

আমাদের দেহের কোন একটি অঙ্গ কিংবা বিশেষ শ্রেণীর কোষ অথবা আরও ক্ষুদ্র জিন কি কাজ করে তা উদঘাটনের একটা সুপ্রচলিত পদ্ধতি হল … সেটাকে নিষ্ক্রিয় করে দিয়ে ফলাফল পর্যবেক্ষন করা। এভাবেই ব্লুস গ্লিক, বার্সা অফ ফ্যাব্রিসিয়াসকে বিকল করে দিয়ে যে ফলা ফল পেয়েছিলেন তার ব্যখ্যা খুঁজতে গিয়েই টি কোষের খোজ মেলে। একই পদ্ধতি ইঁদুর অথবা অন্য কোন গবেষণায় ব্যবহৃত প্রাণীর উপর চালিয়ে অন্তর্নিহিত এবং অভিযোজিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। যেহেতু নানা কারণে মানুষের উপর এই ধরণের গবেষণা চালানো সম্ভব হয়ে উঠেনা, তাই ইঁদুর বাদুর-ই ভরসা। তবে প্রকৃতি কখনো কখনো তার খেয়ালে মানুষের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238d8d8d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(164.2%2035.6%20163.6)%20scale(151.60867%20130.75196)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23959595%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(36.91234%20136.80321%20-150.30084%2040.55428%20516%20314.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-2.6684%2084.65795%20-585.1314%20-18.44319%20502.2%2052.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238e8e8e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-88.49849%203.10518%20-3.16432%20-90.18399%20519.3%20343.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পূণরাবৃত্ত ল্যারেঞ্জিয়াল স্নায়ু: একটি বিবর্তনীয় ও ঐতিহাসিক লিগ্যাসি
বিশাল তাৎপর্যপূর্ণ কোনো ঘটনার প্রচুর চিহ্ন থেকে যায়। আমাদের শরীরে এখনও প্রচুর চিহ্ন, উচ্ছিষ্ট রয়ে গেছে হাজার হাজার বছরের বিবর্তনের। এমন leftover যেমন রয়ে গিয়েছে আমাদের কোষের অভ্যন্তরের আণুবীক্ষণিক জগত জিনে, তেমনি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আমাদের সারা শরীরেও। আমাদের আজকের গল্পটা তেমনি এক লেফটওভারের। আজকের গল্পটা জীবের এলোপাথাড়ি নকশার। আমাদের মস্তিষ্ক থেকে সৃষ্টি হওয়া ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ুর একটি উল্লেখযোগ্য স্নায়ু হচ্ছে ভেগাস স্নায়ু। এটি মেডুলা অবলংগাটার পার্শ্বদেশ থেকে সৃষ্টি হয়ে প্রতিটি স্নায়ু চারটি শাখায় বিভক্ত হয়। এই ভেগাস স্নায়ুর একটা শাখা হচ্ছে ল্যারিঞ্জিয়াল স্নায়ু। যার কাজ হচ্ছে স্বরযন্ত্রের পেশী সমূহ পরিচালনা করা। স্বরযন্ত্র পরিচালিত হয়…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23be9d9c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.6089%20-45.24515%2076.57426%20-2.72295%20132.8%20108)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e130b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(254.81591%20-9.6877%201.15277%2030.3213%20142.5%2020)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b87716%22%20cx%3D%22127%22%20cy%3D%2262%22%20rx%3D%2232%22%20ry%3D%2232%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e1316%22%20cx%3D%22252%22%20cy%3D%22103%22%20rx%3D%2242%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সম্পর্কে বিস্তারিত
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এই নামটি মহাকাশপ্রেমীদের কাছে খুব পরিচিত একটি নাম। এটি সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে জটিল মহাকাশ দূরবীন, যা এর আগে কখনো নির্মান করা হয়নি। ৩০ বছর আগে এই টেলিস্কোপ তৈরীর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, এবং প্রায় বিশ বছরে কাজ শেষে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এখন উৎক্ষেপণের জন্য মোটামুটি প্রস্তুত। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ বা JWST নামে পরিচিত। টেলিস্কোপের নামকরণ করা হয়েছে জেমস ই. ওয়েবের নামানুসারে। তিনি ছিলেন নাসার দ্বিতীয় প্রশাসক এবং অ্যাপোলো অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। এটি নেক্সট জেনারেশন স্পেস টেলিস্কোপ (Next Generation Space Telescope বা NGST)। অবলোহিত বিকিরণ বা ইনফ্রারেড পর্যবেক্ষণের জন্য এবং একই…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a4a4a4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-72.73762%20-267.71893%20186.06587%20-50.55298%20567.6%20622.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(47.758%20-505.22679%20308.4491%2029.15702%201145.6%20433)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.15236%20-476.34913%20199.69695%202.99844%20101%20399.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23525252%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(32.2%2052%201135.2)%20scale(254.23302%20372.90816)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মানব দেহে শুকরের কিডনীর সফল প্রতিস্থাপন
(লেখাটি The Scientist এ প্রকাশিত Surgeons Successfully Transplant a Pig Kidney into a Person এর অনুবাদ) আমেরিকার জাতীয় কিডনী ফাউন্ডেশনের মতে, অঙ্গ স্বল্পতার কারণে একটি কিডনী প্রতিস্থাপনের অপেক্ষা বেশ কয়েক বছর ধরে চলতে থাকে। এই অঙ্গ স্বল্পতা মানুষ ছাড়া অন্যান্য প্রাণীর অঙ্গ দিয়ে পূরণ করা যেতে পারে, যদি জেনোট্রান্সপ্লান্ট অঙ্গগুলো মানব শরীরে কার্যকর প্রমাণিত হয় (এক প্রাণীর অঙ্গ অন্য প্রাণীতে প্রতিস্থাপন করাকে জেনোট্রান্সপ্লান্ট বলা হয়)। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান গবেষণা জেনোট্রান্সপ্লান্ট এর দিকে একটি বড় ধাপ অতিক্রম করেছে। কারণ সম্প্রতি এন ওয়াই ইউ ল্যাঙ্গোন ট্রান্সপ্লান্ট ইনস্টিটিউটের ডাক্তাররা দাবি করেছেন যে প্রথমবারের মত তারা সফলভাবে শুকরের কিডনী মানবদেহে…
%22%20transform%3D%22translate(1.5%201.5)%20scale(3.04688)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237d606a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(82.35647%20-64.23278%2029.46215%2037.77508%20111.3%20106.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fbffff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(152.6%2023.7%2015.4)%20scale(249.48942%2049.29705)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fdffff%22%20cx%3D%22247%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2227%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e07b9d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-95.3%20131%20-32)%20scale(50.00917%2023.8161)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং?
শুরুতেই যেটা বলে নেয়া সবচেয়ে জরুরি সেটা হচ্ছে, “মিসিং লিংক” কথাটা হচ্ছে ট্রানজিশনাল ফসিল(Transitional Fossil) এর একটা অবৈজ্ঞানিক নাম। তাই আমি এই ছোট্ট লেখাটায় ট্রানজিশনাল ফসিল শব্দটাই ব্যবহার করবো বেশি। মিসিং লিংক কথাটা মূলত এসেছে আরেক অবৈজ্ঞানিক চিত্র দ্যা মার্চ অব প্রগ্রেস থেকে। কিন্তু, বিবর্তন এভাবে সরল রৈখিকভাবে চলে না। বিবর্তন মানেই বৈচিত্র্য। জীবাশ্মবিদ জন হকস এর ভাষ্যে— “Missing link is an outmoded term in biology, which I have to say most of us think should be forgotten and never used.” জীবাশ্ম বা ফসিল কী? জীবাশ্ম বা ফসিল হলো প্রাচীন জীবদের সংরক্ষিত অবশেষ বা ছাপ।প্রাগৈতিহাসিক যুগের…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(4.03125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237b7b7b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(56.38019%20-14.5164%2025.09196%2097.4546%20201.4%20128.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c1c1c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(123.8%2019.1%2020.4)%20scale(246.17346%2081.58178)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22249%22%20cy%3D%221%22%20rx%3D%2234%22%20ry%3D%2234%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234f4f4f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-11.01531%20-46.29127%2032.63092%20-7.76474%2073%2064.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নতুন ম্যালেরিয়ায় দগ্ধ আফ্রিকা
জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে আফ্রিকার স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। সেই আফ্রিকাতেই এমন এক ম্যালেরিয়ার উদ্ভব ঘটল, যাকে আর্টেমিসিনিন (Artemisia annua নামক উদ্ভিদ থেকে তৈরি ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক) দ্বারা পরাস্ত করা সম্ভব না। ২০০০ সালের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এই পরজীবীগুলোর উদ্ভব ঘটে, যা ক্রমাগত ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধককে সম্পূর্ণ ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এই ঝুঁকিতে আফ্রিকা অগ্রগামী। ২০১৯ সালের পরিসংখ্যানানুসারে ঐ অঞ্চলে ম্যালেরিয়ায় প্রায় ৪,০৯,০০০ মানুষ মারা গিয়েছে। দুটি সাম্প্রতিক গবেষণাপত্র প্রমাণ দেয় যে ভয়ঙ্কর ম্যালেরিয়া এখন ঐ মহাদেশে পা রেখেছে। স্যান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির ম্যালেরিয়া গবেষক ফিলিপ রোজেনথাল এই ফলাফল গুলোকে “গেম-চেঞ্জার” বলে আখ্যা দিয়েছেন। আপাতত, এমন কোন প্রমাণ…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.90625)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c09387%22%20d%3D%22M101-16L53%20168%20162%2067z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b75c0c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.81283%20-23.46796%2037.65968%20-46.23674%2086.5%20145)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23242d34%22%20d%3D%22M301.7%20165.9l-159%2070.7-30.4-68.5%20159-70.7z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23262f36%22%20cx%3D%2211%22%20cy%3D%2252%22%20rx%3D%2233%22%20ry%3D%2299%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কার্ল সাগান : বর্হিজাগতিক প্রাণের সন্ধানে ছুটে চলা এক পথিক
“The surface of the earth is the shore of cosmic ocean.” মানে, এই পৃথিবী হল এক মহাজাগতিক সমুদ্রের বেলাভূমি। কথাটা বেশ কাব্যিক, তাই না? কিন্তু এই বাক্যটির ভেতরে এই মহাজগতের এক চরম সত্য নিহিত রয়েছে। সেই আদিকাল থেকেই বর্হিজাগতিক প্রাণ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কোন কমতি নেই। অনেক নামকরা বিজ্ঞানীরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিলেন না। আজ যে মানুষটির কথা বলব, তিনি জীবনের বলা চলে বেশিরভাগ সময়ই ব্যয় করেছেন মহাকাশ গবেষণায় এবং বর্হিজাগতিক প্রাণের সন্ধানে। উপরের যে উক্তিটি লিখেছি, তার স্রষ্টা এই বহুগুণে গুনান্বিত মানুষটি। তাকে বলা হয় বিজ্ঞানভিত্তিক সভ্যতার প্রবক্তা। মানুষটির পুরো নাম কার্ল এডওয়ার্ড সাগান, জন্মগ্রহণ করেন…
%22%20transform%3D%22matrix(6.25%200%200%206.25%203.1%203.1)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230a5c4f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-254.17861%2020.45073%20-2.3721%20-29.4825%20119.6%20158.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dfc189%22%20cx%3D%2282%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%22247%22%20ry%3D%2252%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffb5a0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-92%2079.6%20-77)%20scale(32.64012%2075.14315)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23918da2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.25368%2058.18717%20-40.37151%2022.3783%20121.2%2092.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তথাকথিত “জাঙ্ক-ডিএনএ” অনুকল্প কি বাতিলের পথে?
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং এর পর, ২০০০’র দশকে, আমাদের ডিএনএ-র অর্ধেকেরও বেশিকে ধরে নেয়া হতো অপ্রয়োজনীয়। বলা হতো এগুলো বিবর্তনের “বাতিল মাল”, নষ্ট হয়ে যাওয়া “ভাঙা-জিন”, জিনোমের কারাগারে আটকে পড়া ভাইরাসের ডিএনএ-ফসিল যেগুলোর প্রকাশ “চুপ” করে দেয়া হয়েছে। ভাবা হতো, এসব বাতিল ডিএনএ জীবের কোন প্রয়োজনে আসে না, বিবর্তনের সাথে সম্পর্কহীন। তব গত দশকে অনেকগুলো গবেষণা একে একে দেখাচ্ছে যে এসব “বাতিল ডিএনএ”-র একটি অংশ একদম অকেজো নয়। আমাদের সম্পুর্ণ জিনোমের তুলনায় জিনের পরিমাণ খুবই কম, মাত্র ২ শতাংশ, যারা বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করতে পারে। কিছু তথাকথিত ‘অকেজো’ ডিএনএ বিভিন্ন জিনের প্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে বলে…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23939790%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(38.29694%2059.65361%20-36.51095%2023.43961%2069.2%2058.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231d2900%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(2.56243%2044.26622%20-101.80293%205.89305%20250.3%20163.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236d6101%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(20.7%2079.4%20523)%20scale(164.21572%2062.92923)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234b4963%22%20cx%3D%2257%22%20cy%3D%22151%22%20rx%3D%2292%22%20ry%3D%2254%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তাহলে কি মঙ্গলে নতুন হ্রদের সন্ধান পাওয়া গেল?
বিজ্ঞানীরা যা ভেবেছিলেন তার চেয়ে অনেক বেশি পানি মঙ্গলের দক্ষিণ মেরুর নীচে থাকতে পারে বা সেখানে এমন কিছু ঘটতে পারে যা বিজ্ঞানীদের ধারণারও বাইরে। ২০১৮ সালে, ইউরোপের মার্স এক্সপ্রেস মহাকাশযান দ্বারা সংগৃহীত রাডার ডেটা বিশ্লেষণ করে গবেষকরা ঘোষণা করেছিলেন যে তারা রেড প্ল্যানেট তথা মঙ্গলের দক্ষিণ মেরুতে একটি বড় উপতল হ্রদের চিহ্ন পেয়েছেন। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, হ্রদটি প্রায় ১২ মাইল (১৯ কিলোমিটার) প্রশস্ত এবং এটি শুষ্ক, হিমশীতল পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ মাইল (১.৬ কিমি) নিচে অবস্থিত। ঐ গবেষকেরা এর পরপরই মার্স এক্সপ্রেস যন্ত্র ব্যবহার করেন, যেটাকে মার্স অ্যাডভান্সড রাডার ফর সাবসারফেস এবং আয়নোস্ফিয়ারিক সাউন্ডিং বা সংক্ষেপে মার্সিস…







