
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.88281)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237d745b%22%20cx%3D%2287%22%20cy%3D%22132%22%20rx%3D%2291%22%20ry%3D%2273%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23090a0e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.58506%2030.797%20-254.66293%20-13.10695%20131.3%2022)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ad4b00%22%20cx%3D%2294%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2230%22%20ry%3D%2230%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23161a21%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.61869%2012.7383%20-74.76255%20-91.66794%2043.5%2077.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গ্রহের কথা মাথায় এলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটি গোলাকার বস্তু যা একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছ। আমাদের ধারণা গ্রহ বলতেই সেগুলো কোনো না কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরবে। তবে ধারনাটা ঠিক নয়। মহাবিশ্বে এমন কিছু গ্রহ আছে যারা কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরে না এদেরকে বলা হয় নিঃসঙ্গ গ্রহ বা ইংরেজিতে Rogue planet। অনেকে এদেরকে ভাসমান গ্রহও বলে। সম্প্রতি গতবছরের ২২ ডিসেম্বর ন্যাচার পত্রিকায় এরকম ৭০ থেকে ১৭০ টি এমন ধরনের গ্রহ খুজে পাওয়ার দাবী করেছে ফ্রান্সের বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যাোতির্পদার্থবিদ ড. নুরিয়া মিরেট রেয়িগ এবং তার দল। এই গ্রহগুলোর বেশির ভাগেরই আকার বৃহস্পতি গ্রহের…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23006532%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(51.2696%20-6.92712%2026.16165%20193.62985%2029%2084.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffd5e3%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-85.78052%2076.69664%20-36.5925%20-40.92648%20214.1%2045.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23007248%22%20cx%3D%2211%22%20cy%3D%22143%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%22247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(16.85231%20-17.51945%2029.29509%2028.17953%20246.7%2017)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ কতটা ভয়াবহ?
মানুষের জীবনের সাথে সমুদ্র যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। পৃথিবীর প্রায় ৭১% হলো সমুদ্র যা বিভিন্ন প্রাণীর জন্য একমাত্র বাসস্থান। ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এক তথ্যমতে, সমুদ্র প্রায় ৭০% অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, আমাদের এই সমুদ্র প্রতিনিয়ত কোন না কোনভাবে দূষিত হচ্ছে। আর প্লাস্টিক দূষণ হলো তার মধ্যে অন্যতম। যার ফলে জীববৈচিত্র্য এখন চরম হুমকির মুখে। পৃথিবীতে প্রতি মুহুর্তে কোন না কোন স্থানে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট আর স্ট্র এর শেষ ঠিকানা হচ্ছে সমুদ্র। ২০১৫ সাল নাগাদ পৃথিবীতে ৬.৩ বিলিয়ন প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা হয়েছে। ভয়ংকর হলেও সত্য যে, এর…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232dbe75%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.21063%2047.44144%20-80.82211%20-25.91312%20130.2%2042)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23050000%22%20cx%3D%2298%22%20cy%3D%22158%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2249%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237a6a31%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-19.44252%20-32.2356%2033.94693%20-20.47469%20167.6%2079.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22106%22%20cy%3D%22153%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অরোরার অজানা কথা
ভিডিও গেম বা রূপালি পর্দায় ভিজুয়্যাল ইফেক্টের নিখুঁত কাজ দেখে একবারের জন্যও মুগ্ধ হন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু ভার্চুয়াল দুনিয়া এখনো প্রকৃতিকে টেক্কা দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করে নি। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখনো নিঃসন্দেহে মানুষের মুগ্ধতার তালিকার শীর্ষ স্থানেই আসীন রয়েছে। প্রিয় পাঠক, যদি আপনার এর সত্যতা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে, তাহলে আপনার উচিত হবে সময় নিয়ে পৃথিবীর উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুর দিকে একবার হলেও ঘুরে আসা। যদি আপনি সৌভাগ্যবান হন, তাহলে হয়তো সাক্ষী হয়ে যেতে পারেন প্রকৃতির এক অদ্ভুত খেয়ালের। যার নাম অরোরা বা মেরুজ্যোতি। অরোরার প্রভাবে আকাশে দৃশ্যমান হয় আলোর খেলা। দিনের…
%22%20transform%3D%22translate(1.5%201.5)%20scale(2.96484)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23de8aa7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-39.96997%20-30.0103%2021.81991%20-29.0614%2030.9%2013.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e985a7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-118.4%20176.5%2022.8)%20scale(37.88612%2029.78541)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a8bfb8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-18.66486%20-.91286%20.93843%20-19.18757%2055.2%2048.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e1e7e5%22%20cx%3D%22170%22%20cy%3D%2266%22%20rx%3D%22100%22%20ry%3D%22100%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের নমুনা প্রশ্ন || পর্ব-১
জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড নিয়ে দুই ধরণের কন্টেন্টের বড়ই অভাব ছিল! সে দু’টো হলো গাইডলাইন আর নমুনা প্রশ্ন। আমি ইতিমধ্যে একটা গাইডলাইন বিজ্ঞান ব্লগে লিখেছিলাম। এরপর সবাই অনুরোধ করায় নমুনা প্রশ্নের মিশনে নেমে গেলাম। এই পর্বে যে প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তা পূর্বে আমাদের ফেসবুকে গ্রুপে প্রকাশিত হয়েছিল। ১. কোষ জীবদেহের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক, যেখানে প্রোটিন, রেজিন, আয়ন এবং অ্যাসিডসহ বিভিন্ন উপাদান সুষমভাবে অবস্থান করে। কিন্তু, কখনো কখনো কোষের মধ্যকার উপাদানের আধিক্য বা স্বল্পতার কারণে যাবতীয় কার্যক্রম ব্যহত হয়। একইভাবে সঠিক পরিমাণে কোষের বৃ্দ্ধি না ঘটলেও শারীরবৃত্তীয় কর্মকান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। A. তোমার কোষে যদি রেজিনের পরিমাণ বৃধি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238d5427%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(99.8%20126.7%20430.6)%20scale(266.83368%20360.87841)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffd4a9%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-137.5%20225.5%20507.4)%20scale(337.80041%20168.48366)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23ffd1a6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M241-61.5L0%20373.2l-235.2-130.4%20241-434.7z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23733b0e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M443.4%20377.5l36-117.5%20229.2%2070.1-36%20117.4z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কের ব্যক্তিত্ব বোধ
আমরা সবাই-ই মহাকালের যাত্রী। যেহেতু আমরা সময়ের মধ্য দিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছি, প্রতিদিনই আমরা কিছু না কিছুর অভিজ্ঞতা লাভ করি। এই অভিজ্ঞতা গুলোকে সংরক্ষণের জন্যে আমাদের মগজের স্নায়ু কোষ গুলোর মধ্যে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে অসংখ্য নিউরাল সংযোগ। এই প্রক্রিয়ায় যেন আমরা নিজেরা নিজেদের পুনরায় বিন্যস্ত করি। এভাবেই আমাদের স্মৃতি গুলো তৈরি হয়। স্মৃতি আমাদের ব্যক্তিত্ব বোধকে ধরে রাখতে অনেকটা আঠার মতন কাজ করে। আমরা কেবল শারীরিক ভাবেই সময় কে ভ্রমণ করি তা নয়, মানসিক ভাবেও আমরা কালের ভ্রমণ পথিক। আমরা স্মৃতির মধ্য দিয়ে অতীত থেকে ঘুরে আসতে পারি আবার কল্পনায় ভর করে ভবিষ্যতে পাড়ি জমাতে পারি।…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.73438)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238c7fdc%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.02033%20-29.39062%20203.52888%20-.14081%20184.8%2068.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%2273%22%20cy%3D%22164%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2236%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23948bbf%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(61.24237%208.63165%20-3.02732%2021.47915%20200%2077.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2372755f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(92.2%2018.4%20115.1)%20scale(12.63382%20204.27351)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিশ্বের বৃহত্তম অপটিক্যাল টেলিস্কোপ
দ্য এক্সট্রিমলি লার্জ (Extremely Large Telescope (ELT) টেলিস্কোপ (ELT) হল ৩৯ মিটার (১২৭ ফুট) মিটার দূরবীন। টেলিস্কোপটিকে আগে ইউরোপিয়ান এক্সট্রিমলি লার্জ টেলিস্কোপ (E-ELT) বলা হত। 2017 সালের জুনে এই নাম পরিবর্তন করে ইএলটি নামকরণ করা হয়েছিল। এটি একটি বৈপ্লবিক বৈজ্ঞানিক প্রকল্প। আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে অমীমাংসিত নানান প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সাহায্য করবে এটি। ২০২৪ সালে চালু হলে, এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম optical/near-infrared টেলিস্কোপ। এই টেলিস্কোপে বর্তমানের বৃহত্তম অপটিক্যাল টেলিস্কোপের চেয়ে 13 গুণ বড় আলো-সমাবেশের এলাকা থাকবে। এটি হাবল স্পেস টেলিস্কোপের তুলনায় 16 গুণ পরিস্কার ছবি তুলতে সক্ষম। এর আরেকটি দারুণ ব্যাপার হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোড়নের কারণে সৃষ্ট…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23575757%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(29.1%20-649.7%20343)%20scale(112.65883%20172.29534)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23575757%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(143.2%20206.3%20326.3)%20scale(79.9176%2096.69259)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23535353%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M205%20392.6l65.7-75-61-70.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23191919%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(403.52056%20210.28788%20-64.89729%20124.53114%20281.9%20125.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
লেজার ফিজিক্সে হাতেখড়ি
সাধারণ টর্চলাইট এবং লেজার। একটি জায়গায় এদের দুইজনের মিল বেশ লক্ষণীয়। এরা উভয়েই উৎপন্ন করে আলো। কিন্তু সেই আলোর প্রকৃতিতে রয়েছে যোজন যোজন পার্থক্য। বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য লেজার থেকে উৎপন্ন আলোকে সাধারণ আলো থেকে আলাদা করেছে। যেমনঃ সাধারণ আলো পথ চলতে চলতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু লেজার রশ্মি একই সরলরেখা বরাবর সোজা চলতে থাকে। অর্থাৎ, ছড়ায় না। আবার, লেজার রশ্মির তীব্রতা সাধারণ আলোর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। সাধারণ আলো যেখানে সাতটি বর্ণের আলোর সমন্বয়ে গঠিত, সেখানে লেজার রশ্মি মনোক্রোমাটিক বা এক বর্ণী। অর্থাৎ, এতে শুধুমাত্র একটি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর অস্তিত্ব থাকে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো লেজার রশ্মিকে করেছে…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(1.98828)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237d968e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-240.57332%2015.1356%20-2.85126%20-45.31946%20117.3%2091)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236e374a%22%20cx%3D%22155%22%20cy%3D%22160%22%20rx%3D%22243%22%20ry%3D%2225%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23992d4c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(2.76898%20-27.26015%20151.05037%2015.34314%20159.2%208.5)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23cf678b%22%20d%3D%22M168%2042L-16%2059l3-60z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এরিয়া ৫১ : মিথ ও বিজ্ঞানের এক অনবদ্য সমন্বয়
মিথ আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি শব্দ। ইংরেজি এই শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ আপনাদের জানা আছে? আমি বলে দিচ্ছি। পুরাকথা বা জনশ্রুতি। এই মিথের সাথে যদি কখনও বিজ্ঞানের মিশেল ঘটে? ধুর, সেটাও কি কখনও সম্ভব? জনশ্রুতি আর বিজ্ঞান, তারা কিভাবে একে অপরের পাশাপাশি অবস্থান করতে পারে? এ যে তেল আর পানির মিশ্রণের কথা মনে করিয়ে দেয়, যারা একই মিশ্রণে থেকেও না মিশে গিয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে! আজ আপনাদের এমনই এক বিজ্ঞান ঘেঁষে চলা আধুনিক মিথের গল্প শোনাব। বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বেশ কিছু জায়গা নিয়ে কিছু মিথ আমরা শুনেছি। অনেকেই বলেন, এই সব জায়গায় রহস্যময় সব ঘটনা ঘটে যা মানুষের…

ওলবার প্যারাডক্স এবং কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন
ওলবার প্যারাডক্সের সূত্রপাত জার্মান বিজ্ঞানী হেনরিক উইলহেম ওলবারের হাত ধরে ১৮২৩ সালে। এটি আসলে খুব সাধারণ নিরীহ একটি প্রশ্ন। আর সেটি হল যে, ‘রাতের আকাশ অন্ধকার কেন?’ অত্যন্ত সরল এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানীদের অনেক আগে থেকেই জানা ছিল। ঘূর্ণনশীল পৃথিবীর যে পৃষ্ঠ দিনের বেলায় সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে, সেটাই রাতের বেলাতে বিপরীত দিকে চলে যায়। সূর্যের আলোর অনুপস্থিতে আকাশ অন্ধকার দেখায়। আর দিনের বেলায় সূর্যের তীব্রতার দরুন দেখতে না পাওয়া নক্ষত্রগুলো রাতের বেলাতে দৃশ্যমান হয়। এরপর দৃশ্যপটে এলেন ওলবার। গোটা বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করলেন একটু ভিন্নভাবে। তার সময়ে সমগ্র মহাবিশ্বকে অসীম হিসেবে বিবেচনা করা হত। অসীম…







