন্দ্রিয় ছিলো না। এদের কোন চোখ ছিলো…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239daca7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-6.4%20436.4%20-7158.2)%20scale(829.3362%20432.10979)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-216.79078%20-160.41674%20382.89612%20-517.45441%201884.6%20832)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23239871%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(61.4%20118.8%201199.9)%20scale(358.98448%20443.98843)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2333262b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1874.4109%20674.82945%20-102.00972%20283.34288%20422.6%20995.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ক্লোরোফিল ব্লুমঃ বরফের নিচে এক নতুন সমুদ্র
আর্কটিক বা উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean) পৃথিবীর জলবায়ুর সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর একটি। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এর ফলে পৃথিবীতে সামান্য যেই কয়টি জায়গা বড় পরিসরে ঝুঁকির মুখে আছে, আর্কটিক মহাসাগর সেই তালিকায় একদম উপরে থাকবে। শুধু বিগত পঁয়ত্রিশ বছরেই আর্কটিক মহাসাগর প্রায় বিশ লক্ষ বর্গকিলোমিটার বরফের আস্তরণ হারিয়েছে [1] যা কিনা গত পনেরোশ বছরের সম্মিলিত হারানো বরফের আস্তরণের চেয়ে বেশি! এই সংখ্যাটার ব্যাপকতা এবং গভীরতা বুঝানোর জন্য আমি একটি তুলনা দিয়ে দেখাতে চাই। ব্যাপারটাকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়ঃ যেহেতু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং সমুদ্রের উপরের স্তরের পানি দিন দিন গরম হচ্ছে, এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c8859%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.47944%2064.67819%20-37.14479%20-.84964%20118.1%2088.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238dc0af%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(25.5028%2023.03664%20-18.03525%2019.966%20124.5%2051.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2341ccea%22%20cx%3D%22233%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2281%22%20ry%3D%2281%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23098eae%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.98854%2031.16718%20-15.52503%202.4849%20163.7%20122.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হাতের পাঁচ আঙুল ও বিবর্তন
২০০৩ সালের ৪ ডিসেম্বর। বিখ্যাত নেচার জার্নালে প্রাচীন এক সরীসৃপ সম্পর্কে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়। নতুন আবিষ্কৃত সেই সরীসৃপের সামনের দুই বাহুতে ৭ টি করে আঙুল ছিল এবং পায়ের আঙুল সংখ্যা ছিল ৬ টি করে। শুনতে সাধারণ মনে হলেও, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার ছিল। এই আবিষ্কারের গুরুত্ব বুঝতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে এখন থেকে প্রায় ৩৬-৪২ কোটি বছর আগে। পৃথিবীতে তখন ডেভোনিয়ান পিরিয়ড বা ডেভোনিয়ান সময়কাল। ডেভোনিয়ান পিরিয়ডের প্রথমদিকে পুরো পৃথিবীতে রাজত্ব করত মাছ। ডাঙায় তখনো কোনো প্রাণীর উদ্ভব হয়নি। তবে ডেভোনিয়ান এর মাঝামাঝি সময়ে এক নতুন ধরণের মাছের উদ্ভব হয় যাদের শরীরে সরু…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b25812%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-88.5%20672.5%20-209.7)%20scale(467.22404%20428.50949)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-86.9%201097.8%20-535.4)%20scale(1679.24506%20295.92856)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000001%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-287.35269%2016.06551%20-99.64139%20-1782.21674%20171%20959.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a66b3e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-177.28177%2081.48713%20-94.4483%20-205.47982%20869.6%20499.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
প্রকৃতিতে গণিতের সৌন্দর্য!
গণিত; প্রকৃতির রহস্য উদঘাটনের এক চমকপ্রদ উপহার। এর সাহচর্যে প্রসারিত হচ্ছে বিজ্ঞানের সীমানা। আবিষ্কৃত হচ্ছে নব-নব প্রযুক্তি, উন্মোচিত হচ্ছে দিগন্ত-বিস্তৃত সম্ভাবনা। তবে, সুনিপুণ এই বিজ্ঞানের জগৎকেও অনেকেই ভয় পান। ভাবেন- গণিত মানেই জটিল-কঠিন সমীকরণের সমাহার আর নিকষকালো, প্রাণহীন, দুর্ভেদ্য সব অন্ধকার বিষয়। কিন্তু, এর অতল গহ্বরে ডুব দিয়েও যে এর মগজ-ধাঁধানো সৌন্দর্য প্রাণভরে উপভোগ করা যায়, সে সুযোগটুকুও তৈরি করে নিতে রীতিমতো অপারগ তারা। তাদের এমন অপারগতার ফলাফল, মলাটবদ্ধ পাঠ্যপুস্তকের বাইরেও যে গণিতের রয়েছে অবাধ বিচরণ, তা দু-চোখ ভরে কখনোই দেখা হয়ে ওঠে না। জানা হয় না বর্ষার অথৈ জলে হেলেদুলে ভাসমান শাপলার পাতায়, শামুকের খোলসে,…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f25200%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(109.1563%20-72.52327%2032.53294%2048.96602%20195.9%20115)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23259adf%22%20d%3D%22M-16-1l37%20152L162-16z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f56d00%22%20cx%3D%22210%22%20cy%3D%22131%22%20rx%3D%2267%22%20ry%3D%2237%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23503d8a%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%22110%22%20rx%3D%2263%22%20ry%3D%2238%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
রাসায়নিক বিস্ফোরণঃ নাকি সবকিছুই একসঙ্গে এসেছে?
অ্যালকালাইন ভেন্ট হাইপোথিসিস জোর দেয় জীবকোষ চালাবার শক্তির ওপর। তাই একে “মেটাবলিজম ফার্স্ট” হাইপোথিসিসও বলে। কিন্তু এই অনুকল্পে ভর দিয়ে প্রাণ সৃষ্টির দৃশ্যপট কল্পনা করতে গেলেও সবার শুরুতে একটা পর্দার কথা ভাবতে হয়। যদিও এটা বর্তমান কোষপর্দার মতন না। তাই এই হাইপোথসিসিসেও কম্পার্টমেন্টালাইজেশনের প্রসঙ্গ চলে আসে।
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231d1d1d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-37.51562%2061.70236%20-34.43892%20-20.9392%20237.2%20113.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d7d7d7%22%20cx%3D%22156%22%20rx%3D%22101%22%20ry%3D%2255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235d5d5d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(27.56584%20-60.06513%2036.54618%2016.77223%200%2090)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23a1a1a1%22%20d%3D%22M203%2067L36%20159%2019-16z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মোহনার তাপমাত্রা নৃত্য
সমুদ্র এমন একটা অদ্ভুত গবেষণাগার যেখানে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরিবর্তন থেকে বিশাল বড় পরিসরে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ ভাষায় একে বলে স্কেল (scale)। সমুদ্রে মিলিমিটার বা সেন্টিমিটার স্কেলের ক্রিয়াপ্রক্রিয়া যেমন পরিলক্ষিত হয়, ঠিক তেমনি এখানে হাজার হাজার কিলোমিটার জুড়ে পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যায়। এই পরিবর্তন কে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ভ্যারিয়াবিলিটি (variability)। মজার ব্যপার হল, ডমিনো ইফেক্ট এর মতো করে এই ছোটো স্কেলের ঘটনাগুলোই আস্তে আস্তে বড় স্কেলের পরিবর্তন এর দিকে ধাবিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, নিচের ছবিতে (ছবি-১) আমরা বিভিন্ন স্কেলের একটা ম্যাপের মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করছি যে, ছোট ছোট ঘুর্ণনস্রোত (~১ মিটার) সমুদ্র মোহনার লবণ স্তরায়ন (~১০…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23797979%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(51.42908%20-846.50728%20407.04743%2024.72994%201003.2%201010.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23050505%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(250.65747%20-366.076%20221.32962%20151.54756%201742.5%2065.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-13.8%205222.2%20-7352.8)%20scale(275.57408%20173.46389)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23090909%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-167.68643%20246.78867%20-99.11308%20-67.34474%20564.5%20261.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হাকেল তত্ত্ব ও অ্যারোমেটিসিটি
মাধ্যমিক কিংবা উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রসায়ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। তবে বেশিরভাগই একটা ব্যাপারে সহমত হবে যে, ক্যামিস্ট্রি ইজ আ সাবজেক্ট অব এক্সেপশনাল। এক্সেপশনাল, এক্সেপশনাল শব্দ শুনতে শুনতে পুরো বিষয়টাই আমাদের কাছে অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে! যেখানে কিছু নিয়ম-নীতি পড়তে হয় যা কিনা আমাদের কখনো অনুভব করানো হয় না। তেমনি একটা বিষয়বস্তু হচ্ছে, “হাকেল তত্ত্ব”। প্রথম যখন এই তত্ত্ব পড়ি, খুব অদ্ভুতরে মনে হয়েছে আমার কাছে। তত্ত্বটির গতানুগতিক সংজ্ঞায় আমি যাব না, সোজা বাংলায় বললে, “যেসব সমতলীয় চাক্রিক যৌগে ৪n+২ সংখ্যক পাই ইলেকট্রন থাকে তারা অ্যারোমেটিক যৌগ হয়”। প্রথম প্রথম আমার একে কেবল দৈববাণীর…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22119%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%2244%22%20ry%3D%2244%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23858585%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-55.64192%2031.55811%20-18.48776%20-32.59683%20122%20121.4)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23fff%22%20d%3D%22M134%2011.7l-27%2017.6-3.2-45.3h31.7z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23848484%22%20d%3D%22M-9.7%20148.2l-.6-32%2020-.4.6%2032z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কগনিটিভ ডিজোনেন্স: মানুষ কেনো সহজে তার মত বদলায় না
“A man with a conviction is a hard man to change. Tell him you disagree and he turns away. Show him facts and he questions your sources. Appeal to logic and he fails to see your point.” ~Leon Festinger ১৯৫০’র দশকে যুক্তরাষ্ট্রের এক কাল্ট-দল প্রচার করেছিলো চার বছর পর,মানে ১৯৫৪ সনের ২১শে ডিসেম্বর হবে পৃথিবীর শেষ দিন। এক মারাত্মক বন্যায় পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। এই দলের সদস্যরা এতোটাই আশ্বস্ত হয়েছিলেন যে তাদের অনেকে নিজ নিজ চাকরিও ছেড়ে দেন এবং নিজেদের সম্পদ’ও বিলিয়ে দেন। কিন্তু.. পৃথিবীর কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই চার বছর পর ২১শে ডিসেম্বর পার হয়ে ২২শে…







